ঈদগাঁও প্রতিনিধি :
কক্সবাজার সদর উপজেলার উপকূলীয় ইউনিয়ন পোকখালীর গোমাতলী প্রায় দশ হাজার মানুষের ঈদ আনন্দ নিরানন্দে কাটার আশংকা প্রকাশ করেন সচেতন এলাকাবাসী। জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় মোরার পরবর্তী সময়ে প্রচন্ড বৃষ্টিপাত, তীব্র বাতাস আর সকাল সন্ধ্যা দৈনিক দু’বার করে জোয়ার ভাটায় বিধ্বস্ত করছে গোমাতলী বাসীকে। এদিকে গোমাতলীর ৬নং স্লুইচ গেইট সংলগ্ন বেড়িবাঁধ দ্রুততম সময়ে নির্মাণ না হলে বিগত বছরের ন্যায় এ বছরও বিশাল জনগোষ্টিকে ঈদ আনন্দ থেকে বিমুখ হতে হবে। ইউনিয়নের ৭ ও ৮নং ওয়ার্ডের প্রায় দশ হাজার মানুষের বসবাস। পশ্চিম গোমাতলী, চরপাড়া, গাইট্ট্যাখালী, আজিম পাড়া ও রাজঘাট এলাকায় প্রতিনিয়ত জোয়ার ভাটা রয়েছে। পাশাপাশি রাস্তাঘাটের বেহাল দশায় পরিণত হয়ে পড়েছে। যাতায়াতের কোন প্রকার সু-ব্যবস্থা নেই। যা ছিল তাও প্রচন্ড বৃষ্টিপাতে ভেঙ্গে গেছে। সেখানকার মানুষজন এখনো ঘরবন্দী হয়ে আছে। পানির কারণে কোথাও চলাফেরা করতে পারছেনা। সাধারণ লোকজনের দৈনন্দিন কর্মকান্ডেও চরম ভাবে ব্যাঘাত করছে। শিক্ষার্থীরা নানা কষ্টের বিনিময়ে পাঠদান করতে যাচ্ছে বিদ্যালয়ে। জোয়ার ভাটা আর বৃষ্টির কারণে এলাকার মানুষের মাঝে ঈদ আনন্দ অনেকটা নিরানন্দে কাটবে বলে আশংকা প্রকাশ করেন। ঈদ যথই ঘনিয়ে আসছে তথই নতুন জামা কাপড় কেনাকাটা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়া ছোট ছেলে মেয়েদের মাঝে হতাশার কালো ছায়া নেমে এসেছে। আবার অসমাপ্ত বেড়িবাঁধের কাজ দ্রুত গতিতে নির্মাণ কাজ চালিয়ে গেলে কোন প্রকার ঈদ আনন্দ উদযাপন করা সম্ভব বলে মনে করেন পানি বন্দী লোকজন। পোকখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার দেশ বিদেশের এ প্রতিনিধিকে জানায়, সদরের উপকূলীয় এলাকা পোকখালীর গোমাতলীবাসী এখন মরণদশা বললেই চলে। আসন্ন ঈদের আনন্দ ও ভেস্তে যাবে। তাই দ্রুততম সময়ে বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার জোর দাবী জানান কর্তৃপক্ষের নিকট। অপর দিকে কয়েকজন যুবকের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তারাও আক্ষেপ কন্ঠে জানান, বিগত বছরের ন্যায় এ বছরও জোয়ার ভাটায় হয়ত ঈদের মহাখুশি কপালে জোটবেনা।nb
- Blogger Comments
- Facebook Comments
Item Reviewed: গোমাতলীর দশ হাজার মানুষের ঈদ আনন্দ নিরানন্দে কাটার আশংকা
Rating: 5
Reviewed By: Unknown