বিদেশ বার্তা::
আত্মঘাতি বোমার বিস্ফোরণ আর গুলিতে কেঁপে উঠেছে আফগানিস্তানের সবচেয়ে বড় সামরিক হাসপাতাল। হামলায় ৩০জন নিহত ও ৬৬ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
বুধবার কাবুলের কূটনৈতিক এলাকা ওয়াজির আকবর খান-এর সরদার মোহাম্মাদ দাউদখান হাসপাতালে এ হামলা হয়। আইএস এ হামলার দায় স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে সাইট ইন্টিলিজেন্টস গ্রুপ। খবর দ্যা নিউয়র্ক টাইমস, এএফপি, বিবিসি।
কাবুলের মার্কিন দূতাবাসসংলগ্ন ওই হাসপাতাল ভবনে ঢুকেই হামলাকারীরা নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে রোগী ও হাসপাতালের কর্মীদের এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। পরে হাসপাতালের ছাদ থেকে কমান্ডো হামলায় চার বন্দুকধারীর নিহত হয়েছে বলে আফগান কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে।
দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেজর জেনারেল দাওলাত ওয়াজিরি জানান, জঙ্গিরা চিকিৎসকের ছদ্মবেশে এ হামলা চালায়। এক আত্মঘাতি হামলাকারী প্রথমে হাসপাতালের গেইটে বিস্ফোরণ ঘটান। পরে করে কয়েকজন জঙ্গি গুলি করতে করতে হাসপাতালের ভেতর ঢুকে পরে। তাদের সংখ্যা তিন থেকে চারজন হতে পারে। তারা হাসপাতালের ওপরের তলাগুলোতে অবস্থান নেয়। সেখানে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েকটি ইউনিট পাঠানো হলে তাদের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়।
প্রথমে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল কাওয়োসি জানিয়েছিলেন, মোট কতজন মারা গেছে ও হতাহত হয়েছে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে, পার্শ্ববর্তী বেসামরিক হাসপাতালে তিন জনের মরদেহ ও ৬৬ জন আহত ব্যক্তিকে নেয়া হয়েছে। পরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩০ জনে দাঁড়ায়।
কাবুলে এক সপ্তাহ আগে দুটি নিরাপত্তা কম্পাউন্ডে তালেবানের আত্মঘাতী হামলায় ১৬ জন নিহত হয়।
বুধবার কাবুলের কূটনৈতিক এলাকা ওয়াজির আকবর খান-এর সরদার মোহাম্মাদ দাউদখান হাসপাতালে এ হামলা হয়। আইএস এ হামলার দায় স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে সাইট ইন্টিলিজেন্টস গ্রুপ। খবর দ্যা নিউয়র্ক টাইমস, এএফপি, বিবিসি।
কাবুলের মার্কিন দূতাবাসসংলগ্ন ওই হাসপাতাল ভবনে ঢুকেই হামলাকারীরা নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে রোগী ও হাসপাতালের কর্মীদের এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। পরে হাসপাতালের ছাদ থেকে কমান্ডো হামলায় চার বন্দুকধারীর নিহত হয়েছে বলে আফগান কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে।
দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেজর জেনারেল দাওলাত ওয়াজিরি জানান, জঙ্গিরা চিকিৎসকের ছদ্মবেশে এ হামলা চালায়। এক আত্মঘাতি হামলাকারী প্রথমে হাসপাতালের গেইটে বিস্ফোরণ ঘটান। পরে করে কয়েকজন জঙ্গি গুলি করতে করতে হাসপাতালের ভেতর ঢুকে পরে। তাদের সংখ্যা তিন থেকে চারজন হতে পারে। তারা হাসপাতালের ওপরের তলাগুলোতে অবস্থান নেয়। সেখানে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর কয়েকটি ইউনিট পাঠানো হলে তাদের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়।
প্রথমে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল কাওয়োসি জানিয়েছিলেন, মোট কতজন মারা গেছে ও হতাহত হয়েছে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে, পার্শ্ববর্তী বেসামরিক হাসপাতালে তিন জনের মরদেহ ও ৬৬ জন আহত ব্যক্তিকে নেয়া হয়েছে। পরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩০ জনে দাঁড়ায়।
কাবুলে এক সপ্তাহ আগে দুটি নিরাপত্তা কম্পাউন্ডে তালেবানের আত্মঘাতী হামলায় ১৬ জন নিহত হয়।
