দেশ বার্তা:
কক্সবার্তা ডট কম।।
নাটোরের সিংড়া উপজেলার জলারবাতা এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে একই পরিবারের তিনজনসহ চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৩ জন।
নিহতরা হলেন বাস মালিক লিখনের স্ত্রী সুলতানা বেগম (৩৫), ছেলে শাকিব (৭), মেয়ে ঐশি (৫) এবং বাসের সুপারভাইজার অজিত কুমার।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দিন মণ্ডল জানান, রবিবার সকাল ৯টার দিকে লিখন পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাস বগুড়া থেকে নাটোরে যাচ্ছিল। পথে নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের চৌগ্রাম ইউনিয়নের জোলারবাতা এলাকায় পৌঁছানোর পর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বাস মালিকের স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও সুপারভাইজার নিহত এবং ১৩ জন আহত হন। স্থানীয় লোকজন ও সিংড়া থানা পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় একজনকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে, একজনকে বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এবং বাকি ১১ জনকে নাটোর সদর হাসপাতাল ও সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ঝলমলিয়া হাইওয়ে থানার এএসআই শামীম জানান, নিহতদের সুরতহাল রিপোর্ট করা হচ্ছে। নিহতের পরিবারের সদস্যরা ইতোমধ্যেই লাশ নেওয়ার জন্য পৌঁছেছেন। সুরতহাল রিপোর্ট শেষে লাশগুলো হস্তান্তর করা হবে।
নিহতরা হলেন বাস মালিক লিখনের স্ত্রী সুলতানা বেগম (৩৫), ছেলে শাকিব (৭), মেয়ে ঐশি (৫) এবং বাসের সুপারভাইজার অজিত কুমার।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দিন মণ্ডল জানান, রবিবার সকাল ৯টার দিকে লিখন পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাস বগুড়া থেকে নাটোরে যাচ্ছিল। পথে নাটোর-বগুড়া মহাসড়কের চৌগ্রাম ইউনিয়নের জোলারবাতা এলাকায় পৌঁছানোর পর বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বাস মালিকের স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও সুপারভাইজার নিহত এবং ১৩ জন আহত হন। স্থানীয় লোকজন ও সিংড়া থানা পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় একজনকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে, একজনকে বগুড়া শহীদ জিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এবং বাকি ১১ জনকে নাটোর সদর হাসপাতাল ও সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ঝলমলিয়া হাইওয়ে থানার এএসআই শামীম জানান, নিহতদের সুরতহাল রিপোর্ট করা হচ্ছে। নিহতের পরিবারের সদস্যরা ইতোমধ্যেই লাশ নেওয়ার জন্য পৌঁছেছেন। সুরতহাল রিপোর্ট শেষে লাশগুলো হস্তান্তর করা হবে।
