দেশ বার্তা::
কক্সবার্তা ডট কম।।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে চট্টগ্রাম কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে ফুল দিতে গিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড নামে একটি সংগঠনের কর্মীরা। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। ওই সময় শহীদ মিনার এলাকায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুলিশ বলছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর শহীদ বেদিতে আসা সকলেই শান্তিপূর্ণভাবে ফুল দিতে পেরেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১২টা ১ মিনিটে চট্টগ্রাম কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে ফুল দেন জেলা প্রশাসক সামশুল আরেফিন ও সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। এরপর লাইনে থাকা বিভিন্ন সংগঠনকে ডিঙ্গিয়ে হুড়োহুড়ি করে শহীদ বেদিতে উঠে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের কর্মীরা। এ সময় নিজেদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির পর তারা মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১০-১৫ মিনিট মারামারি চলার পর তাদের থামানো চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও আয়োজকরা। সেখান থেকে জোর করে নামিয়ে দেওয়ার পর নিচে নেমে তারা আবারও মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাওয়া হয় চট্টগ্রাম মহানগর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসিম উদ্দিনের কাছে। ঢাকাটাইমসকে তিনি বলেন, 'কার আগে কে ফুল দিবে তা নিয়ে হুড়োহুড়ির পর মারামারিতে জড়িয়ে পড়েছিল তারা। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। সব সংগঠন শহীদ মিনারে শান্তিপূর্ণ ফুল দিয়েছে।'
সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। ওই সময় শহীদ মিনার এলাকায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুলিশ বলছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর শহীদ বেদিতে আসা সকলেই শান্তিপূর্ণভাবে ফুল দিতে পেরেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১২টা ১ মিনিটে চট্টগ্রাম কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে ফুল দেন জেলা প্রশাসক সামশুল আরেফিন ও সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। এরপর লাইনে থাকা বিভিন্ন সংগঠনকে ডিঙ্গিয়ে হুড়োহুড়ি করে শহীদ বেদিতে উঠে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের কর্মীরা। এ সময় নিজেদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির পর তারা মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১০-১৫ মিনিট মারামারি চলার পর তাদের থামানো চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও আয়োজকরা। সেখান থেকে জোর করে নামিয়ে দেওয়ার পর নিচে নেমে তারা আবারও মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাওয়া হয় চট্টগ্রাম মহানগর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসিম উদ্দিনের কাছে। ঢাকাটাইমসকে তিনি বলেন, 'কার আগে কে ফুল দিবে তা নিয়ে হুড়োহুড়ির পর মারামারিতে জড়িয়ে পড়েছিল তারা। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। সব সংগঠন শহীদ মিনারে শান্তিপূর্ণ ফুল দিয়েছে।'
