স্পোর্টস বার্তা::
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১৭৫টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলার রেকর্ডটি সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলের। তবে আসন্ন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেই সেই রেকর্ড ভাঙতে চলেছেন বর্তমান ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা ও তার ডেপুটি সাকিব আল হাসান।
এই মুহূর্তে ১৭২ ম্যাচ নিয়ে সমান অবস্থানে সাকিব-মাশরাফি। চলতি ত্রিদেশীয় সিরিজে এখনও একটি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। সেক্ষেত্রে মাশরাফি-সাকিবের ম্যাচ দাঁড়াবে ১৭৩টিতে।
ইনজুরির মতো কোনো দুর্ভাগ্য না আসলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মূল একাদশে থাকবেন মাশরাফি-সাকিব। সেক্ষেত্রে দুজনই ১৭৭ ম্যাচ খেলে ফেলবেন। এর মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ওয়ানডে খেলার রেকর্ডটি ভাগাভাগি করে নেবেন দেশের অন্যতম সেরা দুই ক্রিকেটার।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০০১ সালে অভিষেক হয় মাশরাফির। অন্যদিকে সাকিব আল হাসান জার্সি জড়ান ২০০৬ সালে। ইনজুরির কারণে বড় একটা সময় মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে দেশের সফলতম অধিনায়ক মাশরাফিকে। সব মিলিয়ে ম্যাচের দিক থেকে পিছিয়ে গেছেন। তবে উইকেটের দিক থেকে সাকির চেয়ে এগিয়ে 'নড়াইল এক্সপ্রেস'। ১৭২ ম্যাচে তার উইকেট ২২৭, সাকিবের ২২২।
এই মুহূর্তে শীর্ষে থাকা আশরাফুলের পরেই অবস্থান মাশরাফির। তৃতীয় স্থানে সাকিব, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম (১৭১) এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল (১৬৮)।
এই মুহূর্তে ১৭২ ম্যাচ নিয়ে সমান অবস্থানে সাকিব-মাশরাফি। চলতি ত্রিদেশীয় সিরিজে এখনও একটি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। সেক্ষেত্রে মাশরাফি-সাকিবের ম্যাচ দাঁড়াবে ১৭৩টিতে।
ইনজুরির মতো কোনো দুর্ভাগ্য না আসলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মূল একাদশে থাকবেন মাশরাফি-সাকিব। সেক্ষেত্রে দুজনই ১৭৭ ম্যাচ খেলে ফেলবেন। এর মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ওয়ানডে খেলার রেকর্ডটি ভাগাভাগি করে নেবেন দেশের অন্যতম সেরা দুই ক্রিকেটার।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০০১ সালে অভিষেক হয় মাশরাফির। অন্যদিকে সাকিব আল হাসান জার্সি জড়ান ২০০৬ সালে। ইনজুরির কারণে বড় একটা সময় মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে দেশের সফলতম অধিনায়ক মাশরাফিকে। সব মিলিয়ে ম্যাচের দিক থেকে পিছিয়ে গেছেন। তবে উইকেটের দিক থেকে সাকির চেয়ে এগিয়ে 'নড়াইল এক্সপ্রেস'। ১৭২ ম্যাচে তার উইকেট ২২৭, সাকিবের ২২২।
এই মুহূর্তে শীর্ষে থাকা আশরাফুলের পরেই অবস্থান মাশরাফির। তৃতীয় স্থানে সাকিব, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে টেস্ট অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম (১৭১) এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল (১৬৮)।
