তামিরুল ইসলাম মিল্লাত::
স্টাফ রিপোর্টার।।
কক্সবাজার ফুয়াদ আল-খতিব হাসপাতালে চিকিৎসায় অবহেলা ও রোগির স্বজনদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছে বলে কর্তব্যরত নার্সদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। সেই সাথে রোগিকে অক্সিজেন দেয়ার নাম করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার ও অভিযোগ উঠেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।
৬ সেপ্টেম্বর (বুধবার) রাত সাড়ে ১২ টার দিকে এক শিশু রোগিকে অক্সিজেন সংযোগ বন্ধ রেখে মৃত্যুমুখে ঠেলে দেয় হাসপাতালের কর্তব্যরত স্টাফরা। সকালে তাদের বিরুদ্ধে হাসপাতালের হেল্পডেস্ক এ আভিযোগ জানিয়ে কোন প্রতিকার না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে হাসপাতাল ছাড়তে হয় রোগীর স্বজনদের।
অভিযোগে জানা যায়, মোঃ সামী নামের ৫ মাসের শিশু বাচ্চাকে সকাল সাড়ে ১১ টায় ভর্তি করায় তার বাবা ঈদগাহ পালাকাটা এলাকার মো.হামিদ। শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নুরুল করিম খানের পরামর্শে এ হাসপাতালে ভর্তি করায়।
ডাক্তারের পরামর্শে রোগাক্রান্ত শিশুকে রাতে অক্সিজেনে দেন দায়িত্বরত নার্স।
এখানে আরো উল্লেখ্য, অক্সিজেন সংযোজনের সাথে সাথে খাদ্যনল সংযোজনের জন্য একপ্রকার জোর করতে থাকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।যদিও এইরকম রোগীর জন্য খাদ্যনলের কোন প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন চট্টগ্রামের প্রখ্যাত ডাক্তার প্রফেসর আব্দুর রাজ্জাক।
ডাঃ আব্দুর রাজ্জাকের পরামর্শে রোগীর বাবা খাদ্যনল দিতে অস্বীকৃতি জানালে এক প্রকার বাগবঙ্গিতার সৃষ্টি হয় এবং ডাক্তার কর্তৃক ফাইল ছোড়ে মারার মত এবং অসৌজন্যতাপূর্ণ অচরণের ঘটনা ঘটে।
পরে অক্সিজেন সংযোজনের পরেও শিশু রোগির অবস্থা বেগতিক দেখে রোগির স্বজনরা বারবার বিষয়টি নার্সকে জানালেও কোন প্রতিকার পায়নি। তাদের ডাকে কেউ সাড়াও দিতে রাজি হয়নি। কেউ কেউ মোবাইলে কথা বলা এবং ফেইসবুক ব্যবহার নিয়ে ব্যস্ত ছিল। বার বার রোগীর দাদী অভিযোগ করতে গেলে তাঁকে গালিগালাজ করে বিরক্ত না করতে বলে তারা।
পরে অন্য শিফটের নার্সরা ডিউটিতে আসলে রোগিকে অক্সিজেন লাগানোর পরও কেন খারাপ লাগছে বিষয়টি তাদের জানানো হয়। ওই নার্স রোগির স্বজনদের জানান, অক্সিজেন লাগানো থাকলেও সরবরাহ বন্ধ থাকায় রোগির অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং এটাও ভলা হয় যে, এইভাবে যদি আর এক ঘন্টাও থাকত তাহলে অক্সিজেনের অভাবে শিশুটি মারা যেত।
বিষয়টি সুপারভাইজার আবদুর রশিদকে জানানো হলে তিনিও কোন সদোত্তর দিতে না পারায় এবং ডাক্তার কর্তৃক কোনপ্রকার অন্তরিকতা না পাওয়ায় এক প্রকার বাধ্য হয়েই রোগিকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় বলে জানান তার বাবা মো. হামিদ।
এদিকে অক্সিজেন সরবরাহ সারারাত বন্ধ রেখে শিশুকে একপ্রকার মৃত্যুমুখে ঠেলে দিলেও জোর করে ঐ অক্সিজেনের জন্য বিল আদায় করার ঘটনায় আরো মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ রোগির বাবা।
তিনি প্রতিবেদককে হামিদ জানান, "আমার শিশুর সাথে থাকা মায়ের সাথে নার্সরা খারাপ আচরণ করেছে। সেই সাথে অক্সিজেন সরবরাহ না দিয়ে বিল আদায় করার ঘটনায় আমি রীতিমত হতবাক হয়েছি। অক্সিজেন সরবরাহ করার নামে তা বন্ধ রেখে শিশুকে মৃত্যুমুখে ঠেলে দিয়ে তারা এমনিতে অপরাধ করেছে।সেখানে আবার ঐ অক্সিজেনের জন্য বিল পরিশোধ করতে হয়েছে আমাকে।"
হামিদের মত এখন অনেক সচেতন মানুষের প্রশ্ন, হাসপাতালে মানুষ চিকিৎসা করতে যায় সুস্থ হতে।এখন যদি হাসপাতালই মানুষকে মৃত্যু মুখে ঠেলে দেয় তাহলে মানুষ ভরসা করবে কার উপর? সকলের একটাই চাওয়া ডাক্তাররা যেন টাকা জন্য গলাকাটার চিন্তা না করে মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করে।
এ ব্যাপারে হাসপাতালের সুপারভাইজার আবদুর রশিদের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন," অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা,বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন। তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কোনপ্রকার অভিযোগ করেননি। আর অক্সিজেন বান্ধ রাখার বিষয়টা সত্য নয়। কেননা অক্সিজেন বন্ধ থাকলে অনেক আগেই বাচ্চা মারা যেত।"
ফুয়াদ আল খতিব হাসপাতালের (প্রশাসন) সলিমুল্লাহ সুজনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি ভিত্তিহীন। কেননা তারা কোন ধরনের অভিযোগ সুপার ভাইজারসহ উর্দ্ধতন কাউকে জানায়নি। তা তখনি সত্য মনে করতাম যখন অভিযোগকারী লিখিত কিংবা মৌখিকভাবে আমাদের জানাত।
৬ সেপ্টেম্বর (বুধবার) রাত সাড়ে ১২ টার দিকে এক শিশু রোগিকে অক্সিজেন সংযোগ বন্ধ রেখে মৃত্যুমুখে ঠেলে দেয় হাসপাতালের কর্তব্যরত স্টাফরা। সকালে তাদের বিরুদ্ধে হাসপাতালের হেল্পডেস্ক এ আভিযোগ জানিয়ে কোন প্রতিকার না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে হাসপাতাল ছাড়তে হয় রোগীর স্বজনদের।
অভিযোগে জানা যায়, মোঃ সামী নামের ৫ মাসের শিশু বাচ্চাকে সকাল সাড়ে ১১ টায় ভর্তি করায় তার বাবা ঈদগাহ পালাকাটা এলাকার মো.হামিদ। শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নুরুল করিম খানের পরামর্শে এ হাসপাতালে ভর্তি করায়।
ডাক্তারের পরামর্শে রোগাক্রান্ত শিশুকে রাতে অক্সিজেনে দেন দায়িত্বরত নার্স।
এখানে আরো উল্লেখ্য, অক্সিজেন সংযোজনের সাথে সাথে খাদ্যনল সংযোজনের জন্য একপ্রকার জোর করতে থাকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।যদিও এইরকম রোগীর জন্য খাদ্যনলের কোন প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন চট্টগ্রামের প্রখ্যাত ডাক্তার প্রফেসর আব্দুর রাজ্জাক।
ডাঃ আব্দুর রাজ্জাকের পরামর্শে রোগীর বাবা খাদ্যনল দিতে অস্বীকৃতি জানালে এক প্রকার বাগবঙ্গিতার সৃষ্টি হয় এবং ডাক্তার কর্তৃক ফাইল ছোড়ে মারার মত এবং অসৌজন্যতাপূর্ণ অচরণের ঘটনা ঘটে।
পরে অক্সিজেন সংযোজনের পরেও শিশু রোগির অবস্থা বেগতিক দেখে রোগির স্বজনরা বারবার বিষয়টি নার্সকে জানালেও কোন প্রতিকার পায়নি। তাদের ডাকে কেউ সাড়াও দিতে রাজি হয়নি। কেউ কেউ মোবাইলে কথা বলা এবং ফেইসবুক ব্যবহার নিয়ে ব্যস্ত ছিল। বার বার রোগীর দাদী অভিযোগ করতে গেলে তাঁকে গালিগালাজ করে বিরক্ত না করতে বলে তারা।
পরে অন্য শিফটের নার্সরা ডিউটিতে আসলে রোগিকে অক্সিজেন লাগানোর পরও কেন খারাপ লাগছে বিষয়টি তাদের জানানো হয়। ওই নার্স রোগির স্বজনদের জানান, অক্সিজেন লাগানো থাকলেও সরবরাহ বন্ধ থাকায় রোগির অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং এটাও ভলা হয় যে, এইভাবে যদি আর এক ঘন্টাও থাকত তাহলে অক্সিজেনের অভাবে শিশুটি মারা যেত।
বিষয়টি সুপারভাইজার আবদুর রশিদকে জানানো হলে তিনিও কোন সদোত্তর দিতে না পারায় এবং ডাক্তার কর্তৃক কোনপ্রকার অন্তরিকতা না পাওয়ায় এক প্রকার বাধ্য হয়েই রোগিকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় বলে জানান তার বাবা মো. হামিদ।
এদিকে অক্সিজেন সরবরাহ সারারাত বন্ধ রেখে শিশুকে একপ্রকার মৃত্যুমুখে ঠেলে দিলেও জোর করে ঐ অক্সিজেনের জন্য বিল আদায় করার ঘটনায় আরো মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ রোগির বাবা।
তিনি প্রতিবেদককে হামিদ জানান, "আমার শিশুর সাথে থাকা মায়ের সাথে নার্সরা খারাপ আচরণ করেছে। সেই সাথে অক্সিজেন সরবরাহ না দিয়ে বিল আদায় করার ঘটনায় আমি রীতিমত হতবাক হয়েছি। অক্সিজেন সরবরাহ করার নামে তা বন্ধ রেখে শিশুকে মৃত্যুমুখে ঠেলে দিয়ে তারা এমনিতে অপরাধ করেছে।সেখানে আবার ঐ অক্সিজেনের জন্য বিল পরিশোধ করতে হয়েছে আমাকে।"
হামিদের মত এখন অনেক সচেতন মানুষের প্রশ্ন, হাসপাতালে মানুষ চিকিৎসা করতে যায় সুস্থ হতে।এখন যদি হাসপাতালই মানুষকে মৃত্যু মুখে ঠেলে দেয় তাহলে মানুষ ভরসা করবে কার উপর? সকলের একটাই চাওয়া ডাক্তাররা যেন টাকা জন্য গলাকাটার চিন্তা না করে মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করে।
এ ব্যাপারে হাসপাতালের সুপারভাইজার আবদুর রশিদের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন," অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা,বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন। তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কোনপ্রকার অভিযোগ করেননি। আর অক্সিজেন বান্ধ রাখার বিষয়টা সত্য নয়। কেননা অক্সিজেন বন্ধ থাকলে অনেক আগেই বাচ্চা মারা যেত।"
ফুয়াদ আল খতিব হাসপাতালের (প্রশাসন) সলিমুল্লাহ সুজনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি ভিত্তিহীন। কেননা তারা কোন ধরনের অভিযোগ সুপার ভাইজারসহ উর্দ্ধতন কাউকে জানায়নি। তা তখনি সত্য মনে করতাম যখন অভিযোগকারী লিখিত কিংবা মৌখিকভাবে আমাদের জানাত।
