আব্দুল মালেক সিকদার,রামু::
কক্সবার্তা ডট কম।।
রামু উপজেলায় জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ১৭ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (১৫ মে) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের মেরংলোয়া গ্রামীণ ব্যাংক সংলগ্ন এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। আহতদের মধ্যে ২ জনকে রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫ জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তৎমধ্যে শাপলা আক্তার (১৪) নামে স্কুল ছাত্রীর অবস্থা আশঙ্খাজনক বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
অন্যান্য আহতরা হলেন- রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের মধ্যম মেরংলোয়া গ্রামীণ ব্যাংক এলাকার অসহায় দিনমজুর বাবুল মিয়া স্ত্রী মর্জিনা আক্তার, মোক্তার আহাম্মদের স্ত্রী আয়েশা খাতুন, শাহ আলমের স্ত্রী মনোয়ারা, শুক্কুর আহাম্মদের পুত্র ইকবাল হোসেন রানা, নাজির হোসেনের স্ত্রী নুর নাহার, মৃত চাঁদ মিয়ার স্ত্রী নাজিমা আক্তার, মীর কাশেমের স্ত্রী রাবেয়া খাতুন, মোক্তার আহাম্মদের মেয়ে ইয়াছমিন, সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী জো¯œা আক্তার, বাবুল মিয়ার মেয়ে মুন্নি আক্তার, সোলেইমানের স্ত্রী মঞ্জুয়ারা, সাহাব উদ্দিনের স্ত্রী হামিদা, শাহজাহানের স্ত্রী মিনোয়ারা, ছৈয়দ মিয়ার স্ত্রী জান্নাত আরা এবং মেরংলোয়া মৌলভী পাড়া এলাকার মোস্তাক আহাম্মদের ছেলে ফখরুদ্দিন আজিজ ও মাসুদ হাসান।
জানা গেছে, মধ্যম মেরংলোয়া গ্রামীণ সংলগ্ন এলাকার মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে অসহায় দিনমজুর মোক্তার আহাম্মদ ও তার পরিবারের সদস্যদের পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে রশিদ নগর ইউনিয়নের ধলিরছড়া এলাকার মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে মনিরুজ্জানের বিরোধ চলে আসছিলো।
এরই সূত্র ধরে মনিরুজ্জামানের পক্ষে মেরংলোয়া মৌলভী পাড়া এলাকার মৃত গুরা মিয়ার ছেলে মোস্তাক আহাম্মদের নেতৃত্বে তার ছেলে ফখরুদ্দিন আজিজ ও মাসুদ হাসান এবং বাবু, জানোয়ারা বেগম, জাফর, মান্না, ইরান, সুলতান আহাম্মদ, ফরিদ, জিল্লু ওফে শিবির জিল্লু, ভুট্টোসহ শতাধিক ভাড়াটে লোক নিয়ে হামলা চালিয়ে মোক্তার আহাম্মদের দখলে থাকা জমি জবর দখলের অপচেষ্টা চালানো হয়।
এসময় বালির ট্রাক দিয়ে জমিতে মাটি ভরাটের কাজ চালিয়ে যেতে থাকে মোস্তাক আহাম্মদের লোকজন। এতে বাধা দেওয়ায় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে মোস্তাক আহাম্মদের ছেলে ফখরুদ্দিন আজিজ ও মাসুদ হাসান আহত হন। মোস্তাক আহাম্মদের পক্ষের লোকজনের হামলায় মোক্তার আহাম্মদের পক্ষের ১৫ জন আহত হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে পুলিশ এবং পরে আহতদেরকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা রশিদ আহাম্মদ ও সাহাব উদ্দিন জানান, মোক্তার আহাম্মদের দখলে থাকা জায়গা দখল করতে আসায় উভয় পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী মোক্তার আহাম্মদ জানান, তিনি পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখলে আছেন। জমি সংক্রান্তে আদালতে ৩টি মামলা শুনানি পর্যায়ে রয়েছে।
প্রভাবশালী ও সন্ত্রাসী মনিরুজ্জামানসহ পরিবারের লোকজন আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হয়ে সশস্ত্র ভাবে হামলা চালিয়ে তার দীর্ঘদিনের দখলে থাকা পৈত্রিক জমি সন্ত্রাসী কায়দায় জবর দখলের অপচেষ্টা চালায়। এসময় বাধা দেওয়ায় তাদেরক ব্যাপক মারধর করে আহত করে সন্ত্রাসীরা।
রামু থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজাদ জানান, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উভয় পক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংঘটিত ঘটনার প্রেক্ষিতে অভিযুক্তদের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে মধ্যম মেরংলোয়া গ্রামীণ ব্যাংক সংলগ্ন এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অন্যান্য আহতরা হলেন- রামু উপজেলার ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের মধ্যম মেরংলোয়া গ্রামীণ ব্যাংক এলাকার অসহায় দিনমজুর বাবুল মিয়া স্ত্রী মর্জিনা আক্তার, মোক্তার আহাম্মদের স্ত্রী আয়েশা খাতুন, শাহ আলমের স্ত্রী মনোয়ারা, শুক্কুর আহাম্মদের পুত্র ইকবাল হোসেন রানা, নাজির হোসেনের স্ত্রী নুর নাহার, মৃত চাঁদ মিয়ার স্ত্রী নাজিমা আক্তার, মীর কাশেমের স্ত্রী রাবেয়া খাতুন, মোক্তার আহাম্মদের মেয়ে ইয়াছমিন, সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী জো¯œা আক্তার, বাবুল মিয়ার মেয়ে মুন্নি আক্তার, সোলেইমানের স্ত্রী মঞ্জুয়ারা, সাহাব উদ্দিনের স্ত্রী হামিদা, শাহজাহানের স্ত্রী মিনোয়ারা, ছৈয়দ মিয়ার স্ত্রী জান্নাত আরা এবং মেরংলোয়া মৌলভী পাড়া এলাকার মোস্তাক আহাম্মদের ছেলে ফখরুদ্দিন আজিজ ও মাসুদ হাসান।
জানা গেছে, মধ্যম মেরংলোয়া গ্রামীণ সংলগ্ন এলাকার মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে অসহায় দিনমজুর মোক্তার আহাম্মদ ও তার পরিবারের সদস্যদের পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে রশিদ নগর ইউনিয়নের ধলিরছড়া এলাকার মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে মনিরুজ্জানের বিরোধ চলে আসছিলো।
এরই সূত্র ধরে মনিরুজ্জামানের পক্ষে মেরংলোয়া মৌলভী পাড়া এলাকার মৃত গুরা মিয়ার ছেলে মোস্তাক আহাম্মদের নেতৃত্বে তার ছেলে ফখরুদ্দিন আজিজ ও মাসুদ হাসান এবং বাবু, জানোয়ারা বেগম, জাফর, মান্না, ইরান, সুলতান আহাম্মদ, ফরিদ, জিল্লু ওফে শিবির জিল্লু, ভুট্টোসহ শতাধিক ভাড়াটে লোক নিয়ে হামলা চালিয়ে মোক্তার আহাম্মদের দখলে থাকা জমি জবর দখলের অপচেষ্টা চালানো হয়।
এসময় বালির ট্রাক দিয়ে জমিতে মাটি ভরাটের কাজ চালিয়ে যেতে থাকে মোস্তাক আহাম্মদের লোকজন। এতে বাধা দেওয়ায় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে মোস্তাক আহাম্মদের ছেলে ফখরুদ্দিন আজিজ ও মাসুদ হাসান আহত হন। মোস্তাক আহাম্মদের পক্ষের লোকজনের হামলায় মোক্তার আহাম্মদের পক্ষের ১৫ জন আহত হয়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে পুলিশ এবং পরে আহতদেরকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা রশিদ আহাম্মদ ও সাহাব উদ্দিন জানান, মোক্তার আহাম্মদের দখলে থাকা জায়গা দখল করতে আসায় উভয় পক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী মোক্তার আহাম্মদ জানান, তিনি পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখলে আছেন। জমি সংক্রান্তে আদালতে ৩টি মামলা শুনানি পর্যায়ে রয়েছে।
প্রভাবশালী ও সন্ত্রাসী মনিরুজ্জামানসহ পরিবারের লোকজন আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হয়ে সশস্ত্র ভাবে হামলা চালিয়ে তার দীর্ঘদিনের দখলে থাকা পৈত্রিক জমি সন্ত্রাসী কায়দায় জবর দখলের অপচেষ্টা চালায়। এসময় বাধা দেওয়ায় তাদেরক ব্যাপক মারধর করে আহত করে সন্ত্রাসীরা।
রামু থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজাদ জানান, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে উভয় পক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংঘটিত ঘটনার প্রেক্ষিতে অভিযুক্তদের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে মধ্যম মেরংলোয়া গ্রামীণ ব্যাংক সংলগ্ন এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
