দেশ বার্তা:
কক্সবার্তা ডট কম।।
গুলি করে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত থেকে রবিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা পর্যন্ত সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
রবিবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিয়ার রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এমপি লিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে রাতেই তিনজনকে আটক করা হয়। এরপর গভীর রাত থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত আরও সাতজনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে এ পর্যন্ত ১০ জনকে আটক করা হয়।
তিনি আরও জানান, আটকদের সুন্দরগঞ্জ থানা হাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে তিনি আটকদের নাম পরিচয় জানাতে অপারগতা জানান। এছাড়া হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাসহ দুর্বৃত্তদের আটক করতে পুলিশের কয়েকটি টিম বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সাহাবাজ গ্রামে লিটনকে তার বাড়িতে ঢুকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। রাত সাড়ে ৭টার দিকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার লাশের ময়না তদন্তের পর রংপুর মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. নারায়ণ চন্দ্র সাহা জানান, লিটনের দেহ থেকে ৫টি গুলি বের করা হয়েছে। কিডনি ও ফুসফুস থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিয়ার রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এমপি লিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে রাতেই তিনজনকে আটক করা হয়। এরপর গভীর রাত থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত আরও সাতজনকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে এ পর্যন্ত ১০ জনকে আটক করা হয়।
তিনি আরও জানান, আটকদের সুন্দরগঞ্জ থানা হাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে তিনি আটকদের নাম পরিচয় জানাতে অপারগতা জানান। এছাড়া হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাসহ দুর্বৃত্তদের আটক করতে পুলিশের কয়েকটি টিম বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের সাহাবাজ গ্রামে লিটনকে তার বাড়িতে ঢুকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। রাত সাড়ে ৭টার দিকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার লাশের ময়না তদন্তের পর রংপুর মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. নারায়ণ চন্দ্র সাহা জানান, লিটনের দেহ থেকে ৫টি গুলি বের করা হয়েছে। কিডনি ও ফুসফুস থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।
