এইচ এম রুহুল কাদের, চকরিয়া:
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারা একটি জনবহুল ও ঐতিহ্যবাহী ইউনিয়ন। এখানে বেড়িবাঁধ না দিয়ে প্রতিবারে বালুর বস্তা দিয়ে বন্যার পানি ঠেকানোর চেষ্টা মানে সরকারী অর্থ মাতামুহুরিতে বিসর্জন দেওয়া বলে মনে করেন স্থানীয়রা। কেননা পানির প্রবল স্রোতে প্রদত্ত বালুর বস্তা সমূহ পানির মিশে একাকার হয়ে তলিয়ে যাচ্ছে। এতে বিনষ্ট হচ্ছে সরকারী বরাদ্দকৃত হাজার লক্ষ টাকা। এলাকাবাসী মনে করেন একমাত্র বেড়িবাঁধই রক্ষা করতে পারে কাকারা ইউনিয়নের সেই দুর্দশা লগব করতে।এখানে শায়িত আছেন আল্লামা শাহ আশরাফ আলী (র), হযরত শাহ ওমর (রা)এর মাজার ও দেশের সূর্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা জহিরুল ইসলাম ছিদ্দিকির মত অনেক গুনিজন ব্যাক্তি। যেখান থেকে উৎপাদন হয় কোটি কোটি টাকার সবজি সহ অনেক ফসলাদি। এই এলাকার উপর অনেকটা নির্ভর করে পুরা চকরিয়ার সবজি বাজার। কিন্তু বর্ষাকালীন বৃষ্টি শুরু হলেই এই এলাকার মানুষের দিন কাটে ভয়ভীতি ও আতংকের মধ্যে দিয়ে। কেননা প্রতিবছর কাকারাতে উজানি ঢলের পানি কেড়ে নেয় কৃষকের ভরসা সবজি ক্ষেত। বারে বারে তলিয়ে যাচ্ছে ধান ক্ষেত ও গবাদিপশু সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপণ্য। অথচ স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবহেলা ও অপরিকল্পিত অর্থায়নে সরকারী কোটি কোটি টাকা চলে যায় প্রভাবশালী ব্যাক্তিদের হাতে ও মাতামুহূরী নদীর পেটে। এলাকাবাসী মনে করেন যেখানে বালুর বস্তা দিয়ে কোন কাজ হচ্ছে না, সেখানে বার বার বালুর বস্তা দিয়ে নদী ও জনগণ কে রক্ষার নামে সরকারি টাকা নদীতে ঢেলে দেয়ার কোন মানি হয় না। স্থানীয়রা আরো জনান, যতদিন নদী খনন ও স্থায়ী বেড়ীবাঁধ হবে না ততদিন কাকারাবাসীর মুক্তি হবে না এবং বর্ষাকাল আসলেই এলাকাবাসীর আতংক ঘুম হারাম হয়ে যাবে। কাকারা ইউপি চেয়ারম্যান জনাব শওকত ওসমান জানান, এখন বেড়িবাঁধ ও প্রপার কাকারার নদী ভাঙ্গায় বালুর বস্তা দিয়ে মেরামতে প্রায় কোটি টাকার কাজ চলছে। এবং ইতিমধ্যে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মানের জন্যে তদবির করা হচ্ছে।
- Blogger Comments
- Facebook Comments
Item Reviewed: চকরিয়া কাকারায় বেড়িবাঁধ না দিয়ে বালুর বস্তা, অন্তবিহীন দুর্ভোগ এলাকাবাসীর
Rating: 5
Reviewed By: Unknown