দেশ বার্তা:
ফেসবুকে মুসলমানদের 'ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার প্রতিবাদের' নামে রবিবার সকাল ১০টার পর থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ৩ ঘণ্টাব্যাপী জেলার নাসিরনগর সদরে অন্তত ১০টি মন্দিরে হামলা চালানো হয়। এই ঘটনায় প্রশাসনের গাফিলতির অভিযোগ ওঠায় ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
নাসিরনগর থানার ওসিকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, প্রশাসনিক কারণে বুধবার দুপুরে ওসি আবদুল কাদেরকে প্রত্যাহারের এই আদেশ দেয়া হয়েছে।
শুক্রবার উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হরিণবেড় গ্রামের রসরাজ দাস নামে এক যুবক ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করে। ছবিটিতে দেখা যায় ফটোশপের কারসাজিতে পবিত্র কাবা ঘরের উপরে একটি শিবমূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। আর ওই ছবি মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে, এমন অভিযোগে স্থানীয়রা শনিবার ওই যুবককে ধরে পুলিশে দেয়।এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে রবিবার সকাল থেকে নাসিরনগর সদরের কলেজ মোড় ও খেলার মাঠে স্থানিয়রা বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে। সমাবেশ চলাকালে ৩ থেকে ৪শ' লোকের একটি দল জড়ো হয়ে পুরো উপজেলা সদরের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের উপর বর্বরোচিত হামলা চালায়।ফেসবুকে 'ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার প্রতিবাদের' নামে রবিবার অন্তত ৮টি হিন্দু পাড়ায় তাণ্ডব চালায় একদল দুর্বৃত্ত। এসময় ১০টি মন্দিরসহ শতাধিক বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয়। হামলা চলাকালে মন্দিরের পুরোহিতসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের শতাধিক নারী-পুরুষকে পিটিয়ে আহত করা হয়। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।ঘটনার খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, জেলা প্রশাসক ড. রেজওয়ানুর রহমান, বিজিবির উত্তর-পূর্ব রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাসরুর উল্লাহ, হামলার শিকার প্রতিটি পাড়া মহল্লা এবং মন্দিরগুলো পরিদর্শন করেন। এসময় তারা সাংবাদিকদের জানান ফেসবুকে ধর্ম অবমাননাকারীর যেমন বিচার হবে, তেমনই যারা হামলা চালিয়েছে তাদেরও বিচার হবে। এ ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।ঘটনার পর নাসিরনগরে ৩ প্লাটুন বিজিবি, দুই শতাধিক পুলিশ এবং বিপুল পরিমাণ র্যাব মোতায়েন করা হয়। এ ঘটনায় ছয়জনকে আটক করে নাসিরনগর থানা পুলিশ।হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে ঘটনার দিন রাতে ওসি আবদুল কাদের ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী মোয়াজ্জেম আহম্মেদের অপসারণ দাবি করে জেলা আওয়ামী লীগ। পুলিশ সুপার বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ওসি আবদুল কাদেরকে সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে।পূজা উদযাপন পরিষদের নাসিরনগর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হরিপদ পোদ্দার বলেন, মন্দিরের পাশাপাশি দেড়শতাধিক বাড়িতে হামলা চালানো হয়।হামলার শিকার অনাথ বন্ধু দাস ও বনমালী সরকার বলেন, কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই শত-শত লোক লাঠিসোটা নিয়ে নাসিরনগর ঘোষপাড়া, দাসপাড়া, নমঃশুদ্রপাড়া ও দত্তপাড়ায় মন্দিরসহ শতাধিক বাড়ি ঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এসময় অনেক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজনকে পিটিয়ে আহত করা হয়। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ফেসবুকে মুসলমানদের 'ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার প্রতিবাদের' নামে রবিবার সকাল ১০টার পর থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ৩ ঘণ্টাব্যাপী জেলার নাসিরনগর সদরে অন্তত ১০টি মন্দিরে হামলা চালানো হয়। এই ঘটনায় প্রশাসনের গাফিলতির অভিযোগ ওঠায় ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
নাসিরনগর থানার ওসিকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, প্রশাসনিক কারণে বুধবার দুপুরে ওসি আবদুল কাদেরকে প্রত্যাহারের এই আদেশ দেয়া হয়েছে।
শুক্রবার উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হরিণবেড় গ্রামের রসরাজ দাস নামে এক যুবক ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করে। ছবিটিতে দেখা যায় ফটোশপের কারসাজিতে পবিত্র কাবা ঘরের উপরে একটি শিবমূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। আর ওই ছবি মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে, এমন অভিযোগে স্থানীয়রা শনিবার ওই যুবককে ধরে পুলিশে দেয়।এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে রবিবার সকাল থেকে নাসিরনগর সদরের কলেজ মোড় ও খেলার মাঠে স্থানিয়রা বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে। সমাবেশ চলাকালে ৩ থেকে ৪শ' লোকের একটি দল জড়ো হয়ে পুরো উপজেলা সদরের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের উপর বর্বরোচিত হামলা চালায়।ফেসবুকে 'ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার প্রতিবাদের' নামে রবিবার অন্তত ৮টি হিন্দু পাড়ায় তাণ্ডব চালায় একদল দুর্বৃত্ত। এসময় ১০টি মন্দিরসহ শতাধিক বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয়। হামলা চলাকালে মন্দিরের পুরোহিতসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের শতাধিক নারী-পুরুষকে পিটিয়ে আহত করা হয়। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।ঘটনার খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, জেলা প্রশাসক ড. রেজওয়ানুর রহমান, বিজিবির উত্তর-পূর্ব রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাসরুর উল্লাহ, হামলার শিকার প্রতিটি পাড়া মহল্লা এবং মন্দিরগুলো পরিদর্শন করেন। এসময় তারা সাংবাদিকদের জানান ফেসবুকে ধর্ম অবমাননাকারীর যেমন বিচার হবে, তেমনই যারা হামলা চালিয়েছে তাদেরও বিচার হবে। এ ব্যাপারে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।ঘটনার পর নাসিরনগরে ৩ প্লাটুন বিজিবি, দুই শতাধিক পুলিশ এবং বিপুল পরিমাণ র্যাব মোতায়েন করা হয়। এ ঘটনায় ছয়জনকে আটক করে নাসিরনগর থানা পুলিশ।হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে ঘটনার দিন রাতে ওসি আবদুল কাদের ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী মোয়াজ্জেম আহম্মেদের অপসারণ দাবি করে জেলা আওয়ামী লীগ। পুলিশ সুপার বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ওসি আবদুল কাদেরকে সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে।পূজা উদযাপন পরিষদের নাসিরনগর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হরিপদ পোদ্দার বলেন, মন্দিরের পাশাপাশি দেড়শতাধিক বাড়িতে হামলা চালানো হয়।হামলার শিকার অনাথ বন্ধু দাস ও বনমালী সরকার বলেন, কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই শত-শত লোক লাঠিসোটা নিয়ে নাসিরনগর ঘোষপাড়া, দাসপাড়া, নমঃশুদ্রপাড়া ও দত্তপাড়ায় মন্দিরসহ শতাধিক বাড়ি ঘরে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এসময় অনেক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজনকে পিটিয়ে আহত করা হয়। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
