লক্ষ্মীপুরে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বাসার বাহিনীর প্রধান বাসার নিহত হয়েছে। শনিবার রাত ২টার দিকে সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়নের কাজ্জালিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় সদর থানা পুলিশের এক এসআইসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি এলজি ও ৫ রাউন্ড গুলিসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। আহত পুলিশ সদস্যরা লক্ষ্মীপুর সদর হাপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, 'শনিবার গভীর রাতে সদর উপজেলার কাজ্জালীপুর গ্রামে একদল ডাকাত ডাকিতর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গোপান সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযানে যায় পুলিশ। এ সময় সন্ত্রাসীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পিছু হটলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বাসারকে ঘটনাস্থলে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসাপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।'
তিনি আরও বলেন, 'নিহত বাসারে বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতি, হত্যা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে সদর থানায় ১৫টি মামলা রয়েছে। সে ওই ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের সৈয়দ আহম্মেদের ছেলে।'
এ সময় সদর থানা পুলিশের এক এসআইসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি এলজি ও ৫ রাউন্ড গুলিসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। আহত পুলিশ সদস্যরা লক্ষ্মীপুর সদর হাপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, 'শনিবার গভীর রাতে সদর উপজেলার কাজ্জালীপুর গ্রামে একদল ডাকাত ডাকিতর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গোপান সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযানে যায় পুলিশ। এ সময় সন্ত্রাসীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পিছু হটলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী বাসারকে ঘটনাস্থলে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসাপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।'
তিনি আরও বলেন, 'নিহত বাসারে বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতি, হত্যা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে সদর থানায় ১৫টি মামলা রয়েছে। সে ওই ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের সৈয়দ আহম্মেদের ছেলে।'
