দেশ বার্তা::
কক্সবার্তা ডট কম।।
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য ডা. কর্নেল (অব.) আবদুল কাদের খাঁন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
লিটন হত্যা মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড চলাকালে শনিবার চতুর্থ দিন বেলা আড়াইটায় তাকে জবানবন্দি দেয়ার জন্য গাইবান্ধার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়। আদালতের বিচারক মো. জয়নুল আবেদিন তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত তার জবানবন্দি গ্রহণ অব্যাহত ছিল।
সূত্রে জানা গেছে, আদালতে তোলার পর থেকে জবানবন্দি দেয়া শুরু করেন কাদের খান। তাকে এসময় বিমর্ষ দেখা যাচ্ছিল।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তুলে হেলমেট এবং বুলেট প্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে কাদের খানকে পুলিশ সুপার অফিস থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
আদালত চত্বরে এবং পুলিশ সুপার অফিসে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনি গড়ে তোলা হয়। জজ কোর্ট ভবনের সমস্ত গেট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কোনো সাংবাদিককে সেখানে ঢুকতে দেয়া হয়নি। এমনকি পুলিশ সুপার অফিসেও কাউকে যেতে দেয়া হয়নি। ফলে জবানবন্দি সংক্রান্ত কোনো তথ্যই জানা সম্ভব হয়নি।
গেল বছরের শেষ দিন সন্ধ্যায় উপজেলাটির সর্বানন্দ ইউনিয়নের দক্ষিণ সাহাবাজ মাস্টার পাড়ার নিজ বাসভবনে আততায়ীদের গুলিতে আহত হন এমপি লিটন। এরপর রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এমপি লিটনকে মৃত ঘোষণা করেন। সে সময় আলামত হিসেবে ডাক্তারদের রক্ষিত গুলি ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে হত্যার মোটিভ উদঘাটনে প্রশাসনের তৎপতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।
লিটন হত্যা মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড চলাকালে শনিবার চতুর্থ দিন বেলা আড়াইটায় তাকে জবানবন্দি দেয়ার জন্য গাইবান্ধার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হয়। আদালতের বিচারক মো. জয়নুল আবেদিন তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত তার জবানবন্দি গ্রহণ অব্যাহত ছিল।
সূত্রে জানা গেছে, আদালতে তোলার পর থেকে জবানবন্দি দেয়া শুরু করেন কাদের খান। তাকে এসময় বিমর্ষ দেখা যাচ্ছিল।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তুলে হেলমেট এবং বুলেট প্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে কাদের খানকে পুলিশ সুপার অফিস থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
আদালত চত্বরে এবং পুলিশ সুপার অফিসে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনি গড়ে তোলা হয়। জজ কোর্ট ভবনের সমস্ত গেট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কোনো সাংবাদিককে সেখানে ঢুকতে দেয়া হয়নি। এমনকি পুলিশ সুপার অফিসেও কাউকে যেতে দেয়া হয়নি। ফলে জবানবন্দি সংক্রান্ত কোনো তথ্যই জানা সম্ভব হয়নি।
গেল বছরের শেষ দিন সন্ধ্যায় উপজেলাটির সর্বানন্দ ইউনিয়নের দক্ষিণ সাহাবাজ মাস্টার পাড়ার নিজ বাসভবনে আততায়ীদের গুলিতে আহত হন এমপি লিটন। এরপর রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এমপি লিটনকে মৃত ঘোষণা করেন। সে সময় আলামত হিসেবে ডাক্তারদের রক্ষিত গুলি ও মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে হত্যার মোটিভ উদঘাটনে প্রশাসনের তৎপতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।
