দেশ বার্তা::
বিয়ে হয়নি। কিন্তু ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ১২ বছরের এক কিশোরী। অভিযোগের তীর উঠেছে ৫০ বছরের এর বৃদ্ধ প্রতিবেশির দিকে। তার বিকৃত লালশার শিকার হয়েই মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে-এমনই অভিযোগ করেন ১২ বছর বয়সী কিশোরির পরিবার।
ঘটনাটি ঘটে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের মঙ্গলহোড় গ্রামে। ১২ বছর বয়সি অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী পাথরাইল ইউনিয়নের আটিয়া হযরত শাহান শাহ্ আদম কাশ্মেরী রহঃ দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।
গ্রাম্য শালিসের ওপরে ভরসা করে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীর পরিবার এখনও মামলা করেনি থানায়। এদিকে গত বৃহস্পতিবার অন্তঃসত্ত্বা কিশোরির পরিবার মেয়েকে নিয়ে মানবাধিকার সংস্থার সরনাপণ্ন হতে ঢাকায় গিয়ে ছিলেন বলে জানা যায়।
এ ঘটানার সুষ্ঠু কোনো মীমাংসা না হলে গর্ভের সন্তান কোন পরিচয়ে বড় হবে সেটা নিয়ে দুঃচিন্তায় পরেছেন ১২ বছর বয়সী কিশোরী ও তার পরিবার।
জানা যায়, পাথরাইল ইউনিয়নের মঙ্গলহোড় গ্রামের ওই কিশোরীর বাবা মোসলেম জোয়ারদাদের বাড়িতে থাকার ঘর নেই। স্ত্রীর সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো না থাকায় তিনি থাকেন সিলেটে। আর মোসলেম জোয়ারদার টাঙ্গাইল শহরে রিক্সা চালান।
বড় ভাই মোফাজ্জল অটোরিকশা চালক হওয়ায় প্রতিদিনই বাড়ি ফিরতে দেরি হয়। অপর অারেক ভাই তোফাজ্জল পাথরাইলে ব্রেড ফ্যাক্টরিতে দিন মজুরের কাজ করে। সেখানেই তিনি রাত কাটায়। পরিবারের সবার অনুপস্থিতি আর থাকার ঘরের অভাবে মেয়েটি পাশের বাড়ির নাছির উদ্দিন (বারকু মিয়া'র) বাড়িতে থাকতেন।
মেয়েটির ওপর কু-নজর পড়ে বারকু মিয়ার ছেলে অটোরিকশা চালক আব্দুল হাকিমের। মেয়েটিকে একা পেয়ে ফুঁসলিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ওই মেয়েটির সাথে শারীরিক মেলা-মেশা করে আসছিলো বারকু মিয়ার ছেলে হাকিম। ফলে কিশোরী মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে, এ ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে গেলে সমালোচনার ঝড় উঠে।
বিষয়টি মীমাংসার নামে ধামাচাপা দিয়ে অভিযুক্ত আব্দুল হাকিমকে বাঁচাতে এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা রহস্যজনক ভূমিকায় রয়েছে বলে অভিযোগ করছেন অন্তঃসত্ত্বা মেয়েটির পরিবার ও স্বজনরা।
এ বিষয়ে কিশোরীর বড় ভাই মোফাজ্জল সময়ের কন্ঠস্বর' কে জানান, 'আমাদের বাড়ি সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় ছিল। ঘড় -বাড়ী ও বসতভিটাটি নদীতে ভেঙ্গে যায়। পরে আব্দুল হাকিমের বাড়িতে আশ্রয় নেই। এই সুযোগে জোরপূর্বক আমার বোনের সাথে শারীরিক মেলামেশা করতেন।
আমার বোন অসুস্থ হলে তাকে চিকিৎসকের কাছে নেয়া হয়। চিকিৎসক পরীক্ষার মাধ্যমে আমার বোনের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বর্তমানে অামার ১২ বছর বয়সী বোনটি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনায় জড়িত আব্দুল হাকিমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
তিনি বলেন, 'হাকিমের পরিবার প্রথমে চাপ দিয়েছিল বাচ্চাটি নষ্ট করতে। রাজি না হওয়ায় বড় অংকের টাকা নিয়ে এলাকা ছাড়তে চাপ দিচ্ছেন বলেও জানান মোফাজ্জল মেয়েটির ভাই।
এ ঘটনায় ১২ বছরের কিশোরী ও অন্তঃসত্ত্বা মেয়েটির সাথে কথা বলতে চাইলে মেয়েটি জানায়, সাতমাস যাবৎ ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক আমার সাথে শারীরিক মেলামেশা করতেন হাকিম।
এমনকি বিষয়টি কাউকে জানালে আমাকে ও অামার বাবা, ভাইকে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিতেন। ডাক্তারী পরীক্ষায় অন্তঃসত্ত্বার বিষয় বেরিয়ে আসলে স্বজনদের সবকিছু খুলে বলি অামি।
অন্তঃসত্ত্বা মেয়েটির চাচা আব্দুল মজিদ ও বাবা মোসলেম জোয়ারদার বলেন, বিষয়টি মীমাংশার জন্য স্থানীয় মাতব্বররা একাধিকবার বসেছেন। কিন্তু এর পরেও কোন বিচার পায়নি অামি।
এ দিকে স্থানীয়রা জানান, আব্দুল হাকিমের ছেলে ও মেয়েরা বিবাহিত। আরেকজন বিয়ের বয়সী। যে মেয়ের সাথে এমন ঘৃণীত কাজ করেছে সে তার মেয়ের বয়সী। এলাকায় এ ধরণের অনৈতিক কাজ আমাদের হতবাক করেছে। তারা অভিযোগ করেন বিষয়টি মীমাংসার নামে ধর্ষক আব্দুল হাকিমকে বাঁচানোর চেষ্টা চলছে।
মাদ্রাসা শিক্ষক নুরুল হক বলেন, ঘটনার সত্যতা আছে বলেই বিষয়টি নিয়ে এদিকে দুবার বসা হয়েছে। না থাকলে হাকিম ও তার অবিভাবকরা শালিসে বসতে রাজি হত না।
এর পর চলতি মাসের ১০ তারিখে মীমাংসায় বসার কথা ছিল। এখনও বসা হয়নি। অভিযুক্তের পরিবারের মন্তব্য নিতে গেলে বাড়িতে কোনো পুরুষ লোকজন চোখে পড়েনি। সকাল-বিকাল দুবার বাড়ি গিয়েও অভিযুক্ত পরিবারের কোন পুরুষের দেখা মেলেনি।
অভিযুক্ত হাকিমের স্ত্রী রুবি বেগম বলেন, বাড়ির পুরুষেরা সবাই বাজারে গিয়েছেন। তবে তিনি বলেন, আমার স্বামীকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হচ্ছে।
এ ঘটনায় টাঙ্গাইল দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশাররফ হোসেন কে জানান, 'আমাদের কাছে এ ধরণের কোনো অভিযোগ আসেনি। আসলে অবশ্যই যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ঘটনাটি ঘটে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের মঙ্গলহোড় গ্রামে। ১২ বছর বয়সি অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী পাথরাইল ইউনিয়নের আটিয়া হযরত শাহান শাহ্ আদম কাশ্মেরী রহঃ দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।
গ্রাম্য শালিসের ওপরে ভরসা করে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীর পরিবার এখনও মামলা করেনি থানায়। এদিকে গত বৃহস্পতিবার অন্তঃসত্ত্বা কিশোরির পরিবার মেয়েকে নিয়ে মানবাধিকার সংস্থার সরনাপণ্ন হতে ঢাকায় গিয়ে ছিলেন বলে জানা যায়।
এ ঘটানার সুষ্ঠু কোনো মীমাংসা না হলে গর্ভের সন্তান কোন পরিচয়ে বড় হবে সেটা নিয়ে দুঃচিন্তায় পরেছেন ১২ বছর বয়সী কিশোরী ও তার পরিবার।
জানা যায়, পাথরাইল ইউনিয়নের মঙ্গলহোড় গ্রামের ওই কিশোরীর বাবা মোসলেম জোয়ারদাদের বাড়িতে থাকার ঘর নেই। স্ত্রীর সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো না থাকায় তিনি থাকেন সিলেটে। আর মোসলেম জোয়ারদার টাঙ্গাইল শহরে রিক্সা চালান।
বড় ভাই মোফাজ্জল অটোরিকশা চালক হওয়ায় প্রতিদিনই বাড়ি ফিরতে দেরি হয়। অপর অারেক ভাই তোফাজ্জল পাথরাইলে ব্রেড ফ্যাক্টরিতে দিন মজুরের কাজ করে। সেখানেই তিনি রাত কাটায়। পরিবারের সবার অনুপস্থিতি আর থাকার ঘরের অভাবে মেয়েটি পাশের বাড়ির নাছির উদ্দিন (বারকু মিয়া'র) বাড়িতে থাকতেন।
মেয়েটির ওপর কু-নজর পড়ে বারকু মিয়ার ছেলে অটোরিকশা চালক আব্দুল হাকিমের। মেয়েটিকে একা পেয়ে ফুঁসলিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ওই মেয়েটির সাথে শারীরিক মেলা-মেশা করে আসছিলো বারকু মিয়ার ছেলে হাকিম। ফলে কিশোরী মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে, এ ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে গেলে সমালোচনার ঝড় উঠে।
বিষয়টি মীমাংসার নামে ধামাচাপা দিয়ে অভিযুক্ত আব্দুল হাকিমকে বাঁচাতে এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা রহস্যজনক ভূমিকায় রয়েছে বলে অভিযোগ করছেন অন্তঃসত্ত্বা মেয়েটির পরিবার ও স্বজনরা।
এ বিষয়ে কিশোরীর বড় ভাই মোফাজ্জল সময়ের কন্ঠস্বর' কে জানান, 'আমাদের বাড়ি সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় ছিল। ঘড় -বাড়ী ও বসতভিটাটি নদীতে ভেঙ্গে যায়। পরে আব্দুল হাকিমের বাড়িতে আশ্রয় নেই। এই সুযোগে জোরপূর্বক আমার বোনের সাথে শারীরিক মেলামেশা করতেন।
আমার বোন অসুস্থ হলে তাকে চিকিৎসকের কাছে নেয়া হয়। চিকিৎসক পরীক্ষার মাধ্যমে আমার বোনের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বর্তমানে অামার ১২ বছর বয়সী বোনটি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনায় জড়িত আব্দুল হাকিমের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
তিনি বলেন, 'হাকিমের পরিবার প্রথমে চাপ দিয়েছিল বাচ্চাটি নষ্ট করতে। রাজি না হওয়ায় বড় অংকের টাকা নিয়ে এলাকা ছাড়তে চাপ দিচ্ছেন বলেও জানান মোফাজ্জল মেয়েটির ভাই।
এ ঘটনায় ১২ বছরের কিশোরী ও অন্তঃসত্ত্বা মেয়েটির সাথে কথা বলতে চাইলে মেয়েটি জানায়, সাতমাস যাবৎ ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক আমার সাথে শারীরিক মেলামেশা করতেন হাকিম।
এমনকি বিষয়টি কাউকে জানালে আমাকে ও অামার বাবা, ভাইকে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিতেন। ডাক্তারী পরীক্ষায় অন্তঃসত্ত্বার বিষয় বেরিয়ে আসলে স্বজনদের সবকিছু খুলে বলি অামি।
অন্তঃসত্ত্বা মেয়েটির চাচা আব্দুল মজিদ ও বাবা মোসলেম জোয়ারদার বলেন, বিষয়টি মীমাংশার জন্য স্থানীয় মাতব্বররা একাধিকবার বসেছেন। কিন্তু এর পরেও কোন বিচার পায়নি অামি।
এ দিকে স্থানীয়রা জানান, আব্দুল হাকিমের ছেলে ও মেয়েরা বিবাহিত। আরেকজন বিয়ের বয়সী। যে মেয়ের সাথে এমন ঘৃণীত কাজ করেছে সে তার মেয়ের বয়সী। এলাকায় এ ধরণের অনৈতিক কাজ আমাদের হতবাক করেছে। তারা অভিযোগ করেন বিষয়টি মীমাংসার নামে ধর্ষক আব্দুল হাকিমকে বাঁচানোর চেষ্টা চলছে।
মাদ্রাসা শিক্ষক নুরুল হক বলেন, ঘটনার সত্যতা আছে বলেই বিষয়টি নিয়ে এদিকে দুবার বসা হয়েছে। না থাকলে হাকিম ও তার অবিভাবকরা শালিসে বসতে রাজি হত না।
এর পর চলতি মাসের ১০ তারিখে মীমাংসায় বসার কথা ছিল। এখনও বসা হয়নি। অভিযুক্তের পরিবারের মন্তব্য নিতে গেলে বাড়িতে কোনো পুরুষ লোকজন চোখে পড়েনি। সকাল-বিকাল দুবার বাড়ি গিয়েও অভিযুক্ত পরিবারের কোন পুরুষের দেখা মেলেনি।
অভিযুক্ত হাকিমের স্ত্রী রুবি বেগম বলেন, বাড়ির পুরুষেরা সবাই বাজারে গিয়েছেন। তবে তিনি বলেন, আমার স্বামীকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হচ্ছে।
এ ঘটনায় টাঙ্গাইল দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশাররফ হোসেন কে জানান, 'আমাদের কাছে এ ধরণের কোনো অভিযোগ আসেনি। আসলে অবশ্যই যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
