দেশ বার্তা:
বাংলাদেশে ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেল স্টার জলসা, স্টার প্লাস ও জি বাংলা বন্ধে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয়েছে। রবিবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি চলছে।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানির জন্য উপস্থিত আছেন রিটকারী আইনজীবী মো. একলাছ উদ্দিন ভূইয়া।
২০১৪ সালের ১৯ অক্টোবর এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ভারতীয় এই তিন টিভি চ্যানেল বন্ধে কেন নির্দেশে দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের হাইকোর্ট বেঞ্চ। তথ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, বিটিআরসি চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
পরে ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী সৈয়দা শাহীন আরা লাইলি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২ আগস্ট প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন বলা হয়, দেশের ঘরে-ঘরে বাড়ছে ভারতীয় ধারাবাহিক নাটকের জনপ্রিয়তা। এসব সিরিয়াল-প্রীতির কারণে দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো ক্রমেই দর্শক হারাচ্ছে। দেশ হারাচ্ছে নিজস্ব সংস্কৃতি। স্টার জলসার 'বোঝে না সে বোঝে না' সিরিয়ালের 'পাখি'র প্রেমে প্রাণ গেল এক যুবক ও মেয়েশিশুর।' সেই প্রতিবেদন যুক্ত করে জনস্বার্থে ভারতীয় চ্যানেলে বন্ধ চেয়ে রিটটি দায়ের করা হয়।
আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানির জন্য উপস্থিত আছেন রিটকারী আইনজীবী মো. একলাছ উদ্দিন ভূইয়া।
২০১৪ সালের ১৯ অক্টোবর এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ভারতীয় এই তিন টিভি চ্যানেল বন্ধে কেন নির্দেশে দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের হাইকোর্ট বেঞ্চ। তথ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, বিটিআরসি চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
পরে ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী সৈয়দা শাহীন আরা লাইলি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই রিট দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২ আগস্ট প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন বলা হয়, দেশের ঘরে-ঘরে বাড়ছে ভারতীয় ধারাবাহিক নাটকের জনপ্রিয়তা। এসব সিরিয়াল-প্রীতির কারণে দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো ক্রমেই দর্শক হারাচ্ছে। দেশ হারাচ্ছে নিজস্ব সংস্কৃতি। স্টার জলসার 'বোঝে না সে বোঝে না' সিরিয়ালের 'পাখি'র প্রেমে প্রাণ গেল এক যুবক ও মেয়েশিশুর।' সেই প্রতিবেদন যুক্ত করে জনস্বার্থে ভারতীয় চ্যানেলে বন্ধ চেয়ে রিটটি দায়ের করা হয়।
