• Latest News

    নিজের দাদুকে খেতে দেননা বুমরাহ!





    স্পোর্টস বার্তা::
    জসপ্রিত বুমরাহ। ভারতীয় ক্রিকেট দলের পেস বোলিংয়ের প্রধান ভরসা। আলো ঝলমলে দুনিয়ায় তিনি সুখেই আছেন, কিন্তু তার বৃদ্ধ দাদু (বাবার বাবা) অভাবের তাড়নায় অটো চালিয়ে জীবনযাপন করছেন! কোটিপতি নাতির কাছে খেতে-পরতে পারেন না।

    ২০১৪ সালে বিশ্বক্রিকেটের নজরে আসেন জসপ্রিত বুমরাহ। সেবার আইপিএলের দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ১.২ কোটি রুপি দিয়ে তাকে দলে নেয়। সেই থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

    জসপ্রিত বুমরাহ তরতর করে সামনে এগিয়ে গেলেও তার অতীত ঠিকই পেছনে রয়ে গেছে। ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, ৮৪ বছরের সান্তোক সিং বুমরাহ উত্তরাখন্ডের উদ্দাম সিং নগরে বাস করেন। ভাড়া বাসায় থেকে অটো চালান।

    ২০০১ সালে বুমরাহ পরিবারে নেমে আসে কষ্টের ছায়া। তারকা ক্রিকেটারের বাবা জসবীর সিং বুমরাহ তখন মারা যান। সেই থেকে জসপ্রিতের মা স্কুলশিক্ষিকা দলজিৎ ৭ বছরের বুমরাহকে নিয়ে বিপাকে পড়েন।

    'আমার ছেলে (জসপ্রিতের বাবা) মারা যাওয়ার পর ব্যবসা দেখাশুনা করার মতো কেউ ছিল না। আমারও বয়স বাড়ছিল। তাই ফ্যাক্টরি বিক্রি করে দিতে হয়।' বলেন জসপ্রিতের দাদু।

    ফ্যাক্টরি বিক্রি করার পর সান্তোক সিং উত্তরাখন্ডে চলে যান। সেখানে চারটি টেম্পো কেনেন। কিন্তু সেই ব্যবসাও দাঁড় করাতে পারেননি। এরপর নিজেই অটো চালাতে নামেন।

    অন্যদিকে মায়ের কাছে থেকে ক্রিকেটটা চালিয়ে যান জসপ্রিত। ২০১৬ সালে ভারতীয় দলের হয়ে অভিষেক হয়। এরপর ধীরে ধীরে নিজের জায়গা পাকা করেন।

    জসপ্রিত যখন খেলতে নামেন, তখন অন্য সবার মতো তার দাদুও টিভিতে চোখ রাখেন। উত্তরসূরিকে টিভির পর্দায় দেখেন আর চোখ ভেজান। জীবনের পড়ন্ত বিকেলে সান্তোকের শেষ ইচ্ছা, একটিবার নাতির সঙ্গে দেখা করে বুকে জড়িয়ে ধরবেন।

    জসপ্রিত তো অনেক দূরে। সান্তোক কি পৌছাতে পারবেন?
    • Blogger Comments
    • Facebook Comments
    Item Reviewed: নিজের দাদুকে খেতে দেননা বুমরাহ! Rating: 5 Reviewed By: Unknown
    উপরে যান