স্পোর্টস বার্তা::
শুরুটা হয়েছিল অর্থ দিয়েই। শেষটাতেও হয়েছে অর্থ দিয়ে। আইসিসির বৈঠকে ভারত ছাড়া পূর্ণ সদস্য দেশগুলো বিগ থ্রি মডেলের বিরোধিতার কারণে সেটি থেকে পিছু হটে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। নতুন সংস্কার আইনের ফলে ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড- এই তিন মোড়লের আয় কমেছে। তবে আয় বেড়েছে অন্য সাতটি পূর্ণ সদস্য দেশের।
২০১৪ সালে এন শ্রীনিবাসনের সময় চালু হওয়া 'বিগ-থ্রি' মডেল অনুযায়ী, আইসিসির মোট আয়ের সিংহভাগই পেত ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। বিশেষ করে ভারতের আয়ই অন্য সদস্যদের চেয়ে অন্তত দশগুণ বেশি। এর পেছনে যুক্তি ছিল- আইসিসির আয়ের বেশিরভাগই যেহেতু ভারতের বাজার থেকে আসে, সেহেতু বেশি লভ্যাংশও তারাই পাবে। কিন্তু শশাঙ্ক মনোহর আইসিসি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েই অসম এই আর্থিক ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা বাতিলের উদ্যোগ নেন। যার ফলশ্রুতিতে তৈরি করা হয় নতুন আইন। বুধবার আইসিসির সভায় সেই আইন ৯-১ ভোটে পাস হয়।
দুবাইয়ে আইসিসির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আট বছরের রাজস্ব মডেলে ভারত পাবে সর্বোচ্চ ২৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিগ থ্রি মডেল অনুযায়ী, ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) পেতে ৫৭০ মিলিয়ন ডলার। সেটা প্রায় অর্ধেক কমে গেছে।
নতুন রাজস্ব মডেলে বাংলাদেশের আয় বেড়েছে। আইসিসির কাছ থেকে বাংলাদেশ পাবে ১৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজও সমপরিমাণ অর্থ পাবে। জিম্বাবুয়ে পাবে কিছুটা কম, ৯৪ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড'র (ইসিবি) ঘরে যাবে ১৪৩ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে আইসিসির সহযোগী দেশগুলোকে সম্মিলিতভাবে পাবে ২৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত দেশগুলোকে এই অর্থ দেবে আইসিসি।
একদিন থেকে বলতে গেলে কপালই পুড়েছে বিসিসিআইয়ের। আইসিসি চেয়ারম্যান শশাঙ্ক মনোহর ভোটাভুটির আগে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে অতিরিক্ত ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে 'গোয়ার্তুমি' করে তাতে সায় দেয়নি বিসিসিআই। এখন ২৯৩ মিলিয়ন ডলার নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে ভারতকে।
২০১৪ সালে এন শ্রীনিবাসনের সময় চালু হওয়া 'বিগ-থ্রি' মডেল অনুযায়ী, আইসিসির মোট আয়ের সিংহভাগই পেত ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। বিশেষ করে ভারতের আয়ই অন্য সদস্যদের চেয়ে অন্তত দশগুণ বেশি। এর পেছনে যুক্তি ছিল- আইসিসির আয়ের বেশিরভাগই যেহেতু ভারতের বাজার থেকে আসে, সেহেতু বেশি লভ্যাংশও তারাই পাবে। কিন্তু শশাঙ্ক মনোহর আইসিসি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েই অসম এই আর্থিক ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা বাতিলের উদ্যোগ নেন। যার ফলশ্রুতিতে তৈরি করা হয় নতুন আইন। বুধবার আইসিসির সভায় সেই আইন ৯-১ ভোটে পাস হয়।
দুবাইয়ে আইসিসির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আট বছরের রাজস্ব মডেলে ভারত পাবে সর্বোচ্চ ২৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিগ থ্রি মডেল অনুযায়ী, ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই) পেতে ৫৭০ মিলিয়ন ডলার। সেটা প্রায় অর্ধেক কমে গেছে।
নতুন রাজস্ব মডেলে বাংলাদেশের আয় বেড়েছে। আইসিসির কাছ থেকে বাংলাদেশ পাবে ১৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজও সমপরিমাণ অর্থ পাবে। জিম্বাবুয়ে পাবে কিছুটা কম, ৯৪ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড'র (ইসিবি) ঘরে যাবে ১৪৩ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে আইসিসির সহযোগী দেশগুলোকে সম্মিলিতভাবে পাবে ২৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০১৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত দেশগুলোকে এই অর্থ দেবে আইসিসি।
একদিন থেকে বলতে গেলে কপালই পুড়েছে বিসিসিআইয়ের। আইসিসি চেয়ারম্যান শশাঙ্ক মনোহর ভোটাভুটির আগে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে অতিরিক্ত ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে 'গোয়ার্তুমি' করে তাতে সায় দেয়নি বিসিসিআই। এখন ২৯৩ মিলিয়ন ডলার নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে ভারতকে।
