দেশ বার্তা:
রাজবাড়ী জেলা সদরের চন্দনী ইউনিয়নে রাজবাড়ী টু কুষ্টিয়া মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে খালেক (৫৫) নামে এক ডাকাত সর্দার নিহত হয়েছে। এসময় ৫ পুলিশ সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান ও ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ। সদর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) বদিয়ার রহমান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন।
পুলিশের দাবি, নিহত ডাকাত খালেক পুলিশের তালিকাভুক্ত আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার। নিহত ডাকাত সর্দার খালেক জেলার পাংশা উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
সদর থানার এসআই বদিয়ার রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ৭/৮ জন ডাকাত সদস্য মিলে মহাসড়কে চন্দনী ব্রিজ এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল।এ সময় গোপন সংবাদেও ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছুলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা পুলিশের উপরে চড়াও হয়। পুলিশ গুলি ছুড়লে ডাকাত সর্দার খালেক গুলি বিদ্ধ হয়। এ সময় অন্য ডাকাতরা পালিয়ে যায়।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ডাকাত সর্দার খালেককে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. এস এম তারেক আনাম জানান, ভোর পৌনে ৫টার দিকে সদর থানার পুলিশ সদস্যরা মৃত অবস্থায় নিহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসে।এসময় পাঁচজন আহত পুলিশ সদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। নিহত ব্যক্তির পিঠে ২টি ও মাথায় ১টি গুলিবিদ্ধ রয়েছে। দুপুরে লাশের ময়না তদন্ত করা হবে।
পুলিশের দাবি, নিহত ডাকাত খালেক পুলিশের তালিকাভুক্ত আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার। নিহত ডাকাত সর্দার খালেক জেলার পাংশা উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
সদর থানার এসআই বদিয়ার রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ৭/৮ জন ডাকাত সদস্য মিলে মহাসড়কে চন্দনী ব্রিজ এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল।এ সময় গোপন সংবাদেও ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছুলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা পুলিশের উপরে চড়াও হয়। পুলিশ গুলি ছুড়লে ডাকাত সর্দার খালেক গুলি বিদ্ধ হয়। এ সময় অন্য ডাকাতরা পালিয়ে যায়।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ডাকাত সর্দার খালেককে সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. এস এম তারেক আনাম জানান, ভোর পৌনে ৫টার দিকে সদর থানার পুলিশ সদস্যরা মৃত অবস্থায় নিহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে আসে।এসময় পাঁচজন আহত পুলিশ সদস্যকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। নিহত ব্যক্তির পিঠে ২টি ও মাথায় ১টি গুলিবিদ্ধ রয়েছে। দুপুরে লাশের ময়না তদন্ত করা হবে।
