মোঃ নিজাম উদ্দিন।।
চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নে একটি মামলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে যেকোন সময় সংঘর্ষের আসংখ্যা করা হচ্ছে।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর পার্বত্য উপজেলার লামা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে দায়ের করা একটি মামলা নিয়ে ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজ পাড়া গ্রামে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ওই গ্রামের মৃত ডাঃ এন. এইচ হাবীবুল্লাহর পুত্র মনজুরুল হাসান মানিকের সাথে দীর্ঘদিন ধরে ভিটে-বাড়ির সীমানা নিয়ে বীরুধ চলে আসছিল তার পার্শ্ববর্তী আবু ছিদ্দিক প্রকাশ বর্মাইয়া ছিদ্দিকের ছেলে আব্দুল বারেক মুন্সির সাথে। উল্লেখিত মামলার আসামী মানিক জানান আদালতের ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এমনকি মামলার বাদিকে পর্যন্তও সে চিনেনা। যেহেতু বারেক মুন্সি লামা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে দলিল লিখার কাজে কর্মরত আছে ওই সুবাদে শুত্রুতার জের ধরে তার বিরুদ্ধে এ কর্মকান্ড করছে। বারেক মুন্সি আক্রোশ বশত অজ্ঞাত একটি মামলা লিখার সময় অন্যজনের নাম বাদ দিয়ে তার নামটি বসিয়ে দিয়েছেন বলে দাবী করেন।
এদিকে এলাকাবাসী মিথ্যে মামলাটির প্রতি নিন্দা জানান। তাদের বক্তব্যে জানা যায় অত্যান্ত তীক্ন বুদ্ধি দিয়ে ধরি মাছ না ছুঁই পানি প্রবাদের ভিত্তিতে মামলাকে শত্রু দমনের ফাঁদ হিসেবে ব্যবহার করেন ওই বারেক মুন্সি। এব্যাপারে ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য ফরিদুল আলম বলেন 'বিষয়টি আমি অবগত রয়েছি এবং এর সুস্থ সমাধানের জন্য ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিনকে জানানো হয়েছে।' আব্দুল বারেক মুন্সী এঘটনাটি অস্বীকার করে বলেন 'আমি এব্যাপারে কিছুই জানিনা। শত্রুতাকারী আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দিচ্ছে।'
বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উভয়ের মধ্যে প্রতিনিয়ত বাকবিতণ্ডা চলে আসছে। এনিয়ে যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সম্ভাবনা রয়েছে। যথাযথ তদন্ত পূর্বক বিষয়টি সুস্থ সমাধানে স্থানীয় ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর পার্বত্য উপজেলার লামা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে দায়ের করা একটি মামলা নিয়ে ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজ পাড়া গ্রামে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ওই গ্রামের মৃত ডাঃ এন. এইচ হাবীবুল্লাহর পুত্র মনজুরুল হাসান মানিকের সাথে দীর্ঘদিন ধরে ভিটে-বাড়ির সীমানা নিয়ে বীরুধ চলে আসছিল তার পার্শ্ববর্তী আবু ছিদ্দিক প্রকাশ বর্মাইয়া ছিদ্দিকের ছেলে আব্দুল বারেক মুন্সির সাথে। উল্লেখিত মামলার আসামী মানিক জানান আদালতের ওই মামলায় তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এমনকি মামলার বাদিকে পর্যন্তও সে চিনেনা। যেহেতু বারেক মুন্সি লামা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে দলিল লিখার কাজে কর্মরত আছে ওই সুবাদে শুত্রুতার জের ধরে তার বিরুদ্ধে এ কর্মকান্ড করছে। বারেক মুন্সি আক্রোশ বশত অজ্ঞাত একটি মামলা লিখার সময় অন্যজনের নাম বাদ দিয়ে তার নামটি বসিয়ে দিয়েছেন বলে দাবী করেন।
এদিকে এলাকাবাসী মিথ্যে মামলাটির প্রতি নিন্দা জানান। তাদের বক্তব্যে জানা যায় অত্যান্ত তীক্ন বুদ্ধি দিয়ে ধরি মাছ না ছুঁই পানি প্রবাদের ভিত্তিতে মামলাকে শত্রু দমনের ফাঁদ হিসেবে ব্যবহার করেন ওই বারেক মুন্সি। এব্যাপারে ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য ফরিদুল আলম বলেন 'বিষয়টি আমি অবগত রয়েছি এবং এর সুস্থ সমাধানের জন্য ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিনকে জানানো হয়েছে।' আব্দুল বারেক মুন্সী এঘটনাটি অস্বীকার করে বলেন 'আমি এব্যাপারে কিছুই জানিনা। শত্রুতাকারী আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ দিচ্ছে।'
বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উভয়ের মধ্যে প্রতিনিয়ত বাকবিতণ্ডা চলে আসছে। এনিয়ে যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সম্ভাবনা রয়েছে। যথাযথ তদন্ত পূর্বক বিষয়টি সুস্থ সমাধানে স্থানীয় ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।
