আবুল কাশেম,কুতুবদিয়া:
কক্সবার্তা ডট কম।।
কুতুবদিয়ার দক্ষিণধুরুং ইউনিয়নের "আলোকিত দক্ষিণধুরুং" প্রকল্পের সড়ক বাতির আলো নিভে যাওয়ায় পথচারীদের পথচলা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিগত ২০১৪-১৫ অর্থ বছরের টিআর কাবিখার টাকায় "আলোকিত দক্ষিণধুরুং" প্রকল্পের বরাদ্দকৃত তিন লক্ষ ষাট হাজার টাকা ব্যয়ে ১৮টি সড়ক বাতি স্থাপন করে ইউনিয়ন পরিষদ। চলাচলের প্রধান সড়ক, বাজারসহ জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে সড়ক বাতিগুলো লাগানো হয়। বিগত ছয় মাস থেকে বাতির আলো না থাকায় রাতের অন্ধকারে চলাচল করতে মারাত্মক দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পথচারীদের।
দক্ষিণ ধুরুং ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ জানান, দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কে ১৮টি সোলার সিস্টেম সড়ক বাতি স্থাপন করা হয়। এ সড়ক বাতি প্রায় দুই বছর পথচারীদের রাতের অন্ধকারে আলো দেখিয়েছে। প্রতিটি সোলার সিস্টেম সড়ক বাতি স্থাপনে ব্যয় হয়েছে ২০ হাজার টাকা। এ ইউনিয়নের আজম সড়কে ১২টি,আলী ফকির ডেইলে ২টি, জেলেপাড়ায় ২টি ও ধুরুংকাঁচায় ২টি সড়ক বাতি স্থাপন করা হয়। ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর আঘাতে ধুরুং কাঁচার সড়ক বাতি দুটি ভেঙে পড়ে। স্থাপিত ১৮টি সড়ক বাতির মধ্যে একমাত্র আকবরশাহ রাস্তার মাথার সড়ক বাতিটিই আলো দেখাচ্ছে পথচারীদের। বাকী ১৭টি সড়ক বাতির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ দূর্বৃত্তরা চুরি করে নিয়ে যায়। তবে পরিষদের তদারকীর অভাবে সড়ক বাতির আলো নিভে গেছে। সড়ক বাতিগুলো এমনভাবে স্থাপন করা হয়েছে যাতে এলাকার লোকজন রাতের বেলায় সড়ক দিয়ে আলোর পথে যাতায়াত করতে পারে।
এ ব্যাপারে দক্ষিণ ধুরুং ইউপির চেয়ারম্যান ছৈয়দ আহমদ চৌধূরী বলেন,পরিষদের অর্থায়নে সড়ক বাতিগুলো স্থাপন করা হয়। সৌর প্যানেল আর ব্যাটারি নিন্মমানের হওয়ায় সড়ক বাতিগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। পরিষদে নতুনভাবে বরাদ্দ পেলে মেরামত করা হবে সড়ক বাতিগুলো।
সড়ক বাতিগুলো নষ্ট হয়ে এলাকা অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকায় চোর বখাটেদের উপদ্রব বেড়ে গেছে বলে জানান ধুরুং বাজারের ব্যবসায়ী মোঃ আলমগীর কবিরসহ আরো অনেকে।এদিকে কুতুবদিয়া দ্বীপে বিদ্যুৎ না থাকায় ডিজিটাল যুগের ছোঁয়া লাগার জন্য সড়ক বাতিগুলো স্থাপন করা হলে ও অন্ধকারে রয়েছেন দক্ষিণ ধুরুংবাসী।
দক্ষিণ ধুরুং ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ জানান, দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কে ১৮টি সোলার সিস্টেম সড়ক বাতি স্থাপন করা হয়। এ সড়ক বাতি প্রায় দুই বছর পথচারীদের রাতের অন্ধকারে আলো দেখিয়েছে। প্রতিটি সোলার সিস্টেম সড়ক বাতি স্থাপনে ব্যয় হয়েছে ২০ হাজার টাকা। এ ইউনিয়নের আজম সড়কে ১২টি,আলী ফকির ডেইলে ২টি, জেলেপাড়ায় ২টি ও ধুরুংকাঁচায় ২টি সড়ক বাতি স্থাপন করা হয়। ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর আঘাতে ধুরুং কাঁচার সড়ক বাতি দুটি ভেঙে পড়ে। স্থাপিত ১৮টি সড়ক বাতির মধ্যে একমাত্র আকবরশাহ রাস্তার মাথার সড়ক বাতিটিই আলো দেখাচ্ছে পথচারীদের। বাকী ১৭টি সড়ক বাতির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ দূর্বৃত্তরা চুরি করে নিয়ে যায়। তবে পরিষদের তদারকীর অভাবে সড়ক বাতির আলো নিভে গেছে। সড়ক বাতিগুলো এমনভাবে স্থাপন করা হয়েছে যাতে এলাকার লোকজন রাতের বেলায় সড়ক দিয়ে আলোর পথে যাতায়াত করতে পারে।
এ ব্যাপারে দক্ষিণ ধুরুং ইউপির চেয়ারম্যান ছৈয়দ আহমদ চৌধূরী বলেন,পরিষদের অর্থায়নে সড়ক বাতিগুলো স্থাপন করা হয়। সৌর প্যানেল আর ব্যাটারি নিন্মমানের হওয়ায় সড়ক বাতিগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। পরিষদে নতুনভাবে বরাদ্দ পেলে মেরামত করা হবে সড়ক বাতিগুলো।
সড়ক বাতিগুলো নষ্ট হয়ে এলাকা অন্ধকারাচ্ছন্ন থাকায় চোর বখাটেদের উপদ্রব বেড়ে গেছে বলে জানান ধুরুং বাজারের ব্যবসায়ী মোঃ আলমগীর কবিরসহ আরো অনেকে।এদিকে কুতুবদিয়া দ্বীপে বিদ্যুৎ না থাকায় ডিজিটাল যুগের ছোঁয়া লাগার জন্য সড়ক বাতিগুলো স্থাপন করা হলে ও অন্ধকারে রয়েছেন দক্ষিণ ধুরুংবাসী।
