আমার ক্যাম্পাস
::
৫০তম সমাবর্তন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফেসবুক পেজে দেয়া একটি শুভেচ্ছাবার্তা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। শুভেচ্ছাবার্তায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আগে ড. ইউনূসের নাম দেয়ায় এই বিতর্কের সৃষ্টি হয়। পরে তিনবার সংশোধনের পর ইউনূসের নাম সেখান থেকে সরিয়ে ফেলা হয়।
শুভেচ্ছার এই গড়বড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সমালোচনাও করেছেন অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৯ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে একটি শুভেচ্ছা বার্তা দেয়া হয়। শুভেচ্ছা বার্তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস তুলে ধরে বলা হয়, 'আমরা গর্বিত হয়েছি স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অমর্ত্য সেনের মত বুদ্ধিজীবীদের সম্মানসূচক ডক্টরেটে ভূষিত করতে পেরে। গর্বিত হয়েছি ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সত্যেন বসু, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো ছাত্রদের ধারণ করতে পেরে।'
মূলত দ্বিতীয় লাইনে বঙ্গবন্ধুর আগে ড. ইউনূসকে নাম দেয়া নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়কের নাম ড. ইউনুসের নামের পরে কিভাবে বসে এ নিয়ে নানা মন্তব্য করে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। বঙ্গবন্ধুকে অসম্মান করতে পরিকল্পিতভাবে এই কাজ করা হয়েছে বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন।
ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ব্যাপক সমালোচনার মুখে তিনবার সংশোধনের পর শুভেচ্ছা বার্তাটি থেকে ইউনুসের নাম সরিয়ে ফেলা হয়। সংশোধের পর ড. ইউনূসের স্থানে কবি শামসুর রহমানের নাম সংযোজন করা হয়।
গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মরণিকায় জিয়াউর রহমানকে 'প্রথম রাষ্ট্রপতি' লেখায় সমালোচনার ঝড় ওঠে। এবার বঙ্গবন্ধুর আগে ড. ইউনুসের নাম লেখায় নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিল।
একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লেখেন- 'পেজটা মনে হয় জামাতিরা চালায়। এখুনি খুঁজে বের করা উচিত।'
অন্য একজন লেখেন, 'কে চালায় এই পেজ আগে উনার পরিচয় জানতে হবে। আরেকজন লিখেছেন, 'তিনবার এডিট এবং ড. ইউনুস হাওয়া?'
শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সমাবর্তন অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। এতে বক্তব্য দেবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সমাবর্তন প্রধান বক্তা থাকবেন কানাডার অন্টারিও ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অমিত চাকমা।
শুভেচ্ছার এই গড়বড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সমালোচনাও করেছেন অনেক ফেসবুক ব্যবহারকারী।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৯ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে একটি শুভেচ্ছা বার্তা দেয়া হয়। শুভেচ্ছা বার্তায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস তুলে ধরে বলা হয়, 'আমরা গর্বিত হয়েছি স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অমর্ত্য সেনের মত বুদ্ধিজীবীদের সম্মানসূচক ডক্টরেটে ভূষিত করতে পেরে। গর্বিত হয়েছি ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সত্যেন বসু, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো ছাত্রদের ধারণ করতে পেরে।'
মূলত দ্বিতীয় লাইনে বঙ্গবন্ধুর আগে ড. ইউনূসকে নাম দেয়া নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়কের নাম ড. ইউনুসের নামের পরে কিভাবে বসে এ নিয়ে নানা মন্তব্য করে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা। বঙ্গবন্ধুকে অসম্মান করতে পরিকল্পিতভাবে এই কাজ করা হয়েছে বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন।
ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ব্যাপক সমালোচনার মুখে তিনবার সংশোধনের পর শুভেচ্ছা বার্তাটি থেকে ইউনুসের নাম সরিয়ে ফেলা হয়। সংশোধের পর ড. ইউনূসের স্থানে কবি শামসুর রহমানের নাম সংযোজন করা হয়।
গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মরণিকায় জিয়াউর রহমানকে 'প্রথম রাষ্ট্রপতি' লেখায় সমালোচনার ঝড় ওঠে। এবার বঙ্গবন্ধুর আগে ড. ইউনুসের নাম লেখায় নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিল।
একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লেখেন- 'পেজটা মনে হয় জামাতিরা চালায়। এখুনি খুঁজে বের করা উচিত।'
অন্য একজন লেখেন, 'কে চালায় এই পেজ আগে উনার পরিচয় জানতে হবে। আরেকজন লিখেছেন, 'তিনবার এডিট এবং ড. ইউনুস হাওয়া?'
শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সমাবর্তন অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। এতে বক্তব্য দেবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সমাবর্তন প্রধান বক্তা থাকবেন কানাডার অন্টারিও ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অমিত চাকমা।

