নিজস্ব প্রতিনিধি:
ইয়াবা সেবনের টাকা জোগাড়ে জুতা চুরির সময় সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে উত্তম মাধ্যম দেয়ার পর গলায় জুতার মালা পরানো হয়েছে এক যুবককে।
বুধবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ২ টার সময় টেকনাফের শহীদ আলী উল্লাহ আলো শপিং কমপ্লেক্সে ঘটে এ ঘটনা।
আলো গ্রুপের ম্যানেজার মোহাম্মদ ইসলাম বলেন আলো শপিং কমপ্লেক্সে ব্যবসায়ীদের জান-মাল ও আইনশৃঙ্খলার নিরাপত্তা রক্ষায় মার্কেটে ২০টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। বিকালে সিসি ক্যামেরা মনিটরিং করার সময় ৩য় তলার একটি এসি অফিসের সামনে থাকা জুতা সেন্ডেল এক যুবককে বস্তায় ভরতে দেখা যায়। আটকের পর যুবকটি নিজের পরিচয় দিতে গিয়ে বলেন আমি আরিফ উল্লাহ (২৮) পৌরসভার জালিয়াপাড়ায় বসবাস করি। ইয়াবা সেবনের টাকা জোগাড় করতে জুতা, দোকানের মালামালসহ যখন যা সুযোগ হয় চুরি ছিনতাই করি। জুতা চোর আরিফ উল্লাহর ২ সন্তান ও স্ত্রী রয়েছে বলে স্বীকার করে উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে বলেন ভাই আমি এখানে সিসি ক্যামরা আছে তা জানতাম না। ইয়াবা সেবনে মানুষ নষ্ট হয়ে যায়। চুরি, ছিনতাই করে মার খেতে হয়। মান সম্মান চলে যায়। আমাকে এলাকায় সবাই একজন নষ্ট মানুষ হিসাবে জানে। কেউ বিশ^াস করেনা, এমনকি আমার স্ত্রী ও সন্তারাও দেখতে পারেনা। পরে জুতা চুরির দায়ে আরিফ উল্লাহকে গলায় জুতার মালা পরিয়ে ঘুরানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, টেকনাফের প্রতি পরিবারে বর্তমানে ইয়াবা সেবী সন্তান তৈরী হওয়ার পেছনে প্রতি গ্রামে খুচরা ইয়াবা বিক্রি, ইয়াবার সহজ লভ্যতা, চুরি করা মালের বিনিমিয়ে ইয়াবা পাওয়া, প্রশাসনিক দূর্বলতা ও পরিবারের অবহেলা ইত্যাদি মূল কারন হিসাবে সচেতন মহল মনে করছেন। শুধু আরিফ উল্লাহ নয়, টেকনাফের প্রায় নামী দামী পরিবারেই সৃষ্টি হয়েছে হাজারো মাদক সেবী আরিফ উল্লাহ। যাদের নির্যাতনে মা-বাবা ঘর হারা ও সম্মান হারা। এমনকি নিজের সন্তানের নির্যাতন থেকে রক্ষা পেতে টাকা খরচ করে জেলে পাঠানোর অনেক ঘটনা রয়েছে।
ইয়াবা সেবনের টাকা জোগাড়ে জুতা চুরির সময় সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে উত্তম মাধ্যম দেয়ার পর গলায় জুতার মালা পরানো হয়েছে এক যুবককে।
বুধবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ২ টার সময় টেকনাফের শহীদ আলী উল্লাহ আলো শপিং কমপ্লেক্সে ঘটে এ ঘটনা।
আলো গ্রুপের ম্যানেজার মোহাম্মদ ইসলাম বলেন আলো শপিং কমপ্লেক্সে ব্যবসায়ীদের জান-মাল ও আইনশৃঙ্খলার নিরাপত্তা রক্ষায় মার্কেটে ২০টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। বিকালে সিসি ক্যামেরা মনিটরিং করার সময় ৩য় তলার একটি এসি অফিসের সামনে থাকা জুতা সেন্ডেল এক যুবককে বস্তায় ভরতে দেখা যায়। আটকের পর যুবকটি নিজের পরিচয় দিতে গিয়ে বলেন আমি আরিফ উল্লাহ (২৮) পৌরসভার জালিয়াপাড়ায় বসবাস করি। ইয়াবা সেবনের টাকা জোগাড় করতে জুতা, দোকানের মালামালসহ যখন যা সুযোগ হয় চুরি ছিনতাই করি। জুতা চোর আরিফ উল্লাহর ২ সন্তান ও স্ত্রী রয়েছে বলে স্বীকার করে উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে বলেন ভাই আমি এখানে সিসি ক্যামরা আছে তা জানতাম না। ইয়াবা সেবনে মানুষ নষ্ট হয়ে যায়। চুরি, ছিনতাই করে মার খেতে হয়। মান সম্মান চলে যায়। আমাকে এলাকায় সবাই একজন নষ্ট মানুষ হিসাবে জানে। কেউ বিশ^াস করেনা, এমনকি আমার স্ত্রী ও সন্তারাও দেখতে পারেনা। পরে জুতা চুরির দায়ে আরিফ উল্লাহকে গলায় জুতার মালা পরিয়ে ঘুরানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, টেকনাফের প্রতি পরিবারে বর্তমানে ইয়াবা সেবী সন্তান তৈরী হওয়ার পেছনে প্রতি গ্রামে খুচরা ইয়াবা বিক্রি, ইয়াবার সহজ লভ্যতা, চুরি করা মালের বিনিমিয়ে ইয়াবা পাওয়া, প্রশাসনিক দূর্বলতা ও পরিবারের অবহেলা ইত্যাদি মূল কারন হিসাবে সচেতন মহল মনে করছেন। শুধু আরিফ উল্লাহ নয়, টেকনাফের প্রায় নামী দামী পরিবারেই সৃষ্টি হয়েছে হাজারো মাদক সেবী আরিফ উল্লাহ। যাদের নির্যাতনে মা-বাবা ঘর হারা ও সম্মান হারা। এমনকি নিজের সন্তানের নির্যাতন থেকে রক্ষা পেতে টাকা খরচ করে জেলে পাঠানোর অনেক ঘটনা রয়েছে।
