মোঃ নিজাম উদ্দিন, চকরিয়া দক্ষিণ :
চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নে প্রতারণা পূর্বক জমি বিক্রির চেষ্টা চালাচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সুত্রে জানাযায় ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড রিংভং হাসিনা পাড়া গ্রামের মৃত বদর উদ্দিনের পুত্র মোহাম্মদ হোসেন (৬২) মালিক না হয়েও প্রতারণা পূর্বক জমি বিক্রির অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
তৎকালীন সময়ে ডুলাহাজারা ইউনিয়নের বৈরাগিরখীল এলাকার মৃত বদরুল হক চৌধুরীর বাড়িতে চাকরি করতেন মৃত বদর উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি। কর্মচারী ওই বদর উদ্দিন মৃত্যুর পর তার পুত্র মোহাম্মদ হোসনকে লালন-পালন করেন চৌধুরী পরিবার। পরে পালিত পুত্র মোহাম্মদ হোসেন সাবালগ হওয়ার পর অন্যত্রে চলে যায় এবং বর্তমানে রিংভং হাসিনা পাড়া গ্রামে বসবাসরত রয়েছে। এদিকে মৃত বদরুল হক চৌধুরীর একটি মাত্র পুত্র সন্তান বর্তমান এডভোকেট সিরাজুল হক চৌধুরী (৩২) নামে পরিচিত। গত ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে এড.সিরাজুল হক চৌধুরী তার পৈত্রিক সম্পত্তি ডুলাহাজারা মৌজার ৪০৮ নং খতিয়ানের বিএস ৫৯৪২ নং দাগের ৬শতক জমি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড উলুবনিয়া গ্রামের 'একটি বাড়ি একটি খামার' নামক প্রতিষ্ঠানকে সাব কবলা দেন। বর্তমানে ওই জমি সমুহ প্রতিষ্ঠানের নামজারী খতিয়ান সৃজিত রয়েছে। সম্প্রতি কোন প্রকার মালিকানা না হয়েও বদরুল হক চৌধুরীর পুত্র দাবীদার মোহাম্মদ হোসেন উল্লেখিত ৬শতক জমি বিভিন্ন লোকজনকে বিক্রি করতে পায়তারা চালাচ্ছে। এমনকি গত ৬ জুন উল্লেখিত জমি অপর জনকে কবলা দিতে গিয়ে চকরিয়া রেজিস্ট্রি অফিস থেকে বিফল হয়ে ফিরে আসে। কোন প্রকার ওয়ারিশ সনদ না থাকার পরও প্রতারণার মাধ্যমে জমি বিক্রির চেষ্টায় যে কাউকে পথে বসাতে পারে বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতন লোকজন। এব্যাপারে উল্লেখিত একটি বাড়ি একটি খামার প্রতিষ্ঠানের সভাপতি আবুল কালাম জানান ' গত বছর আমাদের প্রতিষ্টানের নামে প্রকৃত ওয়ারিশ থেকে ন্যায্য মুল্যে জমিটি ক্রয় করা হয়েছে। এবং পরে প্রতিষ্ঠানের নামে নামজারী খতিয়ানও সম্পন্ন হয়েছে। অন্য কেউ যদি ওয়ারিশ বুনে জমিটি অন্যত্রে বিক্রির চেষ্টা করেন তবে তা হবে সম্পূর্ণ বেআইনি।'
- Blogger Comments
- Facebook Comments
Item Reviewed: চকরিয়ার ডুলাহাজারাতে জমি রেজিস্ট্রি নামের প্রতারণা
Rating: 5
Reviewed By: Unknown