স্পোর্টস ডেস্ক:
লিগে আগের ছয় ম্যাচে মাত্র ২ গোল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে নয় ম্যাচে ছিল ৪ গোল। সে জন্য কত সমালোচনাই না শুনতে হচ্ছিল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে।রিয়াল মাদ্রিদে আসার পর মৌসুমের শুরুতে এমন অবস্থা এর আগে যে কখনো দেখতে হয়নি পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডকে।
সংশয়, সমালোচনা – সব আজ এক ফুৎকারেই উড়িয়ে দিলেন ৩১ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড।রোনালদো-স্টাইলেই হ্যাটট্রিক করেছেন রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড, সেটির সৌজন্যে প্রথমে পিছিয়ে পড়েও জিনেদিন জিদানের দল জিতল ৪-১ গোলে।
অন্য গোলটি মোরাতার।
আলাভেসের সঙ্গে এবার মৌসুমে রিয়ালের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলই হোঁচট খেয়েছে। অ্যাটলেটিকো করেছে ড্র, বার্সেলোনা তো হেরেই গেছে। রিয়ালেরও তেমন কিছু হয় কি না, সমর্থকদের এমন শঙ্কা তো কিছুটা ছিলই ম্যাচের আগে। শঙ্কাটা ভয়ে রূপ নিল ম্যাচের ৭ মিনিটে। আলাভেসের কামারাসের ক্রস ঠেকাতে গিয়ে উল্টো ডেইভারসনের দিকে ঠেলে দেন রিয়াল গোলকিপার কেইলর নাভাস,সেখান থেকে গোল করতে কোনো কষ্টই হয়নি ডেইভারসনের।
কিন্তু দশ মিনিট পরই ভয়টা অনেকটা কেটে যায় রিয়াল সমর্থকদের। রোনালদোই কাটিয়ে দিলেন,পেনাল্টি থেকে গোল করে। গ্যারেথ বেলের ফ্রি কিক ঠেকাতে গিয়ে মানবদেয়ালে দাঁড়ানো আলাভেসের এক ডিফেন্ডারের হাতে লাগে বল, সেটি থেকে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করতে কোনো কষ্টই হয়নি রোনালদোর।তবে এটিও কী আর সমালোচনা কমাবে।নিন্দুকেরা তো উল্টো নাক সিঁটকে বলতো,গোল তো করলো সেটিও পেনাল্টি থেকে। সেটির সুযোগই দিলেন না পর্তুগিজ যুবরাজ। ৩৩ মিনিটে বক্সের বাইরে বেনজেমার পাস পেলেন, সেখান থেকেই জোরালো শট। বক্সের একেবারে নিচের কোণ দিয়ে যাওয়া শটটা চেয়ে চেয়ে দেওয়া ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না আলাভেস গোলরক্ষকের।
জোড়া গোল হলো, হ্যাটট্রিকটাও আরও আগেই পেয়ে যেতে পারতেন রোনালদো। কিন্তু ৭৮ মিনিটে পেনাল্টি পেয়েও গোল করতে পারলেন না পর্তুগিজ অধিনায়ক। কিন্তু সেটি নিয়ে মন খারাপ করার সুযোগ দিলেন কই। ছয় মিনিট পরই বক্সের মধ্যে মার্সেলোর পাস পেলেন, সেটি জড়িয়ে দিলেন জালে। হ্যাটট্রিক রোনালদোর, রিয়ালের জয়টাও তখন নিশ্চিত।
সেটিকেই আরও মধুর করে দিলেন আলভারো মোরাতা। ৮৮ মিনিটে দুর্দান্ত চিপে গোল করে জিনেদিন জিদানের মুখের হাসিটা আরও চওড়া করে দিলেন স্প্যানিশ স্ট্রাইকার।
লিগে আগের ছয় ম্যাচে মাত্র ২ গোল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে নয় ম্যাচে ছিল ৪ গোল। সে জন্য কত সমালোচনাই না শুনতে হচ্ছিল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে।রিয়াল মাদ্রিদে আসার পর মৌসুমের শুরুতে এমন অবস্থা এর আগে যে কখনো দেখতে হয়নি পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডকে।
সংশয়, সমালোচনা – সব আজ এক ফুৎকারেই উড়িয়ে দিলেন ৩১ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড।রোনালদো-স্টাইলেই হ্যাটট্রিক করেছেন রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড, সেটির সৌজন্যে প্রথমে পিছিয়ে পড়েও জিনেদিন জিদানের দল জিতল ৪-১ গোলে।
অন্য গোলটি মোরাতার।
আলাভেসের সঙ্গে এবার মৌসুমে রিয়ালের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলই হোঁচট খেয়েছে। অ্যাটলেটিকো করেছে ড্র, বার্সেলোনা তো হেরেই গেছে। রিয়ালেরও তেমন কিছু হয় কি না, সমর্থকদের এমন শঙ্কা তো কিছুটা ছিলই ম্যাচের আগে। শঙ্কাটা ভয়ে রূপ নিল ম্যাচের ৭ মিনিটে। আলাভেসের কামারাসের ক্রস ঠেকাতে গিয়ে উল্টো ডেইভারসনের দিকে ঠেলে দেন রিয়াল গোলকিপার কেইলর নাভাস,সেখান থেকে গোল করতে কোনো কষ্টই হয়নি ডেইভারসনের।
কিন্তু দশ মিনিট পরই ভয়টা অনেকটা কেটে যায় রিয়াল সমর্থকদের। রোনালদোই কাটিয়ে দিলেন,পেনাল্টি থেকে গোল করে। গ্যারেথ বেলের ফ্রি কিক ঠেকাতে গিয়ে মানবদেয়ালে দাঁড়ানো আলাভেসের এক ডিফেন্ডারের হাতে লাগে বল, সেটি থেকে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করতে কোনো কষ্টই হয়নি রোনালদোর।তবে এটিও কী আর সমালোচনা কমাবে।নিন্দুকেরা তো উল্টো নাক সিঁটকে বলতো,গোল তো করলো সেটিও পেনাল্টি থেকে। সেটির সুযোগই দিলেন না পর্তুগিজ যুবরাজ। ৩৩ মিনিটে বক্সের বাইরে বেনজেমার পাস পেলেন, সেখান থেকেই জোরালো শট। বক্সের একেবারে নিচের কোণ দিয়ে যাওয়া শটটা চেয়ে চেয়ে দেওয়া ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না আলাভেস গোলরক্ষকের।
জোড়া গোল হলো, হ্যাটট্রিকটাও আরও আগেই পেয়ে যেতে পারতেন রোনালদো। কিন্তু ৭৮ মিনিটে পেনাল্টি পেয়েও গোল করতে পারলেন না পর্তুগিজ অধিনায়ক। কিন্তু সেটি নিয়ে মন খারাপ করার সুযোগ দিলেন কই। ছয় মিনিট পরই বক্সের মধ্যে মার্সেলোর পাস পেলেন, সেটি জড়িয়ে দিলেন জালে। হ্যাটট্রিক রোনালদোর, রিয়ালের জয়টাও তখন নিশ্চিত।
সেটিকেই আরও মধুর করে দিলেন আলভারো মোরাতা। ৮৮ মিনিটে দুর্দান্ত চিপে গোল করে জিনেদিন জিদানের মুখের হাসিটা আরও চওড়া করে দিলেন স্প্যানিশ স্ট্রাইকার।
