কক্সবার্তা ডেস্ক:
কক্সবার্তা ডট কম।।
কক্সবার্তা ডট কম।।
লিংকরোডের দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী মো. শফিকে অবশেষে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বোরবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে কক্সবাজার সদর মডেল থানার অপারেশ অফিসার আবদুর রহিমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মেডিকেল কলেজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। এসম তার কাছ থেকে একটি এলজি বন্দুকও উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত সন্ত্রাসী শফি লিংকরোডের কলেজগেইট চান্দের পাড়া এলাকার মৃত মো. শাহ'র পুত্র। তাকে গ্রেফতার করায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কুতুব উদ্দীন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসী শফিকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি এলজি বন্দুক উদ্ধার করা হয়। সে হত্যা, অস্ত্রসহ ছয়টি মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত আসামী। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূরুল হক বাদি হয়ে অস্ত্র আইনে আরো একটি মামলা দায়ের করেছেন। তাকে রোববার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শফি একজন দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী। সে দীর্ঘদিন এলাকায় হত্যা, ডাকাতি, চাঁদবাজি, দখলবাজিসহ নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। সন্ত্রাসী শফি লিংকরোড এলাকার চাঞ্চল্যকর তিনটি হত্যাকান্ডের সরাসরি জড়িত রয়েছে। এই হত্যাকান্ডগুলো হলো হাফেজ আরমান হত্যাকান্ড, জুবাইর হত্যাকান্ড ও সম্প্রতি সংঘটিত এক রোহিঙ্গা হত্যাকান্ডের সাথে সন্ত্রাসী শফি জড়িত রয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার অনেকে জানান, সন্ত্রাসী শফির অত্যাচারে এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠে। তার অত্যাচারে কোনো মানুষ স্বস্তিতে ঘুমাতে পারেনি। এমনকি অধিকাংশ মানুষ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতেও পারেনি। তাই তাকে গ্রেফতার করায় পুলিশকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। একই সাথে উল্লাস ও স্বস্তি প্রকাশ করেছে তারা। রোববার দিনভর এই নিয়ে ওই এলাকার লোকজনকে উল্লাস ও স্বস্তি প্রকাশ করতে দেখা গেছে।
জানা গেছে, সন্ত্রাসী শফির ১২/১৫ জনের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী রয়েছে। এই বাহিনীর সদস্যরা সবাই দাগী সন্ত্রাসী ও নানা মামলার আসামী। তাদের ভয়ে সব সময় তটস্থ থাকে সাধারণ মানুষ। এই বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার কারো সাহস নেই। একটি প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনে এই বাহিনীটি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
শফিকে গ্রেফতার করলেও এখনো অধরা রয়ে গেছে বাহিনীর অন্যান্য সন্ত্রাসীরা। তাদের গ্রেফতার না করলে এলাকার আতঙ্ক পুরোপুরি কাটবে না বলে জানিয়েছেন লোকজন। তাই অতিদ্রুত সব সন্ত্রাসীকে গ্রেফতারের দাবি উঠেছে সর্বমহলে।
গ্রেফতারকৃত সন্ত্রাসী শফি লিংকরোডের কলেজগেইট চান্দের পাড়া এলাকার মৃত মো. শাহ'র পুত্র। তাকে গ্রেফতার করায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কুতুব উদ্দীন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসী শফিকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি এলজি বন্দুক উদ্ধার করা হয়। সে হত্যা, অস্ত্রসহ ছয়টি মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানাভুক্ত আসামী। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূরুল হক বাদি হয়ে অস্ত্র আইনে আরো একটি মামলা দায়ের করেছেন। তাকে রোববার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শফি একজন দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী। সে দীর্ঘদিন এলাকায় হত্যা, ডাকাতি, চাঁদবাজি, দখলবাজিসহ নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। সন্ত্রাসী শফি লিংকরোড এলাকার চাঞ্চল্যকর তিনটি হত্যাকান্ডের সরাসরি জড়িত রয়েছে। এই হত্যাকান্ডগুলো হলো হাফেজ আরমান হত্যাকান্ড, জুবাইর হত্যাকান্ড ও সম্প্রতি সংঘটিত এক রোহিঙ্গা হত্যাকান্ডের সাথে সন্ত্রাসী শফি জড়িত রয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার অনেকে জানান, সন্ত্রাসী শফির অত্যাচারে এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠে। তার অত্যাচারে কোনো মানুষ স্বস্তিতে ঘুমাতে পারেনি। এমনকি অধিকাংশ মানুষ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতেও পারেনি। তাই তাকে গ্রেফতার করায় পুলিশকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। একই সাথে উল্লাস ও স্বস্তি প্রকাশ করেছে তারা। রোববার দিনভর এই নিয়ে ওই এলাকার লোকজনকে উল্লাস ও স্বস্তি প্রকাশ করতে দেখা গেছে।
জানা গেছে, সন্ত্রাসী শফির ১২/১৫ জনের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী রয়েছে। এই বাহিনীর সদস্যরা সবাই দাগী সন্ত্রাসী ও নানা মামলার আসামী। তাদের ভয়ে সব সময় তটস্থ থাকে সাধারণ মানুষ। এই বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার কারো সাহস নেই। একটি প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনে এই বাহিনীটি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
শফিকে গ্রেফতার করলেও এখনো অধরা রয়ে গেছে বাহিনীর অন্যান্য সন্ত্রাসীরা। তাদের গ্রেফতার না করলে এলাকার আতঙ্ক পুরোপুরি কাটবে না বলে জানিয়েছেন লোকজন। তাই অতিদ্রুত সব সন্ত্রাসীকে গ্রেফতারের দাবি উঠেছে সর্বমহলে।
