বিনোদন ডেস্ক:
ছবিটা ‘হাউসফুল’ যাচ্ছে- দেশীয় চলচ্চিত্রের বেলায় এমন কথা কিংবা তকমা এখন অলীক প্রায়। কালেভদ্রে শাকিব খাননির্ভর দুই একটি শো হাউসফুল গেলেও সেটি ঈদে-চাঁদে ঘটে।
সেক্ষেত্রে লম্বা বিরতি শেষে ‘হাউসফুল’ ঐতিহ্যের প্রত্যাবর্তন ঘটলো ‘আয়নাবাজি’র হাত ধরে। গেল শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ছবিটি দেশের ২১টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। খবর মিলেছে, গেল সাত দিনের প্রতিটি শো ছিল হাউসফুল। এখনও চলছে টিকিট কাউন্টারে দর্শকের হাহাকার, কালোবাজারি আর ভাঙচুরের ঘটনা।
নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী, গল্পকার গাউসুল আলম শাওন, প্রযোজক জিয়াউদ্দিন আদিল এবং অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীদের হাত ধরে ‘আয়নাবাজি’ সত্যিই বাজিমাত করেছে, চলচ্চিত্রের পুরনো ধারাকে দেখিয়ে দিলো ভেলকি।
সেই ধারাবাহিকতা থাকছে নতুন সপ্তাহেও। কাল, শুক্রবার (৭ অক্টোবর) ছবিটি ঢাকার ঐতিহ্যবাহী মধুমিতা এবং চট্টগ্রামের আলমাস সিনেমাসহ দেশের মোট ২৩টি প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে ছবিটি। এরমধ্যে প্রতিদিন ১০টি করে শো হবে নগরীর বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্স ও ৬টি করে শো হবে যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টার সিনেমাসে।
‘আয়নাবাজি’র পোস্টার। যেটি নকলের অভিযোগ রয়েছে।
‘আয়নাবাজি’র পোস্টারে চঞ্চল চৌধুরী।
ছবিটির অন্যতম অংশীদার টম ক্রিয়েশন্স সূত্র জানায়, কাল শুক্রবার থেকে দ্বিতীয় সপ্তাহের জন্য ছবিটি চলবে, ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্স, ব্লকবাস্টার সিনেমাস, আনন্দ সিনেমা, সেনা সিনেমা, শ্যামলী সিনেমা, রাজমনি, গৌরি, মধুমিতা, বালাকা, শাহিন হল, খুলনার সংগীতা, বৈরবের দর্শন, নওগাঁ'র তাজ সিনেমা, ঝিনাইদহের ছবিঘর, বগুড়ার মধুবন, চট্টগ্রামের আলমাস, পাবনার রূপকথা, কালিয়াকৈরের সাগর, শেরপুরের রূপকথা, ফেনীর দুলাল সিনেমা, টাঙ্গাইলের মালঞ্চ এবং ময়মনসিংহের ছায়াবানী প্রেক্ষাগৃহে।
ছবিটি টানা এক সপ্তাহ হাউসফুল যাওয়া সত্ত্বেও দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে তুলনামূলক কম প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনের কারণ হিসেবে প্রযোজক জিয়াউদ্দিন আদিল বলেন, ‘প্রথম থেকেই ধীরে চলো নীতি অবলম্বন করছি। আমরা চাই ছবিটি আস্তে আস্তে সারাদেশে ছড়িয়ে যাক। চাই এটি দেখার জন্য দর্শকরা অপেক্ষায় থাকুক। এটাও বিশ্বাস আমাদের, হল সংখ্যা কখনোই একটি ছবি হিটের জন্য বড় ফ্যাক্টর নয়। ছবির গল্প এবং নির্মাণটাই আসল। প্রথম সপ্তাহের হাউসফুল ফলাফলের পর আমাদের এই ধারণা সত্যি হয়েছে। এভাবেই আমরা এগুতে চাই।’
