কক্সবার্তা ডেস্ক :
চট্রগ্রামের লোহাগাড়া থানার চরম্বা ইউনিয়নের নোয়ারবিল রাজঘাটার আবদুল দ্দাইয়ান প্রকাশ দয়া ও শাহিনা আকতারের মেয়ে আকলিমা আকতার (মিশু) এর সাথে একই ইউনিয়নের মাইজ বিলা গ্রামের আবদুর রহমান ও সিরাজ খাতুনের ছেলে ডাঃ জনু মিয়া এর সহিত ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক পারিবারিক ভাবে দশ লক্ষ টাকা কাবিননামা মুলে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের তিন মাস পর স্বামী ডাঃ জনু মিয়া জানতে পারে আকলিমা আকতার (মিশু) এর সাথে দীর্ঘ যাবত অপর একটি ছেলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক আছে। তাই গত ৭ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে মিশু স্বেচ্ছায়, স্বঞ্জানে তাহার স্বামী ডাঃ জনু মিয়া কে নোটারীর মাধ্যমে তালাক দেয়। তালাকের পর মিশুর পুরানো প্রেমিক চট্রগ্রামের ভূজপুর থানার হারুয়াল ছড়ি গ্রামের পুলিন শীল ও সবিতা শীলের ছেলে মিঠুন শীলের সাথে ২য় বিয়ে করেন।
এ দিকে মিশু র ,বাবা বাদি হয়ে জনু মিয়া ও পরিবারের সকল সদস্যদের বিরুদ্ধে নারীও নির্যাতন আদালতে ( ১১)(গ) ধারায় মিথ্যা মামলা দায়ের করেন।
অন্যদিকে সাবেক স্বামী জনু মিয়া মিশু কে অপহরণ করছে বলে মিশুর মা শাহিন আকতার বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে, মিথ্যা অপহণ মামলা দায়ের করেন।
মিথ্যা মামলায় সাবেক স্বামী ও তার পরিবারের সবাই বিনা অপরাধে বর্তমানে কারাগারে আটক আছেন।
বিষয়টি নিয়ে সচেতন মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। গত কাল ২৯ মার্চ ২০১৭ লোহাগাড়া থানার এস এই লিটনের নেতৃত্বে রাত ১১ টার দিকে চট্টগ্রাম বায়োজিদ বোসতামী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভিকটিম (মিশু)ও তার বর্তমান স্বামীকে গ্রেফতার করে।
বর্তমানে লোহাগাড়া থানার জেল হাজতে আছেন। মিশুর সাথে কথা বলে জানা গেছে, তাকে কেউ অপহরণ করেনি তিনি স্বেচ্ছায় বাড়ির থেকে পালিয়ে গিয়ে পুরানো প্রেমিকের সাথে ২য় বিয়ে করেন। ২য় স্বামীকে নিয়ে সুখের সংসারে আছেন। মিশুর আর ও জানান তার ২য় বিবাহ এর কথা পরিবারের সবাই জানেন। মিশুর কাছ থেকে চাইলে বলেন ১ম স্বামীর বিরুদ্ধে কেন অপহরণ মামলা করা হয়েছে, সে বলেছে আমার মা কেন মিথ্যা মামলা করেছে আমি কিছুই জানিনা।mka