শাহীদ মোস্তফা:
কক্সবার্তা ডট কম।।
কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডীতে দেবরের কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গলা টিপে ভাবিকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে । ২৪ ডিসেম্বর ভোরে এ ঘটনাটি ঘটে ইউনিয়নের কোনাপাড়া এলাকায়। ঘটনার জড়িত সন্দেহে এক মহিলাকে পুলিশে সোর্পদ করেছে নিহতের স্বজনরা।
নিহতের স্বজনদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী পোকখালী ইউনিয়নের নাইক্যংডিয়া এলাকার শফি আলমের মেয়ে রোকেয়া আক্তার (১৮)এর সাথে চৌফলদন্ডী কোনা পাড়া এলাকার আবদুল মান্নানের পুত্র রমিজ আহম্মদের সাথে চলিত বছরের এপ্রিল মাসে ইসলামী শরিয়া মোতাবেক বিয়ে হয়। বিয়ের ৬ মাস পর স্বামী রমিজ আহম্মদ বিদেশ চলে গেলে তার ভাই ওবাইদুল হক প্রায় সময় কু প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন ভোরে তার শয়ন কক্ষে প্রবেশ করে ধর্ষনের চেষ্টা চালায়। এতে বাধা দিলে রোকেয়াকে গলা টিপে হত্যা করে। সকালে পরিবারের লোকজন আচঁ করতে পেরে উড়না পেঁচিয়ে ঘরের খুটির সাথে ঝুলে রাখে। পরে সেখান থেকে ঘাতক ওবাবাদুলের বোন জামাই আমিরুল কল করে রোকেয়ার স্বজনদের কাছে অসুস্থতার কথা বলে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে দেখতে পায় রোকেয়ার লাশ ।
পরে বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করলে সদর থানার ওসির নেতৃত্বে একদল পুলিশ সদর হাসপাতালে লাশের সুরহতাল রির্পোট তৈরী করে ময়না তদন্ত সম্পন্ন করে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করেন।
নিহত রোকেয়ার চাচা সাবেক মেম্বার জাবের আহম্মদ জানান,৭ মাস পুর্বে বিয়ে হয় মেয়েটির কিন্ত স্বামী রমিজ আহম্মদ বিদেশ চলে যাওয়ার পর দেবর মিজানুর রহমান, এহেসান, সিরাজুল হক ঘাতক ওবাইদুল হকসহ পরিবারের নারী সদস্যরাও বিভিন্ন অযুহাতে নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। তার সুত্র ধরে ঘটনার দিন ভোর
সময়ে মেয়েটিকে হত্যা করে লাশ ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে রেখে আতœহত্যা বলে প্রচার চালায়। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ওবাইদুল হকের বড়বোন নুর নেছাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে নিহতের স্বজনরা ,অবশ্যই পুলিশ তা অস্বীকার করে।
এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার এসআই রফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের জন্য কল করা হলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি ।
নিহতের স্বজনদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পার্শ্ববর্তী পোকখালী ইউনিয়নের নাইক্যংডিয়া এলাকার শফি আলমের মেয়ে রোকেয়া আক্তার (১৮)এর সাথে চৌফলদন্ডী কোনা পাড়া এলাকার আবদুল মান্নানের পুত্র রমিজ আহম্মদের সাথে চলিত বছরের এপ্রিল মাসে ইসলামী শরিয়া মোতাবেক বিয়ে হয়। বিয়ের ৬ মাস পর স্বামী রমিজ আহম্মদ বিদেশ চলে গেলে তার ভাই ওবাইদুল হক প্রায় সময় কু প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন ভোরে তার শয়ন কক্ষে প্রবেশ করে ধর্ষনের চেষ্টা চালায়। এতে বাধা দিলে রোকেয়াকে গলা টিপে হত্যা করে। সকালে পরিবারের লোকজন আচঁ করতে পেরে উড়না পেঁচিয়ে ঘরের খুটির সাথে ঝুলে রাখে। পরে সেখান থেকে ঘাতক ওবাবাদুলের বোন জামাই আমিরুল কল করে রোকেয়ার স্বজনদের কাছে অসুস্থতার কথা বলে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে দেখতে পায় রোকেয়ার লাশ ।
পরে বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করলে সদর থানার ওসির নেতৃত্বে একদল পুলিশ সদর হাসপাতালে লাশের সুরহতাল রির্পোট তৈরী করে ময়না তদন্ত সম্পন্ন করে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করেন।
নিহত রোকেয়ার চাচা সাবেক মেম্বার জাবের আহম্মদ জানান,৭ মাস পুর্বে বিয়ে হয় মেয়েটির কিন্ত স্বামী রমিজ আহম্মদ বিদেশ চলে যাওয়ার পর দেবর মিজানুর রহমান, এহেসান, সিরাজুল হক ঘাতক ওবাইদুল হকসহ পরিবারের নারী সদস্যরাও বিভিন্ন অযুহাতে নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। তার সুত্র ধরে ঘটনার দিন ভোর
সময়ে মেয়েটিকে হত্যা করে লাশ ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে রেখে আতœহত্যা বলে প্রচার চালায়। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ওবাইদুল হকের বড়বোন নুর নেছাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে নিহতের স্বজনরা ,অবশ্যই পুলিশ তা অস্বীকার করে।
এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার এসআই রফিকুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের জন্য কল করা হলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি ।
