দেশ বার্তা:
যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে কয়েক হাত বদল করে অস্ত্র আসে ঢাকায়। তারপর ঢাকার বিভিন্ন সন্ত্রাসীগ্রুপের কাছে প্রতিটি অস্ত্র ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। তবে সীমান্ত এলাকায় কেউ অস্ত্র কিনতে চাইলে তা আরও কম দামে বিক্রি করা হতো। দশটি অস্ত্রসহ গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাবাদে এসব তথ্য জানিয়েছে অস্ত্র ব্যবসায়ী ভারতীয় নাগরিক খাইরুল মণ্ডল ওরফে শরীফুল মণ্ডল ওরফে শরীফুল (৪১)। সোমবার রাতে তাকে রাজধানীর গাবতলী এলাকা থেকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। মঙ্গলবার তাকে আদালতে সোপর্দ করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন জানায় পুলিশ। আদালত শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।
এর আগে সোমবার রাতেই কয়েকজন সহযোগীসহ খাইরুলের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে দারুস সালাম থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার মহররম আলী বলেন, 'খাইরুল একজন বড় অস্ত্র ব্যবসায়ী। কয়েক সহযোগীসহ সে অস্ত্রগুলো ঢাকায় এনেছিল সন্ত্রাসীগ্রুপের কাছে বিক্রি করতে। কিন্তু গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অস্ত্রসহ খাইরুলকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে খাইরুলের সহযোগীরা পালিয়ে গেছে। তাদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।'
মহররম আলী জানান, 'খাইরুল ঢাকায় যাদের কাছে অস্ত্রগুলো বিক্রি করার জন্য এনেছিলো তাদের কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে। তাদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।' তাদের গ্রেফতার করা হবে বলে জানান তিনি।
গোয়েন্দা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,খাইরুলকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানতে পেরেছে, তার বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণার উপান নগরের সাতবাড়িয়া সুন্দরপুর এলাকায়। তার বাবার নাম মৃত রমজান মণ্ডল। সে বেশ কয়েকবছর ধরে অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে ঢুকে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবসা করে আসছিল। যাশোরের পুটখালী এলাকায় সে বিয়েও করেছে। তার স্ত্রী উত্তর চব্বিশপরগণায় থাকে। বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে সে শশুরবাড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্র ব্যবসার পার্টনারদের সঙ্গে থাকতো। সর্বশেষ সে আড়াই মাস আগে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে।
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান,খাইরুলের আরও কয়েক সহযোগীর নাম পেয়েছেন। তারা সবাই বাংলাদেশি। এদের মধ্যে বাদশাহ মল্লিক, আলাউদ্দিন আলা ও জনি দেউড়ী উল্লেখযোগ্য। এরা দুজনই যশোরের বেনাপোল থানাধীন বারোপাতা ও রঘুনাথপুরের বাসিন্দা। অভিযানের সময় এই দুইজনও খাইরুলের সঙ্গে অবস্থান করছিল। পুলিশের অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে এরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
যশোরের বেনাপোল সীমান্ত থেকে কয়েক হাত বদল করে অস্ত্র আসে ঢাকায়। তারপর ঢাকার বিভিন্ন সন্ত্রাসীগ্রুপের কাছে প্রতিটি অস্ত্র ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। তবে সীমান্ত এলাকায় কেউ অস্ত্র কিনতে চাইলে তা আরও কম দামে বিক্রি করা হতো। দশটি অস্ত্রসহ গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাবাদে এসব তথ্য জানিয়েছে অস্ত্র ব্যবসায়ী ভারতীয় নাগরিক খাইরুল মণ্ডল ওরফে শরীফুল মণ্ডল ওরফে শরীফুল (৪১)। সোমবার রাতে তাকে রাজধানীর গাবতলী এলাকা থেকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল। মঙ্গলবার তাকে আদালতে সোপর্দ করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন জানায় পুলিশ। আদালত শুনানি শেষে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে।
এর আগে সোমবার রাতেই কয়েকজন সহযোগীসহ খাইরুলের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে দারুস সালাম থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার মহররম আলী বলেন, 'খাইরুল একজন বড় অস্ত্র ব্যবসায়ী। কয়েক সহযোগীসহ সে অস্ত্রগুলো ঢাকায় এনেছিল সন্ত্রাসীগ্রুপের কাছে বিক্রি করতে। কিন্তু গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অস্ত্রসহ খাইরুলকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে খাইরুলের সহযোগীরা পালিয়ে গেছে। তাদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।'
মহররম আলী জানান, 'খাইরুল ঢাকায় যাদের কাছে অস্ত্রগুলো বিক্রি করার জন্য এনেছিলো তাদের কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে। তাদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।' তাদের গ্রেফতার করা হবে বলে জানান তিনি।
গোয়েন্দা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,খাইরুলকে জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানতে পেরেছে, তার বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণার উপান নগরের সাতবাড়িয়া সুন্দরপুর এলাকায়। তার বাবার নাম মৃত রমজান মণ্ডল। সে বেশ কয়েকবছর ধরে অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে ঢুকে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবসা করে আসছিল। যাশোরের পুটখালী এলাকায় সে বিয়েও করেছে। তার স্ত্রী উত্তর চব্বিশপরগণায় থাকে। বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে সে শশুরবাড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্র ব্যবসার পার্টনারদের সঙ্গে থাকতো। সর্বশেষ সে আড়াই মাস আগে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে।
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান,খাইরুলের আরও কয়েক সহযোগীর নাম পেয়েছেন। তারা সবাই বাংলাদেশি। এদের মধ্যে বাদশাহ মল্লিক, আলাউদ্দিন আলা ও জনি দেউড়ী উল্লেখযোগ্য। এরা দুজনই যশোরের বেনাপোল থানাধীন বারোপাতা ও রঘুনাথপুরের বাসিন্দা। অভিযানের সময় এই দুইজনও খাইরুলের সঙ্গে অবস্থান করছিল। পুলিশের অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে এরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
