মোঃসাঈদী আকবর ফয়সাল, চকরিয়া:
শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নিয়মকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চকরিয়া প্রো ক্যাডেট কলেজে রাত্রীকালীন চলছে কোচিং ব্যবসা।
সুত্রে জানা যায়, ভর্তি হওয়ার সময় কোচিংয়ের টাকা কর্তন করে নিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। রাত্রীকালীন কোচিং করাচ্ছেন স্কুলের কিছু শিক্ষক। আজ ১ আগস্ট ৭টা ৫০মিনিটে সরেজমিনে যাচাই করে দেখাযায় ভিন্ন চিত্র, বিদ্যুৎ নেই তবে যেন মনে হয় ভুতুড়ে ঘর। স্কুলের প্রবেশ মুখে কিছু ছাত্র ছাত্রীদের হৈ চৈ করতে দেখা যায়। শিক্ষক কক্ষের দিকে এগোতে দুজন ছাত্র বলে, এই ভাই কোথায় যান? একজন শিক্ষার্থীর “এই ভাই” কথাটি শুনে কেমন জানি লাগল।
চকরিয়া পৌরসভা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক রানা পারভেজ সহ শিক্ষকদের রুমের বাম পাশে দেখতে পায় একজন শিক্ষক ৭-৮জন শিক্ষার্থীদের পড়াচ্ছেন। একটু সামনে গিয়ে গলির ডান পাশের ২য় কক্ষের দরজায় দুজন ছাত্রদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। হঠাৎ দুজন ছাত্র দরজায় দাড়িয়ে থাকতে দেখায় সন্দেহ হয় কক্ষ কিন্ত অন্ধকার। কক্ষের মধ্য টর্চ অন করে দেখতে পায়, দুজন ছাত্র এবং ছাত্রী পাশাপাশি অন্ধকারে বসে আছে এবং….অথচ কক্ষ অন্ধকার। টর্চ অন করে যখন আলো জ্বলে উঠলে একজন ছাত্র ও অপরজন ছাত্রী বসা থেকে উঠে যায় । ৩য় কক্ষে যাওয়ার দেখতে পায় অন্ধকারে ৫-৬জন ছাত্র-ছাত্রীরা বসে আছে। স্কুলের পুর্বপাশে রুমে যাইলে ২-৩জন ছাত্রী অন্ধকারে মুখ ধৌত করতে দেখা যায়। আমাদের দেখে একজন শিক্ষক কাছে আসল, অন্ধকার কেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন বিদ্যুৎ চলে গেছে তাই। কোচিংয়েরকত টাকা করে নেয়? জানতে চাইলে তিনি বলেন একসাথে নিয়ে পেলি। অথচ নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন সচেতন নাগরিক জানান, সন্ধায় রাতের বেলায় কোচিং কতটুকু নিরাপদ, বিভিন্ন দূর-দূরান্ত থেকে শিক্ষার্থীরাআসে কারো যদি অনাঙ্কিত সমস্য হয় তখন এর দায়ভার নিবে কে। আজকে সরেজমিন গিয়ে দেখলাম বিদ্যুৎ বিহীন অন্ধকারে…….বসে গল্প, দুজন দরজা পাহারা দেয়া। জেনারেটরের ব্যবস্থাও নেই স্কুলের কক্ষে। চকরিয়া পৌরসভা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক বলেন, আধুনিক মানের স্কুলেও কোচিং ব্যবসা, অথচ ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করার সময় প্রাইভেট পড়তে হবেনা বলা হয়েছিল। এ ব্যাপারে স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতির কাছে বক্তব্য নিতে চেষ্টা করতে চাইলে সংযোগ না পাওয়ায় সম্ভব হয়নি।
- Blogger Comments
- Facebook Comments
Item Reviewed: চকরিয়াতে রাত্রীকালীন কোচিংয়ের নামে এসব হচ্ছে কি!
Rating: 5
Reviewed By: Unknown