দেশ বার্তা::
ষষ্ঠ শ্রেণির স্কুলছাত্র আকরাম হতদরিদ্র। বই কেনার টাকা ছিল না তার। এ জন্য সে সাত দিনের চুক্তিভিত্তিক কাজ নেয় একটি হোটেলে। চুক্তি শেষে বই কিনতে হোটেল মালিকের কাছে মজুরি চায় আকরাম। এ অপরাধে তাকে পিটিয়ে এবং গলায় রশি পেচিয়ে নৃশংসভাবে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে হোটেল মালিক সোলেমান আলী সোলে ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে।
শনিবার ভোরে জেলার বদরগঞ্জের শেখেরহাটে এ ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশ অভিযুক্ত সোলেকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
পুলিশ ও স্বজনরা জানায়, পাশের উপজেলা তারাগঞ্জের চিলাপাক হাইস্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল। তার বাবা আশরাফ আলী। হতদরিদ্র বাবা-মা লেখাপড়ার খরচ জোগান দিতে না পারছিলেন না। ফলে বাধ্য হয়ে শিশু আকরাম গাইড বই কিনতে বদরগঞ্জ উপজেলার শেখেরহাটে সোলেমান আলী ওরফে সলের হোটেলে সাত দিনের জন্য কাজ নেয়। শুক্রবার সাত দিন পূর্ণ হওয়ায় তার মজুরি প্রতিদিন ১৩০ টাকা হিসেবে এক হাজার ২০ টাকা দাবি করে। সে টাকা নিয়ে বাড়িতে চলে যাবে বলে জানালে হোটেল মালিক শিশু আকরামকে টাকা পরে দেবে বলে জানান। এতে আকরাম প্রতিবাদ করলে ভোরে নিষ্ঠুরভাবে তাকে মারধর করা হয়। এক পর্যায়ে তার গলায় রশি দিয়ে শ্বাসরোধ করে নৃশংসভাবে হত্যা করে তারা। খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন হোটেলে এসে শিশু আকরামকে হোটেলের ভেতরে গলায় রশি দেয়া শোয়ানো অবস্থায় দেখতে পায়। তারা থানায় খবর শিশু আকরামের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
আকরামের মা রেজিয়া বেগম জানান, আমার ছেলে মেধাবী। ওর বাবা দিনমুজর। বই কেনার জন্য টাকা চেয়েও পায়নি। তাই সে অভিমান করে বদরগঞ্জ এসে হোটেলে চাকরি নেয় সাত দিনের জন্য। কিন্তু ওরা আমার ছেলেকে মেরে ফেলল। আমি আমার ছেলেকে ফেরত চাই।
এ ব্যাপারে ঘটনাস্থলে বদরগঞ্জ থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কথা বলবেন না বলে জানান।
শনিবার ভোরে জেলার বদরগঞ্জের শেখেরহাটে এ ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশ অভিযুক্ত সোলেকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
পুলিশ ও স্বজনরা জানায়, পাশের উপজেলা তারাগঞ্জের চিলাপাক হাইস্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল। তার বাবা আশরাফ আলী। হতদরিদ্র বাবা-মা লেখাপড়ার খরচ জোগান দিতে না পারছিলেন না। ফলে বাধ্য হয়ে শিশু আকরাম গাইড বই কিনতে বদরগঞ্জ উপজেলার শেখেরহাটে সোলেমান আলী ওরফে সলের হোটেলে সাত দিনের জন্য কাজ নেয়। শুক্রবার সাত দিন পূর্ণ হওয়ায় তার মজুরি প্রতিদিন ১৩০ টাকা হিসেবে এক হাজার ২০ টাকা দাবি করে। সে টাকা নিয়ে বাড়িতে চলে যাবে বলে জানালে হোটেল মালিক শিশু আকরামকে টাকা পরে দেবে বলে জানান। এতে আকরাম প্রতিবাদ করলে ভোরে নিষ্ঠুরভাবে তাকে মারধর করা হয়। এক পর্যায়ে তার গলায় রশি দিয়ে শ্বাসরোধ করে নৃশংসভাবে হত্যা করে তারা। খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন হোটেলে এসে শিশু আকরামকে হোটেলের ভেতরে গলায় রশি দেয়া শোয়ানো অবস্থায় দেখতে পায়। তারা থানায় খবর শিশু আকরামের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
আকরামের মা রেজিয়া বেগম জানান, আমার ছেলে মেধাবী। ওর বাবা দিনমুজর। বই কেনার জন্য টাকা চেয়েও পায়নি। তাই সে অভিমান করে বদরগঞ্জ এসে হোটেলে চাকরি নেয় সাত দিনের জন্য। কিন্তু ওরা আমার ছেলেকে মেরে ফেলল। আমি আমার ছেলেকে ফেরত চাই।
এ ব্যাপারে ঘটনাস্থলে বদরগঞ্জ থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কথা বলবেন না বলে জানান।
