স্পোর্টস বার্তা::
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল প্রথম ম্যাচ খেলে ১৯৮৬ সালে। পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই ম্যাচে সাত উইকেটে হেরে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সাদা পোশাকের ক্রিকেটে বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচ খেলে ২০০০ সালের নভেম্বরে। ভারতের বিপক্ষে সেই ম্যাচটিতে নয় উইকেটে হেরে গিয়েছিল টাইগাররা।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ দল বিশ্ব দরবারে নিজেদের নতুনভাবে মেলে ধরেছে। বর্তমানে বিশ্বের যেকোনও দলের সঙ্গে লড়াই করতে পারে টাইগাররা। ক্রিকেটে বাংলাদেশের এই উন্নতির পেছনে মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের বড় অবদান রয়েছে। গত এক দশক বা তার বেশি সময় ধরে তারা বাংলাদেশ দলকে প্রতিনিধিত্ব করছেন।
আগামীকাল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল নিজেদের ১০০তম টেস্ট ম্যাচ খেলতে নামছে। এই ম্যাচ সামনে রেখে টাইগার ওপেনার তামিম ইকবাল বলেছেন, যারাই বাংলাদেশের পক্ষে খেলেছে তারাই তাদের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করেছে। অনেকেই আবার সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা পায়নি। কিন্তু তারা নিজেদের মেধা দিয়ে ভালো করার চেষ্টা করেছে। দলে অনেক তরুণ খেলোয়াড় এসেছে। যেমন আমি, সাকিব ও মুশি (মুশফিক)। আমরা কোচ ও নির্বাচকদের থেকে অনেক সুবিধা পেয়েছি। আমরা তিনজনই গত দশ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছি।
তিনি আরও বলেন, এখনই সময় সব সিনিয়র খেলোয়াড়ের পুনরায় এক হওয়া ও দলকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। বিশেষ করে টেস্ট ক্রিকেটে। ওয়ানডে ক্রিকেটে আমরা উন্নতি করেছি। টি-টোয়েন্টিতেও আমরা ভালো করছি।
তামিম বলেন, আমি যখন ক্রিকেট খেলা শুরু করেছি সবসময়ই বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে চেয়েছি। সেটি করতে পারায় আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি। নিজেকে ও দলকে নিয়ে আমার অনেক স্বপ্ন আছে। আমরা খুব গুরুত্বপূর্ণ অবস্থায় আছি। আমরা হামাগুড়ি দিয়েছি, হেঁটেছি। আমাদের সময় এখন দৌড়ানোর।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ দল বিশ্ব দরবারে নিজেদের নতুনভাবে মেলে ধরেছে। বর্তমানে বিশ্বের যেকোনও দলের সঙ্গে লড়াই করতে পারে টাইগাররা। ক্রিকেটে বাংলাদেশের এই উন্নতির পেছনে মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের বড় অবদান রয়েছে। গত এক দশক বা তার বেশি সময় ধরে তারা বাংলাদেশ দলকে প্রতিনিধিত্ব করছেন।
আগামীকাল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল নিজেদের ১০০তম টেস্ট ম্যাচ খেলতে নামছে। এই ম্যাচ সামনে রেখে টাইগার ওপেনার তামিম ইকবাল বলেছেন, যারাই বাংলাদেশের পক্ষে খেলেছে তারাই তাদের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করেছে। অনেকেই আবার সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা পায়নি। কিন্তু তারা নিজেদের মেধা দিয়ে ভালো করার চেষ্টা করেছে। দলে অনেক তরুণ খেলোয়াড় এসেছে। যেমন আমি, সাকিব ও মুশি (মুশফিক)। আমরা কোচ ও নির্বাচকদের থেকে অনেক সুবিধা পেয়েছি। আমরা তিনজনই গত দশ বছর ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছি।
তিনি আরও বলেন, এখনই সময় সব সিনিয়র খেলোয়াড়ের পুনরায় এক হওয়া ও দলকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। বিশেষ করে টেস্ট ক্রিকেটে। ওয়ানডে ক্রিকেটে আমরা উন্নতি করেছি। টি-টোয়েন্টিতেও আমরা ভালো করছি।
তামিম বলেন, আমি যখন ক্রিকেট খেলা শুরু করেছি সবসময়ই বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে চেয়েছি। সেটি করতে পারায় আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি। নিজেকে ও দলকে নিয়ে আমার অনেক স্বপ্ন আছে। আমরা খুব গুরুত্বপূর্ণ অবস্থায় আছি। আমরা হামাগুড়ি দিয়েছি, হেঁটেছি। আমাদের সময় এখন দৌড়ানোর।
