পড়াশুনা বার্তা::
কক্সবাজার জেলার ৫টি বেসরকারি কলেজকে সরকারি করার জন্য চূড়ান্ত করেছে সরকার। কলেজগুলো হলো, রামু ডিগ্রি কলেজ, কুতুবদিয়া কলেজ, চকরিয়া ডিগ্রি কলেজ, টেকনাফ ডিগ্রি কলেজ ও মহেশখালীর বঙ্গবন্ধু মহিলা কলেজ। ওই সব কলেজের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি সরকারের কাছে হস্তান্তরের জন্য নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।
গত ২০ এপ্রিল মন্ত্রণালয় এক আদেশে জরুরি ভিত্তিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সচিবের বরাবর রেজিস্ট্রি করা দানপত্র দলিল (ডিড অব গিফট) পাঠাতে নির্দেশ দেয়। সব ক'টি কলেজের অধ্যক্ষ, জেলা প্রশাসক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরকে (মাউশি) এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে এ ধরনের নির্দেশনা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো: আলী হোসেন।
সূত্রমতে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের শাখা-৯ (বেসরকারি কলেজ-১) এর সিনিয়র সহকারি সচিব নাছিমা খানম স্বাক্ষরিত ওই নিদের্শনায় বলা হয়েছে, বেসরকারি কলেজ সরকারিকরণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সংযুক্ত তালিকায় বর্ণিত কলেজ সমূহের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি সরকার (সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার) এর নিকট হস্তান্তর করে রেজিস্ট্রিকৃত দানপত্র দলিল জরুরী ভিত্তিতে প্রেরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
এর আগে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে এসব কলেজ সরকারি করতে সম্মতি দেওয়া হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রমতে, যেসব উপজেলায় সরকারি কলেজ নেই, সেগুলোতে একটি করে কলেজ সরকারি করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসব কলেজের আত্তীকৃত হওয়া শিক্ষকেরা আপাতত অন্য কলেজে বদলি হতে পারবেন না।
জেলার আট উপজেলায় বর্তমানে সরকারি কলেজ রয়েছে একটি। সেটি হলো, কক্সবাজার সরকারি কলেজ। জেলা সদরে অবস্থিত এই কলেজটি জেলার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হিসেবে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে। জেলার মেধাবী শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ এই কলেজে পড়াশোনা করে। নতুনগুলো সরকারি হলে জেলায় সরকারি কলেজের মোট সংখ্যা দাঁড়াবে ছয়টি। এ নিয়ে ছয় উপজেলায় ছয়টি কলেজ সরকারি হতে চলেছে। বাকি দুই উপজেলা যথাক্রমে পেকুয়া ও উখিয়া উপজেলায় কোন সরকারি কলেজ নেই।
কক্সবাজার সোসাইটির সভাপতি গিয়াস উদ্দিন বলেন, 'জেলার নতুন ৫টি বেসরকারি কলেজ সরকারিকরণের বিষয়টি সরকারের অত্যন্ত মহৎ একটি উদ্যোগ। এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। কলেজ পর্যায়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে এই উদ্যোগ বিশাল ভূমিকা রাখবে।'
তিনি বলেন, 'কলেজের পাশাপাশি কক্সবাজারে মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য জেলায় আরও কিছু মাধ্যমিক স্কুল সরকারি করা দরকার। এখনো জেলার বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী প্রবল আগ্রহ থাকা সত্বেও সরকারি মাধ্যমিক স্কুলে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে না।'
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশি সূত্র জানায়, এ নিয়ে সারা দেশের মোট ২৮৫টি বেসরকারি কলেজকে সরকারি করার জন্য চূড়ান্ত করেছে সরকার। বর্তমানে দেশে সরকারি কলেজ রয়েছে ৩২৭টি। নতুনগুলো হওয়ার পর মোট সংখ্যা দাঁড়াবে ৬১২টি।
গত ২০ এপ্রিল মন্ত্রণালয় এক আদেশে জরুরি ভিত্তিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সচিবের বরাবর রেজিস্ট্রি করা দানপত্র দলিল (ডিড অব গিফট) পাঠাতে নির্দেশ দেয়। সব ক'টি কলেজের অধ্যক্ষ, জেলা প্রশাসক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরকে (মাউশি) এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে এ ধরনের নির্দেশনা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো: আলী হোসেন।
সূত্রমতে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের শাখা-৯ (বেসরকারি কলেজ-১) এর সিনিয়র সহকারি সচিব নাছিমা খানম স্বাক্ষরিত ওই নিদের্শনায় বলা হয়েছে, বেসরকারি কলেজ সরকারিকরণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সংযুক্ত তালিকায় বর্ণিত কলেজ সমূহের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি সরকার (সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার) এর নিকট হস্তান্তর করে রেজিস্ট্রিকৃত দানপত্র দলিল জরুরী ভিত্তিতে প্রেরণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
এর আগে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে এসব কলেজ সরকারি করতে সম্মতি দেওয়া হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রমতে, যেসব উপজেলায় সরকারি কলেজ নেই, সেগুলোতে একটি করে কলেজ সরকারি করার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। এসব কলেজের আত্তীকৃত হওয়া শিক্ষকেরা আপাতত অন্য কলেজে বদলি হতে পারবেন না।
জেলার আট উপজেলায় বর্তমানে সরকারি কলেজ রয়েছে একটি। সেটি হলো, কক্সবাজার সরকারি কলেজ। জেলা সদরে অবস্থিত এই কলেজটি জেলার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ হিসেবে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে। জেলার মেধাবী শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ এই কলেজে পড়াশোনা করে। নতুনগুলো সরকারি হলে জেলায় সরকারি কলেজের মোট সংখ্যা দাঁড়াবে ছয়টি। এ নিয়ে ছয় উপজেলায় ছয়টি কলেজ সরকারি হতে চলেছে। বাকি দুই উপজেলা যথাক্রমে পেকুয়া ও উখিয়া উপজেলায় কোন সরকারি কলেজ নেই।
কক্সবাজার সোসাইটির সভাপতি গিয়াস উদ্দিন বলেন, 'জেলার নতুন ৫টি বেসরকারি কলেজ সরকারিকরণের বিষয়টি সরকারের অত্যন্ত মহৎ একটি উদ্যোগ। এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই। কলেজ পর্যায়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে এই উদ্যোগ বিশাল ভূমিকা রাখবে।'
তিনি বলেন, 'কলেজের পাশাপাশি কক্সবাজারে মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য জেলায় আরও কিছু মাধ্যমিক স্কুল সরকারি করা দরকার। এখনো জেলার বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী প্রবল আগ্রহ থাকা সত্বেও সরকারি মাধ্যমিক স্কুলে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে না।'
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশি সূত্র জানায়, এ নিয়ে সারা দেশের মোট ২৮৫টি বেসরকারি কলেজকে সরকারি করার জন্য চূড়ান্ত করেছে সরকার। বর্তমানে দেশে সরকারি কলেজ রয়েছে ৩২৭টি। নতুনগুলো হওয়ার পর মোট সংখ্যা দাঁড়াবে ৬১২টি।