দেশ বার্তা::
চট্টগ্রামের হালিশহর বি-ব্লকের একটি মেসে মাসুদ নামে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে খুন করে মোবাইল ও টাকা নিয়ে পালিয়েছে তারই প্রিয়বন্ধু হোসেন।
সোমবার ভোর ৪টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মাসুদকে মৃত ঘোষণা করেন।
চমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির নায়েক জহিরুল ইসলাম জানান, সাগর ও আবুল কাশেম নামে দু'ব্যক্তি রাত ৪টার দিকে মাসুদকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কিন্তু চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাগর ও আবুল কাশেম জানান, রাত ৩টার দিকে হঠাৎ চিৎকার শুনে ছুটে যায়। এসময় হোসেন দ্রুত বের হয়ে যাচ্ছিল। রুমে ঢুকে দেখি রক্তাক্ত অবস্থায় মাসুদ কাতরাচ্ছে। এ সময় হোসেন ছুরি মেরে টাকা ও মোবাইল নিয়ে যাওয়ার কথা জানায় মাসুদ। আমরা তাকে নিয়ে ভোর ৪টার দিকে হাসপাতালে পৌঁছাই।
হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হোসেন মাসুদকে ছুরি মেরে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। হোসেন টেম্পু চালায়। মাসুদের পেশা কি জানা যায়নি।
ওসি বলেন, মাসুদের বাড়ি সন্দ্বীপ উপজেলার মুছাপুরে। হালিশহর আবাসিক এলাকার বি-ব্লকের দুই নম্বর সড়কে তিন নম্বর বাসায় ব্যাচেলর হিসেবে থাকত হোসেন ও মাসুদ। তারা একে অপরের প্রিয়বন্ধু। তবে লোভে পড়ে হোসেন এ ঘটনা ঘটায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ তাকে খুঁজছে।
সোমবার ভোর ৪টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মাসুদকে মৃত ঘোষণা করেন।
চমেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির নায়েক জহিরুল ইসলাম জানান, সাগর ও আবুল কাশেম নামে দু'ব্যক্তি রাত ৪টার দিকে মাসুদকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কিন্তু চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাগর ও আবুল কাশেম জানান, রাত ৩টার দিকে হঠাৎ চিৎকার শুনে ছুটে যায়। এসময় হোসেন দ্রুত বের হয়ে যাচ্ছিল। রুমে ঢুকে দেখি রক্তাক্ত অবস্থায় মাসুদ কাতরাচ্ছে। এ সময় হোসেন ছুরি মেরে টাকা ও মোবাইল নিয়ে যাওয়ার কথা জানায় মাসুদ। আমরা তাকে নিয়ে ভোর ৪টার দিকে হাসপাতালে পৌঁছাই।
হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হোসেন মাসুদকে ছুরি মেরে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। হোসেন টেম্পু চালায়। মাসুদের পেশা কি জানা যায়নি।
ওসি বলেন, মাসুদের বাড়ি সন্দ্বীপ উপজেলার মুছাপুরে। হালিশহর আবাসিক এলাকার বি-ব্লকের দুই নম্বর সড়কে তিন নম্বর বাসায় ব্যাচেলর হিসেবে থাকত হোসেন ও মাসুদ। তারা একে অপরের প্রিয়বন্ধু। তবে লোভে পড়ে হোসেন এ ঘটনা ঘটায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ তাকে খুঁজছে।
