স্পোর্টস বার্তা:
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টে ২৮৬ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। আট উইকেট হারালেও এখনো স্বপ্ন দেখাচ্ছে টাইগাররা। সেই স্বপ্নের নায়ক হতে পারেন সাব্বির। কারণ তার রানের ওপর ভর করে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ।
দিনশেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৫৩ রান করেছে টাইগাররা। সাব্বির ৫৯ এবং তাইজুল ১১ রান নিয়ে অপরাজিত রয়েছেন।
রবিবার সকালে ৮ উইকেটে ২২৮ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে সফরকারী ইংল্যান্ড। ১২ রান যোগ করে অলআউট হয় তারা। আগের ৪৫ রানসহ ইংল্যান্ডের লিড দাঁড়ায় ২৮৫ রানে।
২৮৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ওয়ানডে স্টাইলেই করেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস।
তবে দলীয় ৩৫ রানে তামিম ইকবাল ইংলিশদের নিজের উইকেট উপহার দিয়ে ফেরেন। মঈন আলীর বলে তিনি শর্টলেগে ব্যালান্সের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৯ রান করে।
প্রথম ইনিংসে তিনি ৭৮ রান করেছিলেন। এরপর ইমরুল ও মুমিনুল হক দলের হাল ধরেন। কিন্তু কারও ব্যাটেই টেস্ট ক্রিকেটের মেজাজ লক্ষ্য করা যায়নি। দলীয় ৮১ রানে আদিল রশিদকে সুইপ করতে গিয়ে ইমরুল জো রুটের তালুবন্দি হন। তিনি ৬১ বলে ৬ চারে ৪৩ রান করেন।
এরপর দলীয় ১০৩ রানে গ্যারেথ ব্যাটির বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন মুমিনুল। তিনি ২৭ রান করেন। মুমিনুলের পর দ্রুতই ফিরে যান মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তিনি করেন ১৭ রান। আর বাংলাদেশ শিবিরে সবচেয়ে বড় আঘাত আসে দলীয় ১৪০ রানে। দারুণ খেলতে থাকা সাকিবকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানিয়ে তুলে নেন মঈন আলী। সাকিব ২৪ রান করেন।
সাকিব ফিরে গেলে সাব্বিরের সঙ্গে ৮৭ রানের বড় জুটি গড়েন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। তাদের জুটিতে জয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকে টাইগাররা। তবে মুশফিককে ফিরিয়ে দিয়ে ইংল্যান্ডকে খেলায় ফিরিয়ে আনেন ব্যাটি। মুশফিক ৩৯ রান করেন। এরপর দ্রুত ফিরে যান মেহদেী হাসান মিরাজ। বল হাতে আলো ছড়ালেও ব্যাট হাতে ব্যর্থ তিনি। মাত্র ১ রান করে ব্রডের শিকার হন মিরাজ।
এরপর আবারো আঘাত হানেন ব্রড। কামরুল ইসলাম রাব্বীকে ০ রানে সাজঘরে পাঠান ব্রড।
চট্টগ্রাম টেস্টে টস জিতে ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে করেছিল ২৯৩ রান। জবাবে ভালো শুরু করেও স্বাগতিক বাংলাদেশ ২৪৮ রানে গুটিয়ে যায়।
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে চতুর্থ ইনিংসে আগে দুই শতাধিক রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড বাংলাদেশের নেই। অতীতে এমন রান তিনবার চ্যালেঞ্জ করতে গিয়ে প্রত্যেকবারই হেরেছে টাইগাররা।
চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ ২১৫ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড আছে বাংলাদেশের, ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেন্ট জর্জে।
তবে একটা আশার আলো ঠিকই রয়েছে। কোনো দলকে দু'বার অলআউট করে এখন পর্যন্ত টেস্টে বাংলাদেশ হারেনি।
এখন দেখার, দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৬ রান তাড়া করে মুশফিকরা সেই রেকর্ড নিজেদের করে নিতে পারেন কি না।
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টে ২৮৬ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। আট উইকেট হারালেও এখনো স্বপ্ন দেখাচ্ছে টাইগাররা। সেই স্বপ্নের নায়ক হতে পারেন সাব্বির। কারণ তার রানের ওপর ভর করে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ।
দিনশেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৫৩ রান করেছে টাইগাররা। সাব্বির ৫৯ এবং তাইজুল ১১ রান নিয়ে অপরাজিত রয়েছেন।
রবিবার সকালে ৮ উইকেটে ২২৮ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে সফরকারী ইংল্যান্ড। ১২ রান যোগ করে অলআউট হয় তারা। আগের ৪৫ রানসহ ইংল্যান্ডের লিড দাঁড়ায় ২৮৫ রানে।
২৮৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ওয়ানডে স্টাইলেই করেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস।
তবে দলীয় ৩৫ রানে তামিম ইকবাল ইংলিশদের নিজের উইকেট উপহার দিয়ে ফেরেন। মঈন আলীর বলে তিনি শর্টলেগে ব্যালান্সের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৯ রান করে।
প্রথম ইনিংসে তিনি ৭৮ রান করেছিলেন। এরপর ইমরুল ও মুমিনুল হক দলের হাল ধরেন। কিন্তু কারও ব্যাটেই টেস্ট ক্রিকেটের মেজাজ লক্ষ্য করা যায়নি। দলীয় ৮১ রানে আদিল রশিদকে সুইপ করতে গিয়ে ইমরুল জো রুটের তালুবন্দি হন। তিনি ৬১ বলে ৬ চারে ৪৩ রান করেন।
এরপর দলীয় ১০৩ রানে গ্যারেথ ব্যাটির বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন মুমিনুল। তিনি ২৭ রান করেন। মুমিনুলের পর দ্রুতই ফিরে যান মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তিনি করেন ১৭ রান। আর বাংলাদেশ শিবিরে সবচেয়ে বড় আঘাত আসে দলীয় ১৪০ রানে। দারুণ খেলতে থাকা সাকিবকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানিয়ে তুলে নেন মঈন আলী। সাকিব ২৪ রান করেন।
সাকিব ফিরে গেলে সাব্বিরের সঙ্গে ৮৭ রানের বড় জুটি গড়েন অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। তাদের জুটিতে জয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকে টাইগাররা। তবে মুশফিককে ফিরিয়ে দিয়ে ইংল্যান্ডকে খেলায় ফিরিয়ে আনেন ব্যাটি। মুশফিক ৩৯ রান করেন। এরপর দ্রুত ফিরে যান মেহদেী হাসান মিরাজ। বল হাতে আলো ছড়ালেও ব্যাট হাতে ব্যর্থ তিনি। মাত্র ১ রান করে ব্রডের শিকার হন মিরাজ।
এরপর আবারো আঘাত হানেন ব্রড। কামরুল ইসলাম রাব্বীকে ০ রানে সাজঘরে পাঠান ব্রড।
চট্টগ্রাম টেস্টে টস জিতে ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে করেছিল ২৯৩ রান। জবাবে ভালো শুরু করেও স্বাগতিক বাংলাদেশ ২৪৮ রানে গুটিয়ে যায়।
জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে চতুর্থ ইনিংসে আগে দুই শতাধিক রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড বাংলাদেশের নেই। অতীতে এমন রান তিনবার চ্যালেঞ্জ করতে গিয়ে প্রত্যেকবারই হেরেছে টাইগাররা।
চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ ২১৫ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড আছে বাংলাদেশের, ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সেন্ট জর্জে।
তবে একটা আশার আলো ঠিকই রয়েছে। কোনো দলকে দু'বার অলআউট করে এখন পর্যন্ত টেস্টে বাংলাদেশ হারেনি।
এখন দেখার, দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৬ রান তাড়া করে মুশফিকরা সেই রেকর্ড নিজেদের করে নিতে পারেন কি না।
