এম জিয়াবুল হক:
কক্সবার্তা ডট কম।।
চকরিয়া উপজেলার চিংড়ি জোন রামপুর মৌজার সাধারণ চিংড়ি চাষিরা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে।
মৌসুমে মাছ আহরণের সময় ঘনিয়ে আসলে এসব সন্ত্রাসীরা চাষিদেরকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আদায় করছে মোটা অংকের টাকা। চাঁদা না দিলে লুটে নিয়ে যায় ঘের থেকে চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করার সাহস পাচ্ছে না সাধারণ চিংড়ি চাষিরা। তাদের চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বাধা দিলে চাষিদের মারধরের ও নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। স্থানীয় সরকারী দুই কর্মকর্তার আত্বীয় পরিচয়ে অস্ত্রধারী বর্তমানে চিংড়িজোনে রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী স্থানীয় চিংড়ি চাষিরা।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, চকরিয়া উপজেলার চিংড়ি জোনের রামপুর মৌজার ৫নং পোল্ডারের আওতাধীন শত-শত একর চিংড়ি ঘের রয়েছে। এসব চিংড়ি ঘের বর্গা নিয়ে সাধারণ চাষিরা মৌসুমে চিংড়ি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে। ওই পোল্ডারের একাধিক চিংড়ি চাষি অভিযোগ করেছেন, উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের বাসিন্দা জমির নামের পুলিশের এক কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে আলমগীর ও সিরাজ নামের দুই ব্যক্তি নেতৃত্বে একটি চক্র স্থানীয় চিংড়ি চাষিদেরকে জিন্মি করে রেখেছে। তাদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে আসছে।
ওই পোল্ডারের ১০একর বিশিষ্ট ৩১৮,৩১৯ ও ৩২০ নং প্লটেসহ একাধিক চাষিরা এসব চাঁদাবাজ চক্রের হাতে সবচেয়ে বেশী নির্যাতিত হচ্ছে। চাঁজাবাজ চক্র চাষিদের নির্যাতন করে থেমে নেই। হুমকি ও মারধর করে আদায় করছে মোটা অংকের টাকা। টাকা দিতে দেরি হলে লুটে নিয়ে যাচ্ছে ঘেরের চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। যার ফলে সন্ত্রাসীদের কাছে সাধারণ চিংড়ি চাষিরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আতংকে রয়েছে আশপাশে আরো শত-শত চিংড়ি চাষি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারীভাবে লিজ নেওয়া বরিশাল জেলার এক ব্যক্তি জানান, সরকারি কর্মকর্তার ভাই সিরাজ ও পুলিশ কর্মকর্তার ভগ্নিপতি আলমগীর র্দীঘদিন ধরে তার চাষিকে নানাভাবে হয়রানি করে আসছে। তাদের নেতৃত্বে প্রতিবছর শত-শত সাধারণ চিংড়ি চাষিদের কাছ থেকে কোটি-কোটি চাঁদা ও মাসোয়ারা আদায় করছে। চাঁদা না দিলে মিথ্যা মামলা জড়ানোর হুমকি দেয়।
চকরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ কামরুল আজম বলেন, এরকম কোন অভিযোগ এখনো কেউ থানায় দায়ের করেনি। তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মৌসুমে মাছ আহরণের সময় ঘনিয়ে আসলে এসব সন্ত্রাসীরা চাষিদেরকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আদায় করছে মোটা অংকের টাকা। চাঁদা না দিলে লুটে নিয়ে যায় ঘের থেকে চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করার সাহস পাচ্ছে না সাধারণ চিংড়ি চাষিরা। তাদের চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বাধা দিলে চাষিদের মারধরের ও নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে। স্থানীয় সরকারী দুই কর্মকর্তার আত্বীয় পরিচয়ে অস্ত্রধারী বর্তমানে চিংড়িজোনে রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী স্থানীয় চিংড়ি চাষিরা।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, চকরিয়া উপজেলার চিংড়ি জোনের রামপুর মৌজার ৫নং পোল্ডারের আওতাধীন শত-শত একর চিংড়ি ঘের রয়েছে। এসব চিংড়ি ঘের বর্গা নিয়ে সাধারণ চাষিরা মৌসুমে চিংড়ি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে। ওই পোল্ডারের একাধিক চিংড়ি চাষি অভিযোগ করেছেন, উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের বাসিন্দা জমির নামের পুলিশের এক কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গিয়ে আলমগীর ও সিরাজ নামের দুই ব্যক্তি নেতৃত্বে একটি চক্র স্থানীয় চিংড়ি চাষিদেরকে জিন্মি করে রেখেছে। তাদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে আসছে।
ওই পোল্ডারের ১০একর বিশিষ্ট ৩১৮,৩১৯ ও ৩২০ নং প্লটেসহ একাধিক চাষিরা এসব চাঁদাবাজ চক্রের হাতে সবচেয়ে বেশী নির্যাতিত হচ্ছে। চাঁজাবাজ চক্র চাষিদের নির্যাতন করে থেমে নেই। হুমকি ও মারধর করে আদায় করছে মোটা অংকের টাকা। টাকা দিতে দেরি হলে লুটে নিয়ে যাচ্ছে ঘেরের চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। যার ফলে সন্ত্রাসীদের কাছে সাধারণ চিংড়ি চাষিরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আতংকে রয়েছে আশপাশে আরো শত-শত চিংড়ি চাষি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সরকারীভাবে লিজ নেওয়া বরিশাল জেলার এক ব্যক্তি জানান, সরকারি কর্মকর্তার ভাই সিরাজ ও পুলিশ কর্মকর্তার ভগ্নিপতি আলমগীর র্দীঘদিন ধরে তার চাষিকে নানাভাবে হয়রানি করে আসছে। তাদের নেতৃত্বে প্রতিবছর শত-শত সাধারণ চিংড়ি চাষিদের কাছ থেকে কোটি-কোটি চাঁদা ও মাসোয়ারা আদায় করছে। চাঁদা না দিলে মিথ্যা মামলা জড়ানোর হুমকি দেয়।
চকরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ কামরুল আজম বলেন, এরকম কোন অভিযোগ এখনো কেউ থানায় দায়ের করেনি। তবে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
