ডেস্ক রিপোর্ট::
চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পাগলীর বিল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণীর ছাত্রী নয়ন মনি হত্যা মামলার প্রধান আসামী জামিনে এসেছে।
চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার প্রধান আসামী কুতুব উদ্দিন কাইছার সম্প্রতি জামিনে এসে মামলা তুলে নিতে ফের বাদীনিকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে নিরাপত্তা হীনতায় ভোগছে মামলার বাদীনি রহিমা বেগম।
এজাহার ও বাদী পক্ষের অভিযোগে জানা যায় পাগলীর বিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ততৃীয় শ্রেণীর ছাত্রী নয়ন মনি ঘটনার দিন ১৪ নভেম্বর ২০১৫ সাল সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে বিদ্যালয়ে যায়। কিন্তু বিকেল ৪ টায় ছুটির পরও আর বাড়ি ফিরেনি। এদিন সন্ধ্যার দিকে পথচারী লোকজনের খবরের ভিত্তিতে বিদ্যালয়ের অদূরে চারা বটতল এলাকার একটি বালুর স্তূপ থেকে তার লাশ উদ্ধার করেন। পরে চকরিয়া থানার পুলিশ এসে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে নিহত শিশু কন্যার মাতা রহিমা বেগম চকরিয়া থানায় ধর্ষন ও হত্যার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। আসামী করা হয় ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড পাগলিরবিল এলাকার মৃত মোহাম্মদ হোছেন প্রকাশ মধুর ছেলে কুতুব উদ্দিন কাইছার (২০), একই গ্রামের নুরুল কবির হেডম্যানের ছেলে তৌহিদুল ইসলাম (২৬) ও নুরুল আলমের পুত্র নজরুল ইসলাম বাবু (২৫)কে।
এজাহারে আরো দাবি লাশ উদ্ধারের সময় শরীর তল্লাশি করে তার মেয়ের শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে এবং শিশুটিকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর গলাটিপে হত্যা করে লাশটি সড়কের পাশে বালুর স্তূপে ফেলে দেয়। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়ার এক পর্যায়ে মামলার ১নং ও ২নং আসামীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেন এবং ৩নং আসামী পলাতক রয়েছে।
অপরদিকে প্রধান আসামী কুতুব উদ্দিন কাইছার বর্তমানে জামিনে এসে বাদিনীকে গালিগালাজ পূর্বক বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি শুরু করে দিয়েছে। এমনকি মামলা তুলে না নিলে তাকে মেরে ফেলবে বলে সাফ জানিয়ে দেয়। এমতাবস্থায় নিরাপত্তা হীনতায় দিনপাত করছে মামলার বাদিনী নিরীহ রহিমা বেগম।
এব্যাপারে তিনি জান মালেরনিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনে হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার প্রধান আসামী কুতুব উদ্দিন কাইছার সম্প্রতি জামিনে এসে মামলা তুলে নিতে ফের বাদীনিকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে নিরাপত্তা হীনতায় ভোগছে মামলার বাদীনি রহিমা বেগম।
এজাহার ও বাদী পক্ষের অভিযোগে জানা যায় পাগলীর বিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ততৃীয় শ্রেণীর ছাত্রী নয়ন মনি ঘটনার দিন ১৪ নভেম্বর ২০১৫ সাল সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে বিদ্যালয়ে যায়। কিন্তু বিকেল ৪ টায় ছুটির পরও আর বাড়ি ফিরেনি। এদিন সন্ধ্যার দিকে পথচারী লোকজনের খবরের ভিত্তিতে বিদ্যালয়ের অদূরে চারা বটতল এলাকার একটি বালুর স্তূপ থেকে তার লাশ উদ্ধার করেন। পরে চকরিয়া থানার পুলিশ এসে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে নিহত শিশু কন্যার মাতা রহিমা বেগম চকরিয়া থানায় ধর্ষন ও হত্যার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন। আসামী করা হয় ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড পাগলিরবিল এলাকার মৃত মোহাম্মদ হোছেন প্রকাশ মধুর ছেলে কুতুব উদ্দিন কাইছার (২০), একই গ্রামের নুরুল কবির হেডম্যানের ছেলে তৌহিদুল ইসলাম (২৬) ও নুরুল আলমের পুত্র নজরুল ইসলাম বাবু (২৫)কে।
এজাহারে আরো দাবি লাশ উদ্ধারের সময় শরীর তল্লাশি করে তার মেয়ের শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে এবং শিশুটিকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর গলাটিপে হত্যা করে লাশটি সড়কের পাশে বালুর স্তূপে ফেলে দেয়। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়ার এক পর্যায়ে মামলার ১নং ও ২নং আসামীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেন এবং ৩নং আসামী পলাতক রয়েছে।
অপরদিকে প্রধান আসামী কুতুব উদ্দিন কাইছার বর্তমানে জামিনে এসে বাদিনীকে গালিগালাজ পূর্বক বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি শুরু করে দিয়েছে। এমনকি মামলা তুলে না নিলে তাকে মেরে ফেলবে বলে সাফ জানিয়ে দেয়। এমতাবস্থায় নিরাপত্তা হীনতায় দিনপাত করছে মামলার বাদিনী নিরীহ রহিমা বেগম।
এব্যাপারে তিনি জান মালেরনিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনে হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
