চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা থেকে ১২০ পিস ইয়াবা সহ এক যুবককে আটক করেন পুলিশ। আটক মোঃ শাহিন (২৫) ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পশ্চিম নতুন পাড়া গ্রামের মৃত কবির আহমদের পুত্র বলে জানা যায়। এঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
গত ১৩ মে শনিবার রাত ১০টার দিকে ডুলাহাজারা বাজারের শেফা টেলিকম এন্ড ইলেকট্রনিক্স নামের মোবাইল পার্টসের দোকান থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের পরপর ডুলাহাজারা ইউপি চেয়ারম্যান, কয়েকজন ইউপি সদস্য, মান্যগণ্য ব্যক্তি সহ প্রায় শতাধিক স্থানীয় লোকজন চকরিয়া থানায় অবস্থান করেন।
ঘটনাসুত্রে জানাযায়, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শেফা টেলিকম এন্ড ইলেকট্রনিক্স থেকে অপরিচিত এক যুবক একটি মিউজিক গানের এ্যাম কিনে নিয়ে যায়। একটু পর যুবকটি পুনরায় ফিরে এসে ক্রয়কৃত এ্যামটি দোকানের মালিক শাহিনকে রাখতে বলে। ক্রেতার কথামত শাহিন এ্যামটি নিয়ে তার সুকেসে রাখেন। এর অল্প কিছুক্ষণ পর পুলিশ এসে সুকেস থেকে এ্যামটি উদ্ধার করে এবং তা খুলে ইয়াবা দেখতে পায়। তাৎক্ষণিক চকরিয়া থানার এসআই সুকান্ত চৌধুরী শেফা টেলিকম এন্ড ইলেকট্রনিক্সের মালিক শাহিনকে আটক করে। গোপনীয় সুত্রে জানাযায় ডুলাহাজারা ইউনিয়নে ইয়াবা সেবন ও ইয়াবা পাচার অতিরিক্ত হারে বেড়ে গেছে। বিশেষ করে নতুন পাড়া ও রংমহল এলাকা ইয়াবার স্বর্গরাজ্যে পরিনত হচ্ছে। তবে প্রকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা রয়ে যাচ্ছে ধরাছুঁয়ার বাইরে। আটকের ব্যাপারে জানতে চাইলে চকরিয়া থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন 'বিষয়টি আমার ছেয়ে এসআই সুকান্ত চৌধুরী ভাল জানেন!' মুটোফোনে এসআই সুকান্ত চৌধুরী জানান '১২০পিস ইয়াবা সহ শাহিনকে তার দোকান থেকে আটক করি। পরদিন তাকে কোর্টের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।' ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন জানান 'সার্বিক যাচাই পূর্বক ঘটনাটি শত্রুতামী ও সাজানো নাটক বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইয়াবা তথ্য দানকারী টেকনাফের বেলাল, খুটাখালী ইউনিয়নের রুবেল ও শাহ জালাল সহ চার যুবক বলে জানতে পারি। সঠিক তথ্য বের করতে তাদের খুঁজতে বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে প্রকৃত সত্য বের করতে আইনের মাধ্যমে তৎপরতা অব্যহত রয়েছে। অপরাধী যেই হউক আইন কাউকে ছাড় দেবে না।'
গত ১৩ মে শনিবার রাত ১০টার দিকে ডুলাহাজারা বাজারের শেফা টেলিকম এন্ড ইলেকট্রনিক্স নামের মোবাইল পার্টসের দোকান থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের পরপর ডুলাহাজারা ইউপি চেয়ারম্যান, কয়েকজন ইউপি সদস্য, মান্যগণ্য ব্যক্তি সহ প্রায় শতাধিক স্থানীয় লোকজন চকরিয়া থানায় অবস্থান করেন।
ঘটনাসুত্রে জানাযায়, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে শেফা টেলিকম এন্ড ইলেকট্রনিক্স থেকে অপরিচিত এক যুবক একটি মিউজিক গানের এ্যাম কিনে নিয়ে যায়। একটু পর যুবকটি পুনরায় ফিরে এসে ক্রয়কৃত এ্যামটি দোকানের মালিক শাহিনকে রাখতে বলে। ক্রেতার কথামত শাহিন এ্যামটি নিয়ে তার সুকেসে রাখেন। এর অল্প কিছুক্ষণ পর পুলিশ এসে সুকেস থেকে এ্যামটি উদ্ধার করে এবং তা খুলে ইয়াবা দেখতে পায়। তাৎক্ষণিক চকরিয়া থানার এসআই সুকান্ত চৌধুরী শেফা টেলিকম এন্ড ইলেকট্রনিক্সের মালিক শাহিনকে আটক করে। গোপনীয় সুত্রে জানাযায় ডুলাহাজারা ইউনিয়নে ইয়াবা সেবন ও ইয়াবা পাচার অতিরিক্ত হারে বেড়ে গেছে। বিশেষ করে নতুন পাড়া ও রংমহল এলাকা ইয়াবার স্বর্গরাজ্যে পরিনত হচ্ছে। তবে প্রকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ীরা রয়ে যাচ্ছে ধরাছুঁয়ার বাইরে। আটকের ব্যাপারে জানতে চাইলে চকরিয়া থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন 'বিষয়টি আমার ছেয়ে এসআই সুকান্ত চৌধুরী ভাল জানেন!' মুটোফোনে এসআই সুকান্ত চৌধুরী জানান '১২০পিস ইয়াবা সহ শাহিনকে তার দোকান থেকে আটক করি। পরদিন তাকে কোর্টের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।' ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন জানান 'সার্বিক যাচাই পূর্বক ঘটনাটি শত্রুতামী ও সাজানো নাটক বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইয়াবা তথ্য দানকারী টেকনাফের বেলাল, খুটাখালী ইউনিয়নের রুবেল ও শাহ জালাল সহ চার যুবক বলে জানতে পারি। সঠিক তথ্য বের করতে তাদের খুঁজতে বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে প্রকৃত সত্য বের করতে আইনের মাধ্যমে তৎপরতা অব্যহত রয়েছে। অপরাধী যেই হউক আইন কাউকে ছাড় দেবে না।'