হাফেজ মোঃ কাশেম::
বিজিবি টেকনাফে পৃথক অভিযান চালিয়ে ২৯ হাজার ৮৮২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে। যার মুল্য ৮৯ লক্ষ ৮৪ হাজার ৯৭০ টাকা। তম্মধ্যে একটি অভিযানে ইয়াবা একজন পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। ইয়াবাসহ আটকের ঘটনায় একজনকে পলাতক আসামী করে পৃথক ২টি মামলা দায়ের এবং ইয়াবা বহন করার দায়ে আটক যুবককে টেকনাফ মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। ইয়াবাসহ আটক পাচারকারী সাবরাং সিকদারপাড়া মৃত সুনা আলীর পুত্র রবিউল আলম (১৯)।
টেকনাফ-২ বিজিবি'র ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর আবু রাসেল সিদ্দিকী অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান ৫ মার্চ ভোর রাতে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান আসার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লেদা বিওপির হাবিলদার সুলাইমান কবিরের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল অভিযানে যান। বিজিবির উপস্থিতি দেখে একজন ইয়াবা পাচারকারী বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়। বস্তা থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। যার মুল্য ৬০ লক্ষ টাকা। উদ্ধারকৃত ইয়াবা বড়িগুলো ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে। যা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে।
এদিকে ৪ মার্চ নাজিরপাড়া বিওপির নায়েক সুবেদার ছৈয়দ এনায়ত আলীর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল পেন্ডলপাড়া আবুল কাসেমের দোকানের পুর্ব পাশে পাকা রাস্তায় টহলে যান। এসময় একজন লোক টহল দলের নিকটে আসলে গতিবিধি সন্দেহ হলে চ্যালেঞ্জ করলে লোকটি হাতে থাকা ব্যাগটি ফেলে পালিয়ে যেতে চেষ্টা করে। তখন টহল দল সাবরাং সিকদারপাড়া মৃত সুনা আলীর পুত্র রবিউল আলমকে (১৯) আটক করতে সক্ষম হন। ব্যাগ খুলে গণণা করে ৯ হাজার ৮৮২ পিস ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়। যার মুল্য ২৯ লক্ষ ৮৪ হাজার ৯৭০ টাকা। ধৃত রবিউল আলমকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় সাবরাং গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা মোঃ জালালের পুত্র মোঃ ইরফানসহ মিয়ানমার থেকে ইয়াবা ক্রয় করে এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে আসছে। তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা রুজু করে টেকনাফ মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
টেকনাফ-২ বিজিবি'র ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর আবু রাসেল সিদ্দিকী অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান ৫ মার্চ ভোর রাতে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান আসার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লেদা বিওপির হাবিলদার সুলাইমান কবিরের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল অভিযানে যান। বিজিবির উপস্থিতি দেখে একজন ইয়াবা পাচারকারী বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়। বস্তা থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। যার মুল্য ৬০ লক্ষ টাকা। উদ্ধারকৃত ইয়াবা বড়িগুলো ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে। যা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে।
এদিকে ৪ মার্চ নাজিরপাড়া বিওপির নায়েক সুবেদার ছৈয়দ এনায়ত আলীর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল পেন্ডলপাড়া আবুল কাসেমের দোকানের পুর্ব পাশে পাকা রাস্তায় টহলে যান। এসময় একজন লোক টহল দলের নিকটে আসলে গতিবিধি সন্দেহ হলে চ্যালেঞ্জ করলে লোকটি হাতে থাকা ব্যাগটি ফেলে পালিয়ে যেতে চেষ্টা করে। তখন টহল দল সাবরাং সিকদারপাড়া মৃত সুনা আলীর পুত্র রবিউল আলমকে (১৯) আটক করতে সক্ষম হন। ব্যাগ খুলে গণণা করে ৯ হাজার ৮৮২ পিস ইয়াবা বড়ি পাওয়া যায়। যার মুল্য ২৯ লক্ষ ৮৪ হাজার ৯৭০ টাকা। ধৃত রবিউল আলমকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় সাবরাং গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দা মোঃ জালালের পুত্র মোঃ ইরফানসহ মিয়ানমার থেকে ইয়াবা ক্রয় করে এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে আসছে। তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা রুজু করে টেকনাফ মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
