দেশ বার্তা::
যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করার ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় ভিকটিমের মা সোমবার সন্ধ্যায় ধর্ষকসহ তার চার বন্ধুকে আসামি করে মামলা করেছেন। মামলার সূত্র ধরে রাতে পুলিশ চার জনকে আটক করেছে। তবে মামলার প্রধান আসামি অমিত মল্লিক পলাতক রয়েছে।
আটক হওয়া তরুণরা হলেন- উপজেলার মনোহরপুর কাচারিবাড়ি এলাকার জয়হরি মণ্ডলের ছেলে সজীব মণ্ডল, মনোহরপুর গ্রামের অরবিন্দু সরকারের ছেলে শিমুল সরকার, ওই এলাকার অনুকূল সরকারের ছেলে জগন্নাথ সরকার এবং স্বপন বিশ্বাসের ছেলে তন্ময় বিশ্বাস।
এদের মধ্যে জগন্নাথ ও তন্ময় স্থানীয় মনোহরপুর হাইস্কুল থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। শিমুল কাচারীবাড়িতে একটি দুধ কোম্পানিতে চাকরি করে। আর সজীব স্কুল ছেড়েছে দুই বছর আগে।
মণিরামপুর থানায় রুজু করা মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, গত মাসের ১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে মনোহরপুর গ্রামের অসীম মল্লিকের বাড়িতে টেলিভিশন দেখতে গিয়েছিল ওই ছাত্রী। এসময় বাড়িতে কেউ না থাকায় অসীম মল্লিকের ছেলে অমিত মল্লিক নিজ ঘরে আটকে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। এসময় মোবাইল ফোনে ধর্ষণের ভিডিও করা হয়। এরপর ভিডিওটি অমিত তার বন্ধুদের মোবাইলে ছড়িয়ে দেয়।
মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার নাথ বলেন, 'মামলা হওয়া মাত্রই চারজনকে গ্রেপ্তার আটক করা হয়েছে।'
তবে মূল আসামি অমিত পালিয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানান ওসি।
আটক হওয়া তরুণরা হলেন- উপজেলার মনোহরপুর কাচারিবাড়ি এলাকার জয়হরি মণ্ডলের ছেলে সজীব মণ্ডল, মনোহরপুর গ্রামের অরবিন্দু সরকারের ছেলে শিমুল সরকার, ওই এলাকার অনুকূল সরকারের ছেলে জগন্নাথ সরকার এবং স্বপন বিশ্বাসের ছেলে তন্ময় বিশ্বাস।
এদের মধ্যে জগন্নাথ ও তন্ময় স্থানীয় মনোহরপুর হাইস্কুল থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। শিমুল কাচারীবাড়িতে একটি দুধ কোম্পানিতে চাকরি করে। আর সজীব স্কুল ছেড়েছে দুই বছর আগে।
মণিরামপুর থানায় রুজু করা মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, গত মাসের ১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে মনোহরপুর গ্রামের অসীম মল্লিকের বাড়িতে টেলিভিশন দেখতে গিয়েছিল ওই ছাত্রী। এসময় বাড়িতে কেউ না থাকায় অসীম মল্লিকের ছেলে অমিত মল্লিক নিজ ঘরে আটকে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। এসময় মোবাইল ফোনে ধর্ষণের ভিডিও করা হয়। এরপর ভিডিওটি অমিত তার বন্ধুদের মোবাইলে ছড়িয়ে দেয়।
মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার নাথ বলেন, 'মামলা হওয়া মাত্রই চারজনকে গ্রেপ্তার আটক করা হয়েছে।'
তবে মূল আসামি অমিত পালিয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানান ওসি।
