গাবতলীতে পরিবহন শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে শাহ আলম নামে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। সকালে গাবতলী এলাকায় সংঘর্ষ চলাকালে গুলিতে তিনি নিহত হন।
নিহত শাহ আলম বৈশাখী পরিবহনের চালক। সকালে গুলিতে আহত হওয়ার পর তাকে স্থানীয় সেলিনা আক্তার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মঞ্জুরুল হক বলেন, 'এখানে যখন তাকে (শাহ আলম) নিয়ে আসা হয় হয় আমরা তার পালস পাইনি। আমারা তো মৃত ঘোষণা করতে পারি না। তাই সোহরাওয়াদী হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলি।'
পরে অন্য শ্রমিকরা শাহ আলমের লাশ সোহরাওয়ার্দীতে না নিয়ে গাবতলী নিয়ে যায়। পুলিশ সেখান থেকে মৃতদেহটি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতারে পাঠিয়ে দেয়।
এ বিষয়ে দারুস সালাম থানার ওসি সেলিম উজ্জামান জানিয়েছেন, লাশটি ঢামেক হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
নিহত শাহ আলমের বাড়ি রাজবাড়িতে।
নিহত শাহ আলম বৈশাখী পরিবহনের চালক। সকালে গুলিতে আহত হওয়ার পর তাকে স্থানীয় সেলিনা আক্তার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মঞ্জুরুল হক বলেন, 'এখানে যখন তাকে (শাহ আলম) নিয়ে আসা হয় হয় আমরা তার পালস পাইনি। আমারা তো মৃত ঘোষণা করতে পারি না। তাই সোহরাওয়াদী হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলি।'
পরে অন্য শ্রমিকরা শাহ আলমের লাশ সোহরাওয়ার্দীতে না নিয়ে গাবতলী নিয়ে যায়। পুলিশ সেখান থেকে মৃতদেহটি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতারে পাঠিয়ে দেয়।
এ বিষয়ে দারুস সালাম থানার ওসি সেলিম উজ্জামান জানিয়েছেন, লাশটি ঢামেক হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
নিহত শাহ আলমের বাড়ি রাজবাড়িতে।
