বিদেশ বার্তা::
২০ বছর বয়সী হংকং-এর এক পুলিশ কর্মকর্তা এখন অনলাইনে খ্যাতির জোয়ারে ভাসছেন। তার এই খ্যাতির কারণ, উর্দুতে কথা বলে আত্মহত্যা করতে যাওয়া এক পাকিস্তানি নাগরিকের জীবন বাঁচিয়েছেন তিনি।
বুধবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রবিবার সকালে ইয়াও সিম জেলার একটি টহল ইউনিটে ইফজাল জাফর নামে ঐ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছিলেন। সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে একটি ফোন আসে পাকিস্তানি এক নাগরিক আত্মহত্যার উদ্দেশ্য ওয়েস্টার্ন হারবার টানেল নির্মাণাধীন এলাকার একটি ২০ মিটার(৬৫ ফুট) উঁচু ক্রেনে চড়ে বসেছেন। ইফজাল জাফর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানকার কমান্ডিং কর্মকর্তা চেং আত্মহত্যাচেষ্টাকারী আনান নামে ঐ পাকিস্তানি নাগরিককে সহযোগিতা করার জন্য ইফজালকে নির্দেশ দেন। ইফজাল ক্রেনে চড়ে বসেন এবং আনানের সঙ্গে উর্দুতে কথা বলতে শুরু করেন। তাকে নিচে নেমে আসতে অনুরোধ করেন ইফজাল। আনান তার কথা শুনেন এবং নিচে নেমে আসেন। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
ক্যান্টোনিজ ভাষায়ও সমান পারদর্শী কনস্টেবল জাফরি অ্যাপল ডেইলিকে বলেন, 'অ্যাকাডেমিতে আমরা যা শিখেছি সেই কৌশল প্রয়োগের চেষ্টা করেছি। মনে হয়েছে, যদি আমি তার ভাষায় কথা বলি তাহলে তিনি নিরাপদ বোধ করবেন।'
মাত্র এক বছর আগে ওই তরুণ পুলিশ সদস্য হংকং পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন এবং এই জেলাতে তিনিই একমাত্র পাকিস্তানি পুলিশ সদস্য। অপারেশন জেমস্টোন নামে বিদেশি নাগরিকদের নিয়োগের একটি প্রকল্পের আওতায় হংকং পুলিশে যোগ দেন তিনি। জটিল পরিস্থিতি সামাল দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন জাফর।
নুনা প্রিয়া নামে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, তিনি খুবই সুদর্শন এবং বিশাল হৃদয়ের অধিকারী।
বাবা বেবি উং নামে একজন লিখেছেন, ইফজাল জাফর অনেকেই আপনাকে সমর্থন করছে। সামাজিক কাজে এভাবেই অবদান রাখুন। ধন্যবাদ!
বুধবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রবিবার সকালে ইয়াও সিম জেলার একটি টহল ইউনিটে ইফজাল জাফর নামে ঐ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছিলেন। সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে একটি ফোন আসে পাকিস্তানি এক নাগরিক আত্মহত্যার উদ্দেশ্য ওয়েস্টার্ন হারবার টানেল নির্মাণাধীন এলাকার একটি ২০ মিটার(৬৫ ফুট) উঁচু ক্রেনে চড়ে বসেছেন। ইফজাল জাফর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। সেখানকার কমান্ডিং কর্মকর্তা চেং আত্মহত্যাচেষ্টাকারী আনান নামে ঐ পাকিস্তানি নাগরিককে সহযোগিতা করার জন্য ইফজালকে নির্দেশ দেন। ইফজাল ক্রেনে চড়ে বসেন এবং আনানের সঙ্গে উর্দুতে কথা বলতে শুরু করেন। তাকে নিচে নেমে আসতে অনুরোধ করেন ইফজাল। আনান তার কথা শুনেন এবং নিচে নেমে আসেন। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
ক্যান্টোনিজ ভাষায়ও সমান পারদর্শী কনস্টেবল জাফরি অ্যাপল ডেইলিকে বলেন, 'অ্যাকাডেমিতে আমরা যা শিখেছি সেই কৌশল প্রয়োগের চেষ্টা করেছি। মনে হয়েছে, যদি আমি তার ভাষায় কথা বলি তাহলে তিনি নিরাপদ বোধ করবেন।'
মাত্র এক বছর আগে ওই তরুণ পুলিশ সদস্য হংকং পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন এবং এই জেলাতে তিনিই একমাত্র পাকিস্তানি পুলিশ সদস্য। অপারেশন জেমস্টোন নামে বিদেশি নাগরিকদের নিয়োগের একটি প্রকল্পের আওতায় হংকং পুলিশে যোগ দেন তিনি। জটিল পরিস্থিতি সামাল দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন জাফর।
নুনা প্রিয়া নামে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, তিনি খুবই সুদর্শন এবং বিশাল হৃদয়ের অধিকারী।
বাবা বেবি উং নামে একজন লিখেছেন, ইফজাল জাফর অনেকেই আপনাকে সমর্থন করছে। সামাজিক কাজে এভাবেই অবদান রাখুন। ধন্যবাদ!
