তামিরুল ইসলাম মিল্লাত:::
স্টাফ রিপোর্টার ।।
"আত্মীয় স্বজন থেকে পাওয়া মাংসটুকু রান্না করার জন্য তেল মসল্লা যোগাড় করতে পারবো কিনা জানিনা"-
এটি কোন দিন মজুর কিংবা ফকিরের কথা নয়! অথবা উপার্জন অক্ষম কোন সাধারণ ব্যক্তিরও নয়।কথাটা একজন সম্মানিত শিক্ষকের।হ্যা সরকারি এম.পি.ও ভূক্ত একজন শিক্ষকের যারা হচ্ছেন দেশ ও জাতি গড়ার কারিগর! অথচ এই শিক্ষকদের আজকে হতাশ হতে হয় মাসের পর মাস বেতন বঞ্চিত হয়ে।যে বেতনের উপর নির্ভর থাকে পুরো পরিবার আর যে বেতন নিয়ে কুরবানি দেওয়ার আশায় অপেক্ষায় থাকে পুরো মাস সেই বেতনই পাচ্ছেন না বিগত ৫ মাস ধরে!!
" কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতন পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে ছুটি হয়ে গেল। পক্ষান্তরে কক্সবাজার জেলার স্বনামধন্য এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দকে বাসায় ফিরতে হল খালি হাতে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব নুরুল কবির স্যারকে বিনীতভাবে অনুরোধ করেছিলাম, এপ্রিল-১৭ হতে আগস্ট-১৭ পর্যন্ত ৫ (পাঁচ) মাসের প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত বকেয়া সম্মানি প্রদান করতে না পারলেও অন্ততঃ ঈদ বোনাস হলেও প্রদান করুন। কারণ অনেক শিক্ষক কর্মচারী শুধু মাত্র প্রাতিষ্ঠানিক সম্মানীর উপর নির্ভরশীল। তিনি সে অনুরোধটুকুও রাখলেন না। ফলে অনেকেরই কোরবানী করা সম্ভব হবেনা এমনকি সমাজ বা আত্মীয় স্বজন থেকে পাওয়া মাংসটুকু রান্না করার জন্য তেল মসল্লা যোগাড় করতে পারবেন কিনা জানিনা"-
কক্সবাজারের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতনের সিনিয়র শিক্ষক মুমিনুল হক চোধুরি মামুন তাঁর ফেইসবুক স্ট্যাটাসে এভাবেই জানালেন পুরো কিশলয় পরিবারের দুঃখের করুণ বর্ণনা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুল কবির অদৃশ্য শক্তিবলে নিজের খুঁটির জোর দেখিয়ে যাচ্ছে।এ নিয়ে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক অভিবাবক বলেন," যার প্রধান শিক্ষক হওয়ার মত কোন যোগ্যতাই নেই সে কিভাবে এতদিন প্রধান শিক্ষকের আসন দখল করে বসে আছে তা আমার বোধগাম্য নয়"।
অনুসন্ধানে করে জানা যায়,এ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের রয়েছে নানা অভিযোগ।
এ নিয়ে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ করা হলেও অদৃশ্য শক্তিবলে ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে নেয়া হচ্ছেনা কোন রকম ব্যবস্থা।এ অবস্থায় সচেতন অবিভাবকরা উক্ত স্কুলে সন্তানের ভাল পড়ালেখার মান নিয়েও সন্দিহান হয়ে পড়েছেন। অবিভাবক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সবার মধ্যে চরম ক্ষোপ দেখা গেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুল কবির বিগত দুইবছর যাবত বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের কোন হিসাব বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির কাছে উপস্থাপন না করে ব্যক্তিগত সম্পদের মত ব্যবহার করে আসতেছেন। পরিচালনা কমিটির সভাপতি এ ব্যাপারে একাধিকবার তাগিদ দিলেও কোন সাড়া পাওয়া যাইনি বলে মন্তব্য করেন।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাষ্টার রেজুর কাছে জানতে চাইলে বলেন-"প্রধান শিক্ষক নিজেই একটা সমস্যা। সৈরাচার সরকারের মত সবার সাথে আচরণ করতেছে। এত শক্তির উৎস কোথায় তা নিয়ে সবাইকে ভাবাচ্ছে"।
এখানে আরো উল্লেখ্য, বিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষক নিয়োগ এবং এম.পি.ও ভূক্তির আবেদনে ঘুষের রমরমা বানিজ্য চলেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট অনেকে।
ওবাইদুল হক নামে এক শিক্ষক জানিয়েছেন,-'ঘুষের টাকা দিইনি বলে আমি যোগ্য হয়েও এম.পি.ও ভূক্তির আবেদনে প্রধান শিক্ষক সুপারিশ করতেছেনা।আমার চেয়ে অযোগ্য এবং কম নাম্বার প্রাপ্ত সেকেন্ড ক্লাস শিক্ষক এম.পি.ওভূক্ত হয়ে গেছে। বিগত আট মাস যাবত ৮৫০ টাকা করে মাসে বেতন দেয় যে তা ও বন্ধ।এ অবস্থায় একটা মানুষ কি করে বাঁচতে পারে।মানবতা কি মরে গেছে'?
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষক নুরুল কবিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তা অস্বীকার করে বলেন-' কতিপয় ব্যক্তিবর্গ আমার বিষয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।অভিযোগ সত্য নয়'।
এটি কোন দিন মজুর কিংবা ফকিরের কথা নয়! অথবা উপার্জন অক্ষম কোন সাধারণ ব্যক্তিরও নয়।কথাটা একজন সম্মানিত শিক্ষকের।হ্যা সরকারি এম.পি.ও ভূক্ত একজন শিক্ষকের যারা হচ্ছেন দেশ ও জাতি গড়ার কারিগর! অথচ এই শিক্ষকদের আজকে হতাশ হতে হয় মাসের পর মাস বেতন বঞ্চিত হয়ে।যে বেতনের উপর নির্ভর থাকে পুরো পরিবার আর যে বেতন নিয়ে কুরবানি দেওয়ার আশায় অপেক্ষায় থাকে পুরো মাস সেই বেতনই পাচ্ছেন না বিগত ৫ মাস ধরে!!
" কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতন পবিত্র ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে ছুটি হয়ে গেল। পক্ষান্তরে কক্সবাজার জেলার স্বনামধন্য এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দকে বাসায় ফিরতে হল খালি হাতে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জনাব নুরুল কবির স্যারকে বিনীতভাবে অনুরোধ করেছিলাম, এপ্রিল-১৭ হতে আগস্ট-১৭ পর্যন্ত ৫ (পাঁচ) মাসের প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত বকেয়া সম্মানি প্রদান করতে না পারলেও অন্ততঃ ঈদ বোনাস হলেও প্রদান করুন। কারণ অনেক শিক্ষক কর্মচারী শুধু মাত্র প্রাতিষ্ঠানিক সম্মানীর উপর নির্ভরশীল। তিনি সে অনুরোধটুকুও রাখলেন না। ফলে অনেকেরই কোরবানী করা সম্ভব হবেনা এমনকি সমাজ বা আত্মীয় স্বজন থেকে পাওয়া মাংসটুকু রান্না করার জন্য তেল মসল্লা যোগাড় করতে পারবেন কিনা জানিনা"-
কক্সবাজারের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতনের সিনিয়র শিক্ষক মুমিনুল হক চোধুরি মামুন তাঁর ফেইসবুক স্ট্যাটাসে এভাবেই জানালেন পুরো কিশলয় পরিবারের দুঃখের করুণ বর্ণনা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুল কবির অদৃশ্য শক্তিবলে নিজের খুঁটির জোর দেখিয়ে যাচ্ছে।এ নিয়ে জনমনে সৃষ্টি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক অভিবাবক বলেন," যার প্রধান শিক্ষক হওয়ার মত কোন যোগ্যতাই নেই সে কিভাবে এতদিন প্রধান শিক্ষকের আসন দখল করে বসে আছে তা আমার বোধগাম্য নয়"।
অনুসন্ধানে করে জানা যায়,এ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের রয়েছে নানা অভিযোগ।
এ নিয়ে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ করা হলেও অদৃশ্য শক্তিবলে ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে নেয়া হচ্ছেনা কোন রকম ব্যবস্থা।এ অবস্থায় সচেতন অবিভাবকরা উক্ত স্কুলে সন্তানের ভাল পড়ালেখার মান নিয়েও সন্দিহান হয়ে পড়েছেন। অবিভাবক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সবার মধ্যে চরম ক্ষোপ দেখা গেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুল কবির বিগত দুইবছর যাবত বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের কোন হিসাব বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির কাছে উপস্থাপন না করে ব্যক্তিগত সম্পদের মত ব্যবহার করে আসতেছেন। পরিচালনা কমিটির সভাপতি এ ব্যাপারে একাধিকবার তাগিদ দিলেও কোন সাড়া পাওয়া যাইনি বলে মন্তব্য করেন।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাষ্টার রেজুর কাছে জানতে চাইলে বলেন-"প্রধান শিক্ষক নিজেই একটা সমস্যা। সৈরাচার সরকারের মত সবার সাথে আচরণ করতেছে। এত শক্তির উৎস কোথায় তা নিয়ে সবাইকে ভাবাচ্ছে"।
এখানে আরো উল্লেখ্য, বিদ্যালয়ে নতুন শিক্ষক নিয়োগ এবং এম.পি.ও ভূক্তির আবেদনে ঘুষের রমরমা বানিজ্য চলেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট অনেকে।
ওবাইদুল হক নামে এক শিক্ষক জানিয়েছেন,-'ঘুষের টাকা দিইনি বলে আমি যোগ্য হয়েও এম.পি.ও ভূক্তির আবেদনে প্রধান শিক্ষক সুপারিশ করতেছেনা।আমার চেয়ে অযোগ্য এবং কম নাম্বার প্রাপ্ত সেকেন্ড ক্লাস শিক্ষক এম.পি.ওভূক্ত হয়ে গেছে। বিগত আট মাস যাবত ৮৫০ টাকা করে মাসে বেতন দেয় যে তা ও বন্ধ।এ অবস্থায় একটা মানুষ কি করে বাঁচতে পারে।মানবতা কি মরে গেছে'?
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষক নুরুল কবিরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তা অস্বীকার করে বলেন-' কতিপয় ব্যক্তিবর্গ আমার বিষয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।অভিযোগ সত্য নয়'।
