নিজস্ব প্রতিনিধি :
বিরিয়ানি ভাতের সাথে বিষ মিশিয়ে নিজের ২ শিশু কন্যা সন্তান হত্যাকারী ঘাতক পিতা মিজানুল হক ১বছেরেও গ্রেপ্তার হয়নি। বিভিন্ন ছলচাতুরীর মাধ্যমে আইনের ফাঁক দিয়ে বের হয়ে যাওয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তিনি।
বর্তমানে ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলার চার্জশীটের বিরুদ্ধে নারাজী চেয়ে পুনরায় তদন্ত করার দাবী জানিয়ে চকরিয়া ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে আবেদন করেছেন নিহত ২ শিশু কন্যার মাতা ইয়াছমিন আক্তার বুলু। ঘাতক পিতা মিজানুল হক প্রকাশ মিজান ড্রাইভার পেকুয়া উপজেলার বাঘগুজারার কালু সিকদারের পুত্র।
চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পশ্চিম মাইজপাড়ার মোজাম্মেল হকের কন্যা ইয়াছমিন আক্তার বুলু গত ১ আগষ্ট চকরিয়া ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে লিখিত অভিযোগের জানান, ২০০৪ সালে পেকুয়া উপজেলা বাঘগুজারার মো: সিকদারের পুত্র মিজানুল হকের সাতে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পরবর্তী তাদের সংসারে ২ শিশু কন্যা জন্ম হয়েছে। কিন্তু ১ বছর পূর্বে তার স্বামী অপর এক মাইয়ার সাথে পরকিয়া প্রেমে পড়ে তাকে প্রায় সময় মারধর করতেন। এমনকি তাকে গলা টিপে হত্যার চেষ্টাও করেছিল। সর্বশেষ গত ২০১৫ সালের ১৩ অক্টোবর চিরিঙ্গা বাজারস্থ ক্যান্ডি বিরানী হাউজ থেকে ৩টি বিরাণীর প্যাকেট এবং তার ২ শিশু কন্যাকে খাওয়ায়। এতে তার শিশু ক্যা সানজিনা ইয়াছমিন মিলি বমি করে মাটিতে ঢলে পড়ে। সাথে সাথে তার বড় কন্যা সানজিনাকে আক্তার মাহিও বমি করে মাটিতে ঢলে পড়ে। এমতাবস্থায় তাকে এবং তার ২ কন্যাকে শ্বশুরবাড়ীর লোকজন উদ্ধার করে চকরিয়াস্থ জম জম হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারে ছোট কন্যা সানজিনা ইয়াছমিন মিলি মৃত্যুকোলে ঢরে পড়ে । এ অবস্থায় তার লম্পট স্বামী মিজানুর হক লাশ ফেলে পালিয়ে যায়। পরে তার ভাই ও আত্মীয় স্বজনরা এসে মুমূর্ষূ অবস্থায় তাকে এবং তার বড় কন্যা সিমজিলা আক্তার মাহিকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ ঘটনা পুরো কক্সবাজার জেলায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ২ মিমু কন্যার লাশ দাফন করার পর ইয়াছমিন আক্তার বুলু জানান, পরকিয়া প্রেমে পড়ে তার স্বামী মিজানুল হক ভাতে সাতে বিষ মিশিয়ে তাকে এবং তার শিশু কন্যাদের হত্যা করে বিয়ের পথ সুগম করার চেষ্টা করে। এতে ২ শিশু কন্যার মৃত্যু ঘটে । এ হত্যা মামলার আসামীর সাথে তদন্তকারী দারোগা আতাত করে হত্যা কারীকে ভিন্ন হাতে প্রবাহিত করতে দায়সারা গোছর ভাবে চার্জশীট দিয়েছে। ফলে উক্ত মামলা পুনরায় তদন্ত করার জন্য ইয়াছমিন আক্তার বুলু গত ১ মাস চকরিয়া ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে অবিযোগটি দায়ে করে। বর্তমানে বাদীনী তার দু’ কন্যা সন্তান হত্যাকারী ঘাতক স্বামী মিজানুল হেেকর ফাঁসীর দাবী জানান। কিন্তু ২ কন্যা হত্যাকারী পেকুয়ার মিজানুর হক ড্রাইভার এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। অথচ ঘটনা প্রায় ১ বছর অতিবাহিত হয়েছে।
c