নাজমুল হাসান
ঝালকাঠি প্রতিনিধি।
ঝালকাঠি প্রতিনিধি।
ঝালকাঠির রাজাপুরে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার বিকেল ৫টায় রাজাপুরের সাতুরিয়া ইউনিয়নের বকুলতলা নামক স্থানে প্রথম দফায় ও আমতলা বাজারে দ্বিতীয় দফায় মুক্তিযোদ্ধা আ. ছালাম খান (৬৫) কে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ।
নিহত মুক্তিযোদ্ধা আ. ছালাম খানের বাড়ী রাজাপুরের পাশ্ববর্তী উপজেলা ভান্ডারিয়ার শিয়ালকাঠি গ্রামে।
নিহতের ছেলে মো. মুরাদ হোসেন খান অভিযোগ করেন, 'আমার পিতা একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। সম্প্রতি তিনি আ. রহমান কিন্ডার গার্ডেন নামে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
গত সোমবার বিকেল ৫টার দিকে ওই বিদ্যালয়ের মুক্তা নামে এক শিক্ষিকার বাড়ীতে যান। সেখানে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল আমার বাবার কাছে শিক্ষিকা মুক্তার বাড়ীতে আসার কারণ জানতে চায়। এক পর্যায়ে ওই শিক্ষিকার সাথে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ তুলে আমার বৃদ্ধ বাবার উপর দুই দফায় হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় কোন মতে তিনি বাড়ীতে আসেন। তিনি গুরুতর আহত থাকলেও কারো কাছে কিছু না বলে বিছানায় শুয়ে থাকেন। এরপর রাত ৪টার দিকে আমার বাবার মৃত্যু হয়।'
ঘটনাস্থলের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক লোকজনের মুখথেকে জানা যায়, সোমবার বিকেলে প্রকাশ্য দিবালোকে বহু মানুষের সামনে মুক্তিযোদ্ধা ছালাম খানকে পিটিয়েছে সন্ত্রাসীরা। কিন্তু হামলাকারীরা এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় হামলাকারীদের প্রতিরোধ করাতে কেউ সাহস পায়নি।
রাজাপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার শাহ আলম নান্নু জানান, এই সরকারে আমলে যদি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, একজন মুক্তিযোদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় এর চেয়ে লজ্জার আর কিছু হতে পারে না। আমরা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী জানাচ্ছি, পাশাপাশি হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করছি।
রাজাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মুনীর উল গীয়স জানান, মুক্তিযোদ্ধা ছালাম খানের মরদেহ আমরা ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি মর্গে প্রেরণ করেছি। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার বিকেল ৫টায় রাজাপুরের সাতুরিয়া ইউনিয়নের বকুলতলা নামক স্থানে প্রথম দফায় ও আমতলা বাজারে দ্বিতীয় দফায় মুক্তিযোদ্ধা আ. ছালাম খান (৬৫) কে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ।
নিহত মুক্তিযোদ্ধা আ. ছালাম খানের বাড়ী রাজাপুরের পাশ্ববর্তী উপজেলা ভান্ডারিয়ার শিয়ালকাঠি গ্রামে।
নিহতের ছেলে মো. মুরাদ হোসেন খান অভিযোগ করেন, 'আমার পিতা একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। সম্প্রতি তিনি আ. রহমান কিন্ডার গার্ডেন নামে একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
গত সোমবার বিকেল ৫টার দিকে ওই বিদ্যালয়ের মুক্তা নামে এক শিক্ষিকার বাড়ীতে যান। সেখানে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল আমার বাবার কাছে শিক্ষিকা মুক্তার বাড়ীতে আসার কারণ জানতে চায়। এক পর্যায়ে ওই শিক্ষিকার সাথে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ তুলে আমার বৃদ্ধ বাবার উপর দুই দফায় হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় কোন মতে তিনি বাড়ীতে আসেন। তিনি গুরুতর আহত থাকলেও কারো কাছে কিছু না বলে বিছানায় শুয়ে থাকেন। এরপর রাত ৪টার দিকে আমার বাবার মৃত্যু হয়।'
ঘটনাস্থলের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক লোকজনের মুখথেকে জানা যায়, সোমবার বিকেলে প্রকাশ্য দিবালোকে বহু মানুষের সামনে মুক্তিযোদ্ধা ছালাম খানকে পিটিয়েছে সন্ত্রাসীরা। কিন্তু হামলাকারীরা এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় হামলাকারীদের প্রতিরোধ করাতে কেউ সাহস পায়নি।
রাজাপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার শাহ আলম নান্নু জানান, এই সরকারে আমলে যদি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, একজন মুক্তিযোদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয় এর চেয়ে লজ্জার আর কিছু হতে পারে না। আমরা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবী জানাচ্ছি, পাশাপাশি হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করছি।
রাজাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মুনীর উল গীয়স জানান, মুক্তিযোদ্ধা ছালাম খানের মরদেহ আমরা ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি মর্গে প্রেরণ করেছি। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
