তামিরুল ইসলাম মিল্লাত::
কক্সবার্তা ডট কম।।
![]() |
কালের বিবর্তনে তথা প্রযুক্তির উন্নয়নে মানুষের স্বার্থে আবিষ্কার হয় নিত্য নতুন জিনিস!
প্রযুক্তির এ ছোঁয়া মানুষের যাতায়াতে রেখেছে বিশাল অবদান।যুগের সাথে তাল মিলিয়ে মহাসড়কে আসতেছে নিত্য নতুন গাড়ি।অতিরিক্ত কোন কিছু খেলে বদহজম হয়! তেমনি করে প্রযুক্তির এই অতিরিক্ত বদহজমের নতুন নাম মহাসড়কের "ম্যাজিক গাড়ি"!এই ম্যাজিক গাড়ি তথা জিজিটাল ইজিবাইক কিন্তু এখন কাল হয়ে দাড়িয়েছে মানুষের জন্য।
বলছি কক্সবাজারের চকরিয়া অঞ্চলের মহাসড়কের করুণ বাস্তবতার কথা!বৃহত্তর ঈদগাঁও থেকে চকরিয়া পর্যন্ত রাস্তার যত্রতত্র দেখা মিলবে এই ম্যাজিক গাড়ি!
স্থানকাল না ভেবে যাত্রী উঠানামা অথবা দীর্ঘসময় একস্থানে দাড়িয়ে যাত্রী খোঁজার কারণে মহাসড়কে যানজট যেন নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।
অদক্ষ চালকের জন্য নতুন ঠিকানা যেন এসব চার চাকার যানবাহন।
সরেজমিনে দেখা যায়,কয়েকদিন আগের রিক্সা চালকও এখন এই গাড়ির সুবাধে এক একজন ড্রাইভার!ট্রফিক আইন কি এ বিষয়ে যাদের জ্ঞান শূন্যের কৌটায় তারাও দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছে এসব গাড়ি!ফলে ইতিমধ্যে ঘটে গেছে অনেক দূর্ঘটনা এবং আরো অনেক দূর্ঘটনার আশংকা নিয়ে যাত্রীরা একপ্রকার বাধ্য হয়েও এসব গাড়িতে যাতায়াত করছে।
সময়জ্ঞানহীন এসব গাড়ির চালকেরা একস্থানে দীর্ঘসময় দাড়িয়ে থেকে যাত্রীদের ফেলে চরম ভোগান্তিতে।এছাড়া ঈদগাঁও বাসস্ট্যান্ড, খুটাখালি বাজার, ডুলাহাজারা বাজার,মালুমঘাট বাজার,চকরিয়া থানা রাস্তার মাথা সহ প্রায় সব স্থানে মহাসড়ক দখল করে দাড়িয়ে থাকার কারণে এসব স্থানে নিয়মিত দেখা যায় দীর্ঘ যানজট।দূরপাল্লার গাড়িগুলোকে দাড়িয়ে থাকতে হয় দীর্ঘসময়।
চকরিয়া-ডুলাহাজারার নিয়মিত যাত্রী শাহীন বলেন,"আগে যেখানে ১৫-২০ মিনিটে চকরিয়া পৌঁছতে পারতাম সেখানে এইসব গাড়ি আসার পর প্রায় ১ ঘন্টার চেয়ে বেশি সময় লাগে চকরিয়া পৌঁছতে।"
জরুরী প্রয়োজনে ফায়ার সার্বিস কিংবা এ্যাম্বুলেন্সও বের হওয়ার মত তিল পরিমাণ জায়গা পায়না এসব গাড়ির কারণে।
এদিকে, মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের কারণে স্থানীয় যানবাহন ও স্থানীয় লোকজন পড়েছে চরম ভোগান্তিতে। সেই সাথে রিকশা ও ইজিবাইক চালকরা হাতিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।এছাড়া স্থানীয় অনেক বিদ্যালয় মহাসড়কের পাশে হওয়ায় ছাত্রছাত্রীদের ভোগান্তির শেষ নেই।
ঢাকাগামী হানিফ এন্টারপ্রাইজ এর বাস চালক ইদ্রিস আলী জানান, সকালে কক্সবাজার থেকে বাস ছাড়ার পর ঈদগাও আসার পর থেকেই মহাসড়কে যানজটে পড়েন। ওই যায়গা চকরিয়া পৌছতে লেগে যায় প্রায় ১ ঘন্টা।এভাবে প্রায় দূরপাল্লার সব যানবাহন জটে আটকে থাকতে থাকতে কক্সবাজারগামী অনেক পর্যটক বিরক্তিকর অবস্থায় পড়ে যায়।
পুরান ঢাকার ব্যাংকার নওশাদের মতে,"এভাবে চলতে থাকলে কিছুদিন পর কক্সবাজার হারাবে তার কাঙ্খিত পর্যটক।"
উল্লেখ্য মহাসড়কের অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নেই কোন ট্রাফিক সিগনাল।যেসব স্থানে ট্রাফিক সিগনাল আছে তাও অনেকটা বিপর্যস্ত অবস্থায়।এইসব বদলানো অথবা মেরামতের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নেই কোন সৎ উদ্যোগ।
প্রয়োজনীয় স্থানেও নেই পর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ।
সচেতন মহল মনে করেন, এই বিষয়ে অতি অল্প সময়ে ব্যবস্থা নিয়ে মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থাকে করতে হবে নিশ্চিন্ত এবং ফলশ্রুতিতে বাঁচবে সময়,জান-মাল।
প্রযুক্তির এ ছোঁয়া মানুষের যাতায়াতে রেখেছে বিশাল অবদান।যুগের সাথে তাল মিলিয়ে মহাসড়কে আসতেছে নিত্য নতুন গাড়ি।অতিরিক্ত কোন কিছু খেলে বদহজম হয়! তেমনি করে প্রযুক্তির এই অতিরিক্ত বদহজমের নতুন নাম মহাসড়কের "ম্যাজিক গাড়ি"!এই ম্যাজিক গাড়ি তথা জিজিটাল ইজিবাইক কিন্তু এখন কাল হয়ে দাড়িয়েছে মানুষের জন্য।
বলছি কক্সবাজারের চকরিয়া অঞ্চলের মহাসড়কের করুণ বাস্তবতার কথা!বৃহত্তর ঈদগাঁও থেকে চকরিয়া পর্যন্ত রাস্তার যত্রতত্র দেখা মিলবে এই ম্যাজিক গাড়ি!
স্থানকাল না ভেবে যাত্রী উঠানামা অথবা দীর্ঘসময় একস্থানে দাড়িয়ে যাত্রী খোঁজার কারণে মহাসড়কে যানজট যেন নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।
অদক্ষ চালকের জন্য নতুন ঠিকানা যেন এসব চার চাকার যানবাহন।
সরেজমিনে দেখা যায়,কয়েকদিন আগের রিক্সা চালকও এখন এই গাড়ির সুবাধে এক একজন ড্রাইভার!ট্রফিক আইন কি এ বিষয়ে যাদের জ্ঞান শূন্যের কৌটায় তারাও দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছে এসব গাড়ি!ফলে ইতিমধ্যে ঘটে গেছে অনেক দূর্ঘটনা এবং আরো অনেক দূর্ঘটনার আশংকা নিয়ে যাত্রীরা একপ্রকার বাধ্য হয়েও এসব গাড়িতে যাতায়াত করছে।
সময়জ্ঞানহীন এসব গাড়ির চালকেরা একস্থানে দীর্ঘসময় দাড়িয়ে থেকে যাত্রীদের ফেলে চরম ভোগান্তিতে।এছাড়া ঈদগাঁও বাসস্ট্যান্ড, খুটাখালি বাজার, ডুলাহাজারা বাজার,মালুমঘাট বাজার,চকরিয়া থানা রাস্তার মাথা সহ প্রায় সব স্থানে মহাসড়ক দখল করে দাড়িয়ে থাকার কারণে এসব স্থানে নিয়মিত দেখা যায় দীর্ঘ যানজট।দূরপাল্লার গাড়িগুলোকে দাড়িয়ে থাকতে হয় দীর্ঘসময়।
চকরিয়া-ডুলাহাজারার নিয়মিত যাত্রী শাহীন বলেন,"আগে যেখানে ১৫-২০ মিনিটে চকরিয়া পৌঁছতে পারতাম সেখানে এইসব গাড়ি আসার পর প্রায় ১ ঘন্টার চেয়ে বেশি সময় লাগে চকরিয়া পৌঁছতে।"
জরুরী প্রয়োজনে ফায়ার সার্বিস কিংবা এ্যাম্বুলেন্সও বের হওয়ার মত তিল পরিমাণ জায়গা পায়না এসব গাড়ির কারণে।
![]() |
ঢাকাগামী হানিফ এন্টারপ্রাইজ এর বাস চালক ইদ্রিস আলী জানান, সকালে কক্সবাজার থেকে বাস ছাড়ার পর ঈদগাও আসার পর থেকেই মহাসড়কে যানজটে পড়েন। ওই যায়গা চকরিয়া পৌছতে লেগে যায় প্রায় ১ ঘন্টা।এভাবে প্রায় দূরপাল্লার সব যানবাহন জটে আটকে থাকতে থাকতে কক্সবাজারগামী অনেক পর্যটক বিরক্তিকর অবস্থায় পড়ে যায়।
পুরান ঢাকার ব্যাংকার নওশাদের মতে,"এভাবে চলতে থাকলে কিছুদিন পর কক্সবাজার হারাবে তার কাঙ্খিত পর্যটক।"
উল্লেখ্য মহাসড়কের অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নেই কোন ট্রাফিক সিগনাল।যেসব স্থানে ট্রাফিক সিগনাল আছে তাও অনেকটা বিপর্যস্ত অবস্থায়।এইসব বদলানো অথবা মেরামতের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নেই কোন সৎ উদ্যোগ।
প্রয়োজনীয় স্থানেও নেই পর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ।
সচেতন মহল মনে করেন, এই বিষয়ে অতি অল্প সময়ে ব্যবস্থা নিয়ে মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থাকে করতে হবে নিশ্চিন্ত এবং ফলশ্রুতিতে বাঁচবে সময়,জান-মাল।

