আব্দুর রশিদ,রামু:
রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের থিমছড়ি গ্রামের ৪নং ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা নজির আহমদের পুত্র পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র মুহিউদ্দিন (১৩) অপহরনের সাতদিন পর অবশেষে মুক্তিপনের বিনিময়ে মুক্ত হয়েছে।
বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) ভোর রাতে তাকে অপহরণকারীরা ঈদগড় ইউনিয়নের চাইল্যাতলী পাহাড়ী এলাকায় ছেড়ে দিয়ে চলে যায় বলে অপহৃত মহিউদ্দিন জানান।
বিষয়টি আরো নিশ্চিত করেছেন পার্শ্ববর্তী বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবু মুসা। তিনি জানান, মঙ্গলবার ২৭ ডিসেম্বর গভীর রাতে এএসআই সোলেমান ভুঁইয়ার নেতৃত্বে একটি পুলিশ টহল দল চাক পাড়া যাওয়ার পথে বুধবার ভোর রাতে অজ্ঞাতনামা শিশুটিকে পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারে সে বিগত ৭দিন আগে সন্ত্রাসীদের হাতে জিম্মী ছিল। ভোর রাতে মুক্তি পাওয়ার পরে তিনি একাই এই পথ দিয়ে চলে আসেন। ঘটনাটি পুলিশ তার পরিবারকে জানালে বুধবার সকালে পরিবারের নিকট অপহৃত শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হস্তান্তর করে বলে জানান।
উল্লেখ্য গত ২৯ শে ডিসেম্বর গভীর রাতে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশুটিকে নিজ বাড়ী থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণের পর থেকে পরিবারের সদস্যদের নিকট তিন লাখ টাকা মুক্তিপন দাবী করে আসছিল। এক লাখ টাকা মুক্তিপনের বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দিয়েছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।এ রিপোর্ট লিখা ও পাঠানোর পর্যন্ত থানায় কোন ধরনের মামলা হয় নাই।
বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) ভোর রাতে তাকে অপহরণকারীরা ঈদগড় ইউনিয়নের চাইল্যাতলী পাহাড়ী এলাকায় ছেড়ে দিয়ে চলে যায় বলে অপহৃত মহিউদ্দিন জানান।
বিষয়টি আরো নিশ্চিত করেছেন পার্শ্ববর্তী বাইশারী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবু মুসা। তিনি জানান, মঙ্গলবার ২৭ ডিসেম্বর গভীর রাতে এএসআই সোলেমান ভুঁইয়ার নেতৃত্বে একটি পুলিশ টহল দল চাক পাড়া যাওয়ার পথে বুধবার ভোর রাতে অজ্ঞাতনামা শিশুটিকে পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারে সে বিগত ৭দিন আগে সন্ত্রাসীদের হাতে জিম্মী ছিল। ভোর রাতে মুক্তি পাওয়ার পরে তিনি একাই এই পথ দিয়ে চলে আসেন। ঘটনাটি পুলিশ তার পরিবারকে জানালে বুধবার সকালে পরিবারের নিকট অপহৃত শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হস্তান্তর করে বলে জানান।
উল্লেখ্য গত ২৯ শে ডিসেম্বর গভীর রাতে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশুটিকে নিজ বাড়ী থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। অপহরণের পর থেকে পরিবারের সদস্যদের নিকট তিন লাখ টাকা মুক্তিপন দাবী করে আসছিল। এক লাখ টাকা মুক্তিপনের বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দিয়েছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।এ রিপোর্ট লিখা ও পাঠানোর পর্যন্ত থানায় কোন ধরনের মামলা হয় নাই।
