কক্সবার্তা ডেস্ক::
টেকনাফের নয়াপাড়ায় আনসার ক্যাম্পের কমান্ডার হত্যা ও অস্ত্র লুটের ঘটনার মূল হোতা দুর্ধর্ষ রোহিঙ্গা নুরুল আলমকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব সদস্যরা। তাকে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবির থেকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-৭ এর কক্সবাজার ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আশেকুর রহমান রাতে জানান-'গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুর্ধর্ষ এই রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোহিঙ্গা নুরুল আলম টেকনাফের আনসার ক্যাম্পের হত্যা ও অস্ত্র লুটের প্রধান হোতা।'
কুতুপালং শিবিরের রোহিঙ্গারা জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা থেকে কুতুপালং অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবিরের পুর্বাংশ ঘিরে ফেলে র্যাব। এরপর র্যাব সদস্যরা নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত শিবিরে অভিযান চালিয়ে নুরুল আরমকে গ্রেফতার করে। নুরুল আলমকে গ্রেফতারের পর র্যাব সদস্যরা রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযান চালাছ্ছিলেন শিবিরে। র্যাব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গ্রেফতার হওয়া নুরুল আলমের অস্ত্র ভান্ডারের সন্ধান চালানো হচ্ছে।
জানা গেছে, দুর্ধর্ষ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নুরুল আলম আনসার ক্যাম্পের হামলার পর ভারত পালিয়ে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফিরে আসার খবর পেয়েই র্যাব সদস্যরা তাকে গ্রেফতার করেন।
প্রসঙ্গত গত বছরের ১২ মে রাতে রোহিঙ্গা সশস্ত্র জঙ্গি গোষ্ঠি টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শিবিরের দায়িত্বে নিয়োজিত আনসার ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে আনসার কমান্ডার আলী হোসেনকে হত্যার পর ৬০০ রাউন্ড গুলি ও ১৩ টি অস্ত্র লুঠ করে নিয়ে যায়। পরে গত ৯ জানুয়ারি মিয়ানমার সীমান্তের ঘুংধুম এলাকার গহীন অরণ্যে অভিযান চালিয়ে লুঠ হওয়া ৫টি সহ ১৩ টি অস্ত্র ও ৯৫ রাউন্ড গুলি নিয়ে ৩ জন রোহিঙ্গাকে র্যাব গ্রেফতার করে।
র্যাব-৭ এর কক্সবাজার ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আশেকুর রহমান রাতে জানান-'গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুর্ধর্ষ এই রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোহিঙ্গা নুরুল আলম টেকনাফের আনসার ক্যাম্পের হত্যা ও অস্ত্র লুটের প্রধান হোতা।'
কুতুপালং শিবিরের রোহিঙ্গারা জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা থেকে কুতুপালং অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবিরের পুর্বাংশ ঘিরে ফেলে র্যাব। এরপর র্যাব সদস্যরা নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত শিবিরে অভিযান চালিয়ে নুরুল আরমকে গ্রেফতার করে। নুরুল আলমকে গ্রেফতারের পর র্যাব সদস্যরা রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অভিযান চালাছ্ছিলেন শিবিরে। র্যাব কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গ্রেফতার হওয়া নুরুল আলমের অস্ত্র ভান্ডারের সন্ধান চালানো হচ্ছে।
জানা গেছে, দুর্ধর্ষ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নুরুল আলম আনসার ক্যাম্পের হামলার পর ভারত পালিয়ে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফিরে আসার খবর পেয়েই র্যাব সদস্যরা তাকে গ্রেফতার করেন।
প্রসঙ্গত গত বছরের ১২ মে রাতে রোহিঙ্গা সশস্ত্র জঙ্গি গোষ্ঠি টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শিবিরের দায়িত্বে নিয়োজিত আনসার ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে আনসার কমান্ডার আলী হোসেনকে হত্যার পর ৬০০ রাউন্ড গুলি ও ১৩ টি অস্ত্র লুঠ করে নিয়ে যায়। পরে গত ৯ জানুয়ারি মিয়ানমার সীমান্তের ঘুংধুম এলাকার গহীন অরণ্যে অভিযান চালিয়ে লুঠ হওয়া ৫টি সহ ১৩ টি অস্ত্র ও ৯৫ রাউন্ড গুলি নিয়ে ৩ জন রোহিঙ্গাকে র্যাব গ্রেফতার করে।
