বার্তা বিভাগ::
কক্সবাজার সদরের উপকূলীয় ইউনিয়ন চৌফলদন্ডীর চিহ্নিত ২ ইয়াবা পাচারকারী ও ব্যবসায়ীকে আটক করেছে চকরিয়া থানা পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ডুলাহাজারা থেকে থানার একদল পুলিশ তাদের আটক করে। আটককৃতরা হল ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়ার আবদুর রশিদের পুত্র নাছির উদ্দীন, মোজাহের মিয়ার পুত্র জসিম উদ্দীন। প্রাপ্ত তথ্য ও বিলম্বে জানা যায়, আটককৃতরা বিপুল পরিমাণ একটি ইয়াবার চালান নিয়ে ব্রাহ্মন বাড়িয়া যাচ্ছিল।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে চকরিয়া থানা পুলিশ ডুলাহাজারা এলাকায় অবস্থান নেয়। এসময় তাদের বহনকৃত গাড়ীটি তল্লাশী চালিয়ে সিটের নিচ থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। তবে অপর একটি সূত্রে নিশ্চিত করেছেন ৪শ পিস ইয়াবা দেখিয়ে আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন।
চকরিয়া থানার নবাগত অফিসার্স ইনচার্জ বখতিয়ার উদ্দীন চৌধুরী জানান, তিনি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেননি। বিষয়টি তিনি জানেননা বলেও জানান। ঘটনাটি তাদের এলাকায় চাউর হলে ব্যাপক কানাঘুঁষার সৃষ্টি হয়।
সরেজমিন জানতে চাইলে কয়েকজন ব্যক্তি জানান, আটককৃতরা ইউনিয়নের একজন জনপ্রতিনিধির আস্কারায় দীর্ঘদিন এ কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিল। ইতিপূর্বে তারা ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা পাচার করে আসছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা ইয়াবাগুলোর আসল মালিক কে তা তদন্ত পূর্বক বেরিয়ে আনতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াজ করিম বাবুল ইয়াবাসহ আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ডুলাহাজারা থেকে থানার একদল পুলিশ তাদের আটক করে। আটককৃতরা হল ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়ার আবদুর রশিদের পুত্র নাছির উদ্দীন, মোজাহের মিয়ার পুত্র জসিম উদ্দীন। প্রাপ্ত তথ্য ও বিলম্বে জানা যায়, আটককৃতরা বিপুল পরিমাণ একটি ইয়াবার চালান নিয়ে ব্রাহ্মন বাড়িয়া যাচ্ছিল।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে চকরিয়া থানা পুলিশ ডুলাহাজারা এলাকায় অবস্থান নেয়। এসময় তাদের বহনকৃত গাড়ীটি তল্লাশী চালিয়ে সিটের নিচ থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। তবে অপর একটি সূত্রে নিশ্চিত করেছেন ৪শ পিস ইয়াবা দেখিয়ে আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন।
চকরিয়া থানার নবাগত অফিসার্স ইনচার্জ বখতিয়ার উদ্দীন চৌধুরী জানান, তিনি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেননি। বিষয়টি তিনি জানেননা বলেও জানান। ঘটনাটি তাদের এলাকায় চাউর হলে ব্যাপক কানাঘুঁষার সৃষ্টি হয়।
সরেজমিন জানতে চাইলে কয়েকজন ব্যক্তি জানান, আটককৃতরা ইউনিয়নের একজন জনপ্রতিনিধির আস্কারায় দীর্ঘদিন এ কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিল। ইতিপূর্বে তারা ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা পাচার করে আসছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা ইয়াবাগুলোর আসল মালিক কে তা তদন্ত পূর্বক বেরিয়ে আনতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ওয়াজ করিম বাবুল ইয়াবাসহ আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
