দেশ বার্তা::
খুলনা মহানগরীতে একটি মৎস্য কোম্পানিতে কর্মরত এক কিশোরীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ এঘটনায় অভিযুক্ত এক নারীসহ তিনজনকে আটক করেছে। কিশোরীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি)তে ভর্তি করা হয়েছে।
ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে লবনচরা থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
শুক্রবার দুপুরে লবনচরা থানাধীন ইসলামপাড়া খান বাহাদুর সড়কে একটি ঘরের মধ্যে আটকে রেখে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়।
এ ঘটনায় আটকরা হলেন- লবনচরা থানাধীন ইসলামপাড়া খান বাহাদুর সড়কের ফজিলা রাইসমিলের পাশে ইনামুল কবিরের বাড়ির ভাড়াটিয়া কাঞ্চন মোল্লার ছেলে মোঃ রাহাত (২৭), মৃত আবজালের ছেলে ইকবাল হোসেন ওরফে টুকু (১৮)। এছাড়া ধর্ষণের সহযোগিতার অভিযোগে একই এলাকার বারেক ফকিরের স্ত্রী মোসা: রেবা বেগম (৪০)কে আটক করা হয়।
লবনচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সরদার মোাশররফ হোসেন জানান, খুলনার একটি সি ফুড কোম্পানিতে ওই কিশোরী করতো। আজ শুক্রবার দুপুরে ইকবাল হোসেন ওরফে টুকু রাস্তা চিনিয়ে দেবার নাম করে ইসলামপাড়া খান বাহাদুর সড়কের ফজিলা রাইসমিলের পাশে ইনামুল কবিরের বাড়ির একটি কক্ষে নিয়ে যায় তাকে। এসময় অপর দুইজন এসে তার মুখ বেধে ঘরের মধ্যে তাকে আটকে রাখে। এরপর মোঃ রাহাত ও ইকবাল হোসেন ওরফে টুক তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে গুরুত্বর অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি)তে ভর্তি করা হয়েছে। এরপর কয়েক দফা অভিযান চালিয়ে এই তিন অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে।
ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে লবনচরা থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
শুক্রবার দুপুরে লবনচরা থানাধীন ইসলামপাড়া খান বাহাদুর সড়কে একটি ঘরের মধ্যে আটকে রেখে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়।
এ ঘটনায় আটকরা হলেন- লবনচরা থানাধীন ইসলামপাড়া খান বাহাদুর সড়কের ফজিলা রাইসমিলের পাশে ইনামুল কবিরের বাড়ির ভাড়াটিয়া কাঞ্চন মোল্লার ছেলে মোঃ রাহাত (২৭), মৃত আবজালের ছেলে ইকবাল হোসেন ওরফে টুকু (১৮)। এছাড়া ধর্ষণের সহযোগিতার অভিযোগে একই এলাকার বারেক ফকিরের স্ত্রী মোসা: রেবা বেগম (৪০)কে আটক করা হয়।
লবনচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সরদার মোাশররফ হোসেন জানান, খুলনার একটি সি ফুড কোম্পানিতে ওই কিশোরী করতো। আজ শুক্রবার দুপুরে ইকবাল হোসেন ওরফে টুকু রাস্তা চিনিয়ে দেবার নাম করে ইসলামপাড়া খান বাহাদুর সড়কের ফজিলা রাইসমিলের পাশে ইনামুল কবিরের বাড়ির একটি কক্ষে নিয়ে যায় তাকে। এসময় অপর দুইজন এসে তার মুখ বেধে ঘরের মধ্যে তাকে আটকে রাখে। এরপর মোঃ রাহাত ও ইকবাল হোসেন ওরফে টুক তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কিশোরীকে উদ্ধার করে গুরুত্বর অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি)তে ভর্তি করা হয়েছে। এরপর কয়েক দফা অভিযান চালিয়ে এই তিন অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে।
