তামিরুল ইসলাম মিল্লাত::
অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদন ।।
২৪ ঘণ্টাই যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী যানবাহনে ব্যস্ত থাকে চকরিয়া-কক্সবাজার মহা-সড়কটি।
সড়কের খুটাখালি ইউনিয়ন অধিনস্থ কচ্ছপিয়া এলাকায় বালির ব্যবসা এখন রমরমা। ব্যবসায়ীরা তাদের বালি রেখে মূল সড়কের স্থান দখল করে নিয়েছে।
সড়কের উপর ট্রাক, ট্রাক্টর, পিকআপ ভ্যান ও ট্রলি রেখে বালি উঠানোর ফলে বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহন অপর দিকের যানবাহনগুলো দেখতে না পেয়ে মুখোমুখি হয়ে পড়ে। প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হতে হয় যানবাহনকে।
এ স্থানে তীব্র যানজট লেগে যায়। যে কোনো সময় এ স্থানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে অঙ্গহানিসহ প্রাণহানির আশঙ্কা করা যাচ্ছে। যানজটের কারণে লোকজন ও স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা সময়মতো নির্দিষ্ট গন্তব্যে যেতে পারছে না।সড়কের পাশে বিশালাকারে স্তূপীকৃত বালি উড়ে পথচারী ও যানবাহনের চালক এবং যাত্রীদের চোখে গিয়ে পড়ে।
অপরাপর যানবাহনের চালকদের চোখে উড়ন্ত বালি পড়ায় তাদেরকে গাড়ির স্টার্ট বন্ধ করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
একটি সূত্র জানায়,কচ্ছপিয়া এলাকার বালি ব্যবসায়ীরা সড়ক ও সরকারি সম্পত্তি দখল করে রমরমা ব্যবসা করে গেলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও কর্তৃপক্ষ কেউ কিছু বলছে না। এরা প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারছে না।
এমনকি খুটাখালি ইউনিয়ন পরিষদের বিপরীত দিকে বয়ে যাওয়া সড়কটি কেটে সমান করে সেখানে বালু উঠিয়ে রাখছে। বালির সাথে ওঠা পানি গড়িয়ে পড়ে সড়কের অপর পাশে যাচ্ছে। আর এ সকল পানির উপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করার সময় পানির ছিটা গিয়ে মানুষজনের গায়ের জামা কাপড় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এমনকি পানি গড়িয়ে গিয়ে সড়ক ভেঙ্গে দেবে যাচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার কজন সচেতন ব্যক্তি ও পথচারী জানান, অনেক সময় গাড়িতে বালি ভর্তি করার সময় মূল সড়কের উপরে গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখা হয় এবং বালি ভর্তিকৃত গাড়িগুলো সড়ক দখল করে দাঁড় করে রেখে গাড়ির স্টাফরা বালি ব্যবসায়ীদের সাথে বসে গল্পগুজব করতে থাকে। অনেকে চায়ের দোকানে বসে খোশগল্প করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিএনজি স্কুটার চালক জানান, বালি ব্যবসায়ীদের গাড়ি সড়কে দাঁড় করিয়ে বালি ভর্তি করার সময় প্রায়শই যানবাহনের যানজট লেগে যায়। এখানের কিছু উচ্ছৃঙ্খল শ্রমিক গাড়িতে থাকা নারীদেরকে দেখে উত্ত্যক্ত করে। এমনিভাবে চলতে থাকলে এ স্থানে নানা দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
একটি সূত্র জানায়, প্রভাবশালী একটি মহলের মদদে এরা মাহাসড়কও তাদের দখলে নিয়ে বালি উঠিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিহিত ব্যবস্থা নেয়া একান্ত জরুরি বলে মনে করেন স্থানীয়রা।
সড়কের খুটাখালি ইউনিয়ন অধিনস্থ কচ্ছপিয়া এলাকায় বালির ব্যবসা এখন রমরমা। ব্যবসায়ীরা তাদের বালি রেখে মূল সড়কের স্থান দখল করে নিয়েছে।
সড়কের উপর ট্রাক, ট্রাক্টর, পিকআপ ভ্যান ও ট্রলি রেখে বালি উঠানোর ফলে বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহন অপর দিকের যানবাহনগুলো দেখতে না পেয়ে মুখোমুখি হয়ে পড়ে। প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হতে হয় যানবাহনকে।
এ স্থানে তীব্র যানজট লেগে যায়। যে কোনো সময় এ স্থানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে অঙ্গহানিসহ প্রাণহানির আশঙ্কা করা যাচ্ছে। যানজটের কারণে লোকজন ও স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা সময়মতো নির্দিষ্ট গন্তব্যে যেতে পারছে না।সড়কের পাশে বিশালাকারে স্তূপীকৃত বালি উড়ে পথচারী ও যানবাহনের চালক এবং যাত্রীদের চোখে গিয়ে পড়ে।
অপরাপর যানবাহনের চালকদের চোখে উড়ন্ত বালি পড়ায় তাদেরকে গাড়ির স্টার্ট বন্ধ করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
একটি সূত্র জানায়,কচ্ছপিয়া এলাকার বালি ব্যবসায়ীরা সড়ক ও সরকারি সম্পত্তি দখল করে রমরমা ব্যবসা করে গেলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও কর্তৃপক্ষ কেউ কিছু বলছে না। এরা প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারছে না।
এমনকি খুটাখালি ইউনিয়ন পরিষদের বিপরীত দিকে বয়ে যাওয়া সড়কটি কেটে সমান করে সেখানে বালু উঠিয়ে রাখছে। বালির সাথে ওঠা পানি গড়িয়ে পড়ে সড়কের অপর পাশে যাচ্ছে। আর এ সকল পানির উপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করার সময় পানির ছিটা গিয়ে মানুষজনের গায়ের জামা কাপড় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এমনকি পানি গড়িয়ে গিয়ে সড়ক ভেঙ্গে দেবে যাচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার কজন সচেতন ব্যক্তি ও পথচারী জানান, অনেক সময় গাড়িতে বালি ভর্তি করার সময় মূল সড়কের উপরে গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখা হয় এবং বালি ভর্তিকৃত গাড়িগুলো সড়ক দখল করে দাঁড় করে রেখে গাড়ির স্টাফরা বালি ব্যবসায়ীদের সাথে বসে গল্পগুজব করতে থাকে। অনেকে চায়ের দোকানে বসে খোশগল্প করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিএনজি স্কুটার চালক জানান, বালি ব্যবসায়ীদের গাড়ি সড়কে দাঁড় করিয়ে বালি ভর্তি করার সময় প্রায়শই যানবাহনের যানজট লেগে যায়। এখানের কিছু উচ্ছৃঙ্খল শ্রমিক গাড়িতে থাকা নারীদেরকে দেখে উত্ত্যক্ত করে। এমনিভাবে চলতে থাকলে এ স্থানে নানা দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
একটি সূত্র জানায়, প্রভাবশালী একটি মহলের মদদে এরা মাহাসড়কও তাদের দখলে নিয়ে বালি উঠিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বিহিত ব্যবস্থা নেয়া একান্ত জরুরি বলে মনে করেন স্থানীয়রা।


